ঢাকা ১১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মা-ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি: সিআইডির এএসপিসহ ৫ জন কারাগারে

  • আপডেট সময়: ১১:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অগাস্ট ২০২১
  • ১২৯ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:দিনাজপুরে মা-ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় সিআইডির রংপুরের এএসপি সারোয়ার কবির সোহাগসহ ৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তারা হলেন- রংপুর সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবির, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক। এএসপি সরোয়ারের বাড়ি পঞ্চগড় জেলায়, এএসআই হাসিনুরের বাড়ি দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় এবং কনস্টেবল আহসানুলের বাড়ি লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায়।

এর আগে চিরিরবন্দরে মা-ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে সিআইডির এক এএসপিসহ চার কর্মকর্তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয় জনতা। মা-ছেলেসহ আটকদের দিনাজপুর ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়।

রংপুর সিআইডি, দিনাজপুর পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসে রংপুর সিআইডির কাছে পলাশ নামের এক ব্যক্তি চিরিরবন্দর উপজেলার লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ করেন। অভিযোগের বিষয়ে রংপুর অফিসকে কোন অবগতি না করে একটি ভাড়া করা মাইক্রোবাসে সিআইডি’র এএসপিসহ ৩ জন দিনাজপুরে যান। এর মধ্যে এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক ছুটিতে ছিলেন। এএসপি সরোয়ার কবির দায়িত্বরত থাকলেও রংপুর অফিসকে অভিযানের বিষয়ে কোন কিছু অবগত করেননি। সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে তারা দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে গিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায় কোনভাবেই সিআইডি নিতে পারে না বলে জানিয়েছেন রংপুরের সিআইডি কর্মকর্তা।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

মা-ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি: সিআইডির এএসপিসহ ৫ জন কারাগারে

আপডেট সময়: ১১:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অগাস্ট ২০২১
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:দিনাজপুরে মা-ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় সিআইডির রংপুরের এএসপি সারোয়ার কবির সোহাগসহ ৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তারা হলেন- রংপুর সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবির, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক। এএসপি সরোয়ারের বাড়ি পঞ্চগড় জেলায়, এএসআই হাসিনুরের বাড়ি দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় এবং কনস্টেবল আহসানুলের বাড়ি লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায়।

এর আগে চিরিরবন্দরে মা-ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে সিআইডির এক এএসপিসহ চার কর্মকর্তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয় জনতা। মা-ছেলেসহ আটকদের দিনাজপুর ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়।

রংপুর সিআইডি, দিনাজপুর পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসে রংপুর সিআইডির কাছে পলাশ নামের এক ব্যক্তি চিরিরবন্দর উপজেলার লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ করেন। অভিযোগের বিষয়ে রংপুর অফিসকে কোন অবগতি না করে একটি ভাড়া করা মাইক্রোবাসে সিআইডি’র এএসপিসহ ৩ জন দিনাজপুরে যান। এর মধ্যে এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক ছুটিতে ছিলেন। এএসপি সরোয়ার কবির দায়িত্বরত থাকলেও রংপুর অফিসকে অভিযানের বিষয়ে কোন কিছু অবগত করেননি। সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে তারা দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে গিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায় কোনভাবেই সিআইডি নিতে পারে না বলে জানিয়েছেন রংপুরের সিআইডি কর্মকর্তা।