লোকসমাচার,স্টাফ রিপোর্টার:যশোরে একটি প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হওয়ার পর বাদি হুমকি ধামকি থেকে শুরু করে মিথ্যা মামলার শিকার বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ০৮/১১/২০২০ ইংরেজি তারিখ রবিবার প্রতারকচক্রের বিরুদ্ধে প্রায় ১৩ লহ্ম টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এনে ভুক্তভোগী মোঃ আলি জিন্নাহ আদালতে ৪ জনকে আসামি করে মামলা করেছিলেন যাহার নং-১৫৪০/২০।
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ সাইফুদ্দীন হোসাইন তার অভিযোগ আমলে নিয়ে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন -পিবিআই কে আদেশ দেন।
এরপর গত১০/১১/২০তারিখ মঙ্গলবার যশোর থেকে প্রকাশিত প্রায় প্রত্যেকটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ হয়। ভূক্তভোগী এ প্রতিবেদক কে জানায়,মামলা হওয়ার পর তা পত্রিকায় প্রকাশ হলে তাকে যারা টাকা আদায় করে দিবে বলে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল তারা,প্রতারকচক্রের মূল হোতা মোঃ ফারুক হোসেন প্রদেয় নগদ এক লহ্ম পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবের দুই লহ্ম টাকার চেকের বিনিময়ে ভূক্তভোগীর নিকট থেকে মূল স্ট্যাম্প ছিনিয়ে নেয়। মহমান্য আদালত পিবিআই কে তদন্তের আদেশ দেওয়ার পর তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মোঃ আঃ ছালাম তাকে বিবাদীকে জেরা শাহ্মিদের শাহ্ম্য সহ ঘটনা স্থল পরিদর্শন টাকা লেনদেনের স্থান পরিদর্শন হলেও মূল স্ট্যাম্প উদ্ধার করতে পারিনি
তিনি এ প্রতিবেদক কে আরও জানান যারা স্ট্যাম্প ছিনিয়ে নিয়েছিল তাদের অব্যাহত চাপ যে,মামলা থেকে তাদের নাম প্রত্যাহার করে স্ট্যাম্প নিয়ে যেতে হবে এ সকল সমস্যা তদন্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করার পরও তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি এমন বলে দাবি করেন ভূক্তভোগী।এদিকে মামলার আসামি ভুক্তভোগীকে টাকা পরিশোধ না করা এবং হয়রানির জন্য আদালতে দুটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে যাহা সম্পূর্ণ ভিত্তি হীন মিথ্যা।
অনুসন্ধানে উল্লেখিত ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় যে,গত সতের সালে নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে ফারুক তাহের হাজি সেজে ভূক্তভোগীর ব্যক্তিগত মোবাইলে ফোন দিয়ে জানায় যে ভাই আমার রিক্রুটিং এজেন্সির বৈধ ব্যবসা আছে ঢাকা ফকিরাপুল অফিস আমার হাতে বিশটা কুয়েতে ভিসার প্রসেস আছে আপনি ইচ্ছা করলে নিজে এবং অন্য লোকও দিতে পারেন এসকল কথা শুনে ভূক্তভোগী প্রথমে তাহের হাজি সাজা লোকটির কাছে জানতে চায় তার নম্বর কোথায় পেয়েছে তখন সে জানায় অনলাইনে পেয়েছে ভূক্তভোগীর একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল আছে বিধায় মনে মনে বিশ্বাস করে বলেছিল ভাই ফোনে সব কিছু হবে না শাহ্মাতে আলোচনা হতে হবে আপনাকে চিনাজানার মাঝে
চিন্তা ভাবনা করবে তখন তাহের হাজি সাজা লোকটা ঢাকায় ফকিরাপুলে অবস্থিত আল-হামদ্ ট্রাভেল এন্ড এজেন্সীর ঠিকানা জানায় এবং ঢাকায় যেয়ে শাহ্মাত করতে বলে সে অনুসারে ভূক্তভোগী ঢাকায় যেয়ে শাহ্মাত করে অফিসে বসে বিস্তারিত আলাপ আলোচনা হয় গুলশান ২ নম্বরে ভাড়া বাসায় নিয়ে যায় এবং উনার স্থায়ি বাড়ি জানায় ঢাকা দোহারে যতটুকু সে জানায় তাতে মোটামুটি ভূক্তভোগী সন্তুষ্ট হয়। বাসায় ফিরে তার আত্মীয় স্বজন এবং পরিচিত মানুষের মাঝে আলোচনা করে তেরো জন তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে পরে যশোর থেকে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া করে মেডিকেলের উদ্দেশ্যে ঢাকা অভিমুখে রওনা হয়। তাহের হাজি ভূক্তভোগীকে মোবাইলে জানায় সে বাহিরে আছে থাকলে ও তাদের কোন সমস্যা হবে না কারণ ১৪ জনের মেডিকেলের ব্যাপারে টোকিও বাংলা মেডিকেল সার্ভিস সেন্টারে সে কথা বলে রেখেছে অতঃপর উক্ত সেন্টারে যেতে বলে এবং ভূক্তভোগীরা সেখানে ৯০ হাজার টাকা জমা করে সকলে মেডিকেল সম্পন্ন করে তার কথা মত বাড়ি ফেরত আসে তিন দিন পর তাহের হাজি সাজা লোকটা ভূক্তভোগীকে মুঠোফোনে জানায় যে সকলের মেডিকেল অবস্থা ভালো শুধু একজনের পাসপোর্ট মেয়াদ নেই রিনিউ করতে হবে ৫ হাজার টাকা লাগবে পরে ভূক্তভোগী তাকে বিকাশের মাধ্যমে চাহিদার টাকা পরিশোধ করে।
সাতদিন পর তাহের ভূক্তভোগীকে মুঠোফোনে জানায়,যে জিন্নাহ সাহেব কুয়েতের থেকে ভিসা আনতে হলে জন প্রতি ১লহ্ম টাকা করে অগ্রীম পে করতে হবে যদিও তাহেরের সাথে অগ্রীম কোন টাকা দেওয়ার হিসাব ছিল না তথাপিও ভূক্তভোগী অন্যদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে তাদের থেকে বিশ/ত্রিশ হাজার টাকা করে নিয়ে এবং নিজের কাছের টাকা মিলিয়ে তাহের কে মুঠোফোনে ডেকে ১২লহ্ম টাকা তার হাতে নগদ প্রদান করে তার বসবাসরত বাসা থেকে টাকা নেওয়ার সময় ভিসা আসার একটা সম্ভাব্য তারিখ দেয় সেই সময় পার হলে ধানাই ফানাই শুরু করে সন্দেহ গাঢ় হলে ভূক্তভোগী একজন পুলিশ অফিসারের শরনাপন্ন হন এবং ঘটনা খুলে বলায় উনি ভূক্তভোগীর নিকট থেকে তাহের হাজি সাজা লোকের মোবাইল নম্বর নেন এবং নম্বর টি ট্রাকিং পাঠিয়ে দেন ৪/৫ দিন পর পুলিশ অফিসার ভূক্তভোগীকে ঢাকায় যেতে বলে পরে উনি ট্রাকিং কাগজ দেখিয়ে বুঝিয়ে দেন যে চিটারের বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা কীর্তিপুরের বাসিন্দা সেলিনা নামে সিমটা উনি তখন কিছু কৌশল শিখিয়ে দেয় সে মোতাবেক ঐ এলাকার স্থানিয় জনপ্রতিনিধিদের এবং আরও যারা তার দ্বারা হ্মতিগ্রস্ত সকলের সহযোগিতায় প্রায় চার মাসের ব্যবধানে তাহের হাজির আসল পরিচয় খুজে পায় ভূক্তভোগীর অব্যাহত চাপে পড়ে ফারুক গত ২৭/৯/২০১৮ তারিখে তিনটি নন জুডিসিয়াল ষ্ট্যাম্পে লিখিত অংগীকার নামা সম্পাদন করেন যে আগামী ৩১/১২/২০১৮ তারিখের মধ্যে সমুদয় টাকা ভূক্তভোগীকে পরিশোধ করে দিবে।
কিন্তু ফারুক ভূক্তভোগীর টাকা পরিশোধ না করিয়া টালবাহানা করতে থাকে বিধায় ভূক্তভোগী গত ১২/০২/২০১৯ তারিখে ঝিকরগাছা থানায় হাজির হয়ে ফারুকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন তার প্রেহ্মিতে তদন্ত কর্মকর্তা সহকারি উপ পরিদর্শক মোঃ আনিস দুই পহ্মকে একের অধিক বার বৈঠক করেন কিন্তু সমাধান না করে ফারুক বিদেশ পাড়ি দেন। কিন্তু ভূক্তভোগীকে তার আত্মীয় এবং পরিচিত যেসকল লোকজন হ্মতিগ্রস্ত হয়েছিল তারা কোনরকম সুযোগ না দিয়ে ঐসময় তার কাছে দেওয়া টাকা ফেরত নেন। এরপরের ঘটনা আজ পযর্ন্ত সকলে কমবেশি জানেন।





















