লোকসমাচার ডেস্ক : যশোরে মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সনদ দিয়ে চাকরি নেওয়া দুই কনস্টেবলকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার তাদের কর্মস্থল থেকে আটক করা হয়। পরে সন্ধ্যায় তাদেরকে যশোর জুডিসিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আটকরা হলেন- বর্তমানে সাতক্ষীরায় কর্মরত মিনহাজ হোসেন (কনস্টেবল নম্বর ৮৭৩) ও খুলনা মেট্রোপলিটনে (কেএমপি) কর্মরত নাসির উদ্দিন (কনস্টেবল নম্বর ৬০৫৯)।
এদের মধ্যে মিনহাজ যশোরের অভয়নগর উপজেলার নাউলী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে ও নাসির বাঘারপাড়া উপজেলার বলরামপুর গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে। ২০১৫ সালে তারা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় যশোর পুলিশে চাকরি পান।
তদন্তকারী কর্মকর্তা যশোর কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক মোকলেছুজ্জামান জানান, কর্মস্থল থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। একই মামলায় অপর অভিযুক্ত সালাউদ্দিন খুলনা মেট্রোপলিটনে কর্মরত আছেন। তাকেও আটক করা হবে।
মামলা সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ২৩ ফেব্রুয়ারি যশোর পুলিশ লাইন ময়দানে কনস্টেবল পদে নিয়োগপরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে তারা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় কনস্টেবল পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলে ছয়মাসের প্রশিক্ষন শেষে কর্মস্থলে যোগদান করেন। এরপর তাদের দেয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট যাচাই-বছায়ের জন্য পুলিশ হেড কোয়ার্টারের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। যাচাই-বাছায়ে তাদের মুক্তিযোদ্ধা সর্টিফিকেট ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে গত ৩০ ডিসেম্বর প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন যশোর রিজার্ভ অফিসের আরওআই পরিদর্শক এম মশিউর রহমান।





















