ঢাকা ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ শিশু শামিউল হত্যা মামলার রায়

  • আপডেট সময়: ১০:৪৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২০
  • ১৬২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নবোদয় হাউজিংয়ে শিশু খন্দকার সামিউল আজিম হত্যা মামলার রায় আজ।

দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করবেন।

রেলস্টেশনে হঠাৎ শীতবস্ত্র নিয়ে হাজির ইউএনও
গত ২৩ নভেম্বর একই আদালতে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার এই তারিখ ঠিক করেন ।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার পুলিশ পরিদর্শক কাজী শাহান হক ২০১২ সালের ২৫শে অক্টোবর এশা ও বাক্কুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পরে বছর ১ ফেব্রুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের মোট ২২ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন। মামলাটিতে শিশু সামিউলের মা এশা জামিনে ছিলেন।

তবে গত ২৩ নভেম্বর তিনি আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারক তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এ মামলায় আরেক আসামি এশার কথিত প্রেমিক বাক্কুও পলাতক।

২০১০ সালের ২৩শে জুন সামিউল মায়ের প্রেমিক বাক্কুর সঙ্গে মা এশার অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় দু’জন মিলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত শিশু সামিউলের বাবা আজম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

আজ শিশু শামিউল হত্যা মামলার রায়

আপডেট সময়: ১০:৪৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২০
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নবোদয় হাউজিংয়ে শিশু খন্দকার সামিউল আজিম হত্যা মামলার রায় আজ।

দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করবেন।

রেলস্টেশনে হঠাৎ শীতবস্ত্র নিয়ে হাজির ইউএনও
গত ২৩ নভেম্বর একই আদালতে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার এই তারিখ ঠিক করেন ।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার পুলিশ পরিদর্শক কাজী শাহান হক ২০১২ সালের ২৫শে অক্টোবর এশা ও বাক্কুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পরে বছর ১ ফেব্রুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের মোট ২২ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন। মামলাটিতে শিশু সামিউলের মা এশা জামিনে ছিলেন।

তবে গত ২৩ নভেম্বর তিনি আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারক তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এ মামলায় আরেক আসামি এশার কথিত প্রেমিক বাক্কুও পলাতক।

২০১০ সালের ২৩শে জুন সামিউল মায়ের প্রেমিক বাক্কুর সঙ্গে মা এশার অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় দু’জন মিলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত শিশু সামিউলের বাবা আজম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।