ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানের কোচ হচ্ছেন মিসবাহ!

  • আপডেট সময়: ০৬:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অগাস্ট ২০১৯
  • ১৫৯ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ক্রিকেট বিশ্বকাপের পরপরই শুরু হয়েছে বিভিন্ন দেশের জাতীয় দলের কোচদের ছাঁটাই প্রক্রিয়া। বিশ্বজয়ী ইংল্যান্ড থেকে শুরু করে রানার্স আপ নিউজিল্যান্ড,দক্ষিণ আফ্রিকা, আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, এমনকি বাংলাদেশ দলেও হয়েছে কোচ ছাঁটাই। কোচ ছাঁটাইয়ের রেওয়াজ যেই দেশের সবচেয়ে বেশি সেই পাকিস্তান অবশেষে কোচ বদলের সিদ্ধান্ত দিলো।

দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ মিকি আর্থারকে ইতিমধ্যেই বিদায় বলে দিয়েছে পাকিস্তান। জানিয়ে দিয়েছে তার সঙ্গে আর চুক্তি বাড়ানো হচ্ছে না। শুধু আর্থার নন; বোলিং কোচ আজহার মাহমুদ, ব্যাটিং কোচ গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার ও ট্রেনার গ্র্যান্ট লুডেনের সঙ্গেও চুক্তি আর সম্প্রসারণ করা হয়নি।

কোচিং স্টাফদের বাকিদের কথা পরে। কোনো দলের হেড কোচ নিয়ে কিন্তু আগ্রহ থাকে অন্য দেশের ক্রিকেট ভক্তদেরও। স্বভাবতই পাকিস্তান দলের নতুন কোচ কে হচ্ছেন, সেটি জানতে কৌতুহলের কমতি নেই কারও।

এই কৌতুহলটা বিস্ময়ে পরিণত হতে পারে, একটি খবর শুনে। পাকিস্তানের হেড কোচ হওয়ার দৌড়ে নাকি এগিয়ে রয়েছেন দলটির সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ উল হক! পিসিবির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছেন এমনটা।

পাকিস্তানের হয়ে ৭৫ টেস্ট, ১৬২ ওয়ানডে ও ৩৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন মিসবাহ। ছিলেন অন্যতম সফল অধিনায়ক। এমন একজন পাকিস্তান দলের কোচ হিসেবে ভালো করতে পারবেন, মনে করছে পিসিবি। যদিও কোচ হিসেবে তেমন অভিজ্ঞতাই নেই তার।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, দলের বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হতে পারে আরেক সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ আকরামকে। তিনি এখন পাকিস্তান সুপার লিগের ফ্র্যাঞ্চাইজি পেশোয়ার জালমির হেড কোচ। সাত বছর আগে এই আকরাম জাতীয় দলের বোলিং কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন।

সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে পাকিস্তান সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি। দলের পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ বোর্ড প্রশাসন। বিশ্বকাপের পর তাই ব্যর্থতার ময়নাতদন্ত হয়েছে। এরই মাঝে পাকিস্তান কোচ মিকি আর্থার নিজের গা বাঁচিয়ে সব দোষ চাপিয়েছেন অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের উপর।

আর্থার প্রস্তাব করেন, সরফরাজকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার। সেইসঙ্গে তাকে যেন আরও দুই বছর সময় দেয়া হয়, সেই আবেদন করেছিলেন পাকিস্তানের কোচ। তবে বোর্ড সে আবেদনে সাড়া দেয়নি। আর্থারকে কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়ারই সিদ্ধান্ত নেয় তারা।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

পাকিস্তানের কোচ হচ্ছেন মিসবাহ!

আপডেট সময়: ০৬:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অগাস্ট ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ক্রিকেট বিশ্বকাপের পরপরই শুরু হয়েছে বিভিন্ন দেশের জাতীয় দলের কোচদের ছাঁটাই প্রক্রিয়া। বিশ্বজয়ী ইংল্যান্ড থেকে শুরু করে রানার্স আপ নিউজিল্যান্ড,দক্ষিণ আফ্রিকা, আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, এমনকি বাংলাদেশ দলেও হয়েছে কোচ ছাঁটাই। কোচ ছাঁটাইয়ের রেওয়াজ যেই দেশের সবচেয়ে বেশি সেই পাকিস্তান অবশেষে কোচ বদলের সিদ্ধান্ত দিলো।

দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ মিকি আর্থারকে ইতিমধ্যেই বিদায় বলে দিয়েছে পাকিস্তান। জানিয়ে দিয়েছে তার সঙ্গে আর চুক্তি বাড়ানো হচ্ছে না। শুধু আর্থার নন; বোলিং কোচ আজহার মাহমুদ, ব্যাটিং কোচ গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার ও ট্রেনার গ্র্যান্ট লুডেনের সঙ্গেও চুক্তি আর সম্প্রসারণ করা হয়নি।

কোচিং স্টাফদের বাকিদের কথা পরে। কোনো দলের হেড কোচ নিয়ে কিন্তু আগ্রহ থাকে অন্য দেশের ক্রিকেট ভক্তদেরও। স্বভাবতই পাকিস্তান দলের নতুন কোচ কে হচ্ছেন, সেটি জানতে কৌতুহলের কমতি নেই কারও।

এই কৌতুহলটা বিস্ময়ে পরিণত হতে পারে, একটি খবর শুনে। পাকিস্তানের হেড কোচ হওয়ার দৌড়ে নাকি এগিয়ে রয়েছেন দলটির সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ উল হক! পিসিবির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছেন এমনটা।

পাকিস্তানের হয়ে ৭৫ টেস্ট, ১৬২ ওয়ানডে ও ৩৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন মিসবাহ। ছিলেন অন্যতম সফল অধিনায়ক। এমন একজন পাকিস্তান দলের কোচ হিসেবে ভালো করতে পারবেন, মনে করছে পিসিবি। যদিও কোচ হিসেবে তেমন অভিজ্ঞতাই নেই তার।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, দলের বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হতে পারে আরেক সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ আকরামকে। তিনি এখন পাকিস্তান সুপার লিগের ফ্র্যাঞ্চাইজি পেশোয়ার জালমির হেড কোচ। সাত বছর আগে এই আকরাম জাতীয় দলের বোলিং কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন।

সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে পাকিস্তান সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি। দলের পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ বোর্ড প্রশাসন। বিশ্বকাপের পর তাই ব্যর্থতার ময়নাতদন্ত হয়েছে। এরই মাঝে পাকিস্তান কোচ মিকি আর্থার নিজের গা বাঁচিয়ে সব দোষ চাপিয়েছেন অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের উপর।

আর্থার প্রস্তাব করেন, সরফরাজকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার। সেইসঙ্গে তাকে যেন আরও দুই বছর সময় দেয়া হয়, সেই আবেদন করেছিলেন পাকিস্তানের কোচ। তবে বোর্ড সে আবেদনে সাড়া দেয়নি। আর্থারকে কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়ারই সিদ্ধান্ত নেয় তারা।