ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩১ মার্চ যশোর পৌরসভার ভোট

  • আপডেট সময়: ১১:১৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১
  • ১১৯ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচারঃসকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে স্থগিতকৃত যশোর পৌরসভার নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী আগামী ৩১ মার্চ ভোট অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় দেয়া হয়েছে ১৫ মার্চ। নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপনের কপি যশোর জেলা নির্বাচন অফিসে পৌঁছেছে।

নির্বাচন কমিশনের উপসচিব আতিয়ার রহমান সাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে ‘যশোর পৌরসভার মেয়র সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর এবং সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে ইভিএম এর মধ্যমে বিগত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যক্রম যে অবস্থায় ছিল, সে পর্যায় হতে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী নির্বাচন সম্পন্নের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন।

তবে এ ঘোষণার পর প্রার্থীরা কোনো প্রচার প্রচারণা চালাতে পারবেন না। সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুর রশীদ জানিয়েছেন, নির্বাচন অফিস থেকে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের  আগে প্রচার-প্রচারনা চালালে আচারণবিধি লঙ্ঘিত হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যশোর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এ লক্ষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ১২ ফেব্রুয়ারি প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে মেয়র কাউন্সিলররা প্রচারণা শুরু করেন। তবে ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার হুমায়ুন কবীর। স্থগিতের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় ‘রিট পিটিশন নং-১৭৬৬/২০২১ এ হাইকোর্ট বিভাগ গত ৯ ফেব্রুয়ারি যশোর পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করে একটি আদেশ দেন।

তবে নির্বাচন স্থগিত ঘোষিত হওয়ার দিনই আপিল বিভাগ নির্বাচন স্থগিতাদেশের বিপক্ষে রায় দেন।

এরআগে যশোর পৌর এলাকার বর্ধিত অংশের তিন নাগরিক হাইকোর্টে নির্বাচন স্থগিতের আবেদন করেন। ৯ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট তাদের রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ যশোর পৌরসভার নির্বাচনের ওপর তিনমাসের স্থগিতাদেশ দেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি চেম্বার বিচারপতি নূরুজ্জামান এ সংক্রান্ত শুনানী মুলতবি করে আপিল বিভাগে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রিট খারিজ করে দেন। এরপর নির্বাচনের প্রতিবন্ধকতা দূর হয়।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

৩১ মার্চ যশোর পৌরসভার ভোট

আপডেট সময়: ১১:১৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১
Spread the love

লোকসমাচারঃসকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে স্থগিতকৃত যশোর পৌরসভার নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী আগামী ৩১ মার্চ ভোট অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় দেয়া হয়েছে ১৫ মার্চ। নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপনের কপি যশোর জেলা নির্বাচন অফিসে পৌঁছেছে।

নির্বাচন কমিশনের উপসচিব আতিয়ার রহমান সাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে ‘যশোর পৌরসভার মেয়র সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর এবং সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে ইভিএম এর মধ্যমে বিগত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যক্রম যে অবস্থায় ছিল, সে পর্যায় হতে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী নির্বাচন সম্পন্নের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন।

তবে এ ঘোষণার পর প্রার্থীরা কোনো প্রচার প্রচারণা চালাতে পারবেন না। সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুর রশীদ জানিয়েছেন, নির্বাচন অফিস থেকে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের  আগে প্রচার-প্রচারনা চালালে আচারণবিধি লঙ্ঘিত হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যশোর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এ লক্ষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ১২ ফেব্রুয়ারি প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে মেয়র কাউন্সিলররা প্রচারণা শুরু করেন। তবে ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার হুমায়ুন কবীর। স্থগিতের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় ‘রিট পিটিশন নং-১৭৬৬/২০২১ এ হাইকোর্ট বিভাগ গত ৯ ফেব্রুয়ারি যশোর পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করে একটি আদেশ দেন।

তবে নির্বাচন স্থগিত ঘোষিত হওয়ার দিনই আপিল বিভাগ নির্বাচন স্থগিতাদেশের বিপক্ষে রায় দেন।

এরআগে যশোর পৌর এলাকার বর্ধিত অংশের তিন নাগরিক হাইকোর্টে নির্বাচন স্থগিতের আবেদন করেন। ৯ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট তাদের রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ যশোর পৌরসভার নির্বাচনের ওপর তিনমাসের স্থগিতাদেশ দেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি চেম্বার বিচারপতি নূরুজ্জামান এ সংক্রান্ত শুনানী মুলতবি করে আপিল বিভাগে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রিট খারিজ করে দেন। এরপর নির্বাচনের প্রতিবন্ধকতা দূর হয়।