ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাকিবের জন্য সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ঢাকায় স্মৃতি!

  • আপডেট সময়: ০৮:৩৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২০
  • ১৪০ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : ৯০ দশকের অন্যতম মডেল যুক্তরাজ্য প্রবাসী স্মৃতি ফামি। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের জন্য সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ঢাকায় এসেছেন তিনি।

গত ৮ জানুয়ারি ঢাকায় এসে সাকিবের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে আজ (১৪ জানুয়ারি) রাতেই যুক্তরাজ্যগামী বিমান ধরেছেন স্মৃতি।

মূলত মডেলিং এর প্রতি আকর্ষণ ও ভালোবাসা থেকেই এবারে ঢাকায় আসেন স্মৃতি। গ্ল্যাক্সোস ডি’র একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করার জন্যই তার আসা। যেখানে তার সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন বিশ্বখ্যাত ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান।

যুক্তরাজ্য থেকে এসে কাজটি করার পেছনে এটাও বড় একটি কারণ। এছাড়া বিজ্ঞাপনচিত্রটি নির্মাণ করেছেন দেশের আরেক আলোচিত নাম অমিতাভ রেজা চৌধুরী।

স্মৃতি ফামির শুরুটা হয় ১৯৯২ সালে। এপি কোল্ড ক্রিমের একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর অসংখ্য জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনের মডেল হয়েছেন দশকজুড়ে। সে সময় কোমল পানীয় কোকাকোলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও কাজ করেন স্মৃতি। যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমানোর আগে ১৯৯৯ সালে শেষ কাজটি করেন ফুজিয়ান ফ্রিজের।

স্মৃতি ফামির পর্দার গল্পের প্রথম পর্বটা মূলত সেখানেই শেষ হয়। পড়াশোনা, সংসার আর শিক্ষকতা নিয়েই প্রবাস জীবন গুছিয়ে নিয়েছেন নিজের মতো করে। কিন্তু না। টানা ২০ বছর পর তিনি আবারও বিজ্ঞাপনের ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন স্মৃতি।

স্মৃতি ফামি বলেন, ‘বিজ্ঞাপন সেক্টরটা আমার জন্য অনেক আবেগের বিষয়। আমি এখন বিমানবন্দরে। ফিরে যাচ্ছি যুক্তরাজ্যে। গেল ২০ বছরে আমি নানা কারণে এই শহরে এসেছি। কিন্তু এবারের আসা এবং চলে যাওয়াটা সত্যিই অন্যরকম অনুভূতির। কারণ, আমি আবারও এই শহরের কোনও বিজ্ঞাপনের ইউনিটে কাজ করলাম! এটা নস্টালজিক বিষয়। শুধু এই অনুভূতির স্বাদ নেবো বলেই মাত্র দুদিনের জন্য হুট করে চলে এলাম।’

তিনি জানান, ৮ জানুয়ারি এই কাজটির জন্য অমিতাভ রেজার ডাকে হুট করেই ঢাকায় আসেন। মিটিং আর প্রস্তুতি শেষে ১০ ও ১১ জানুয়ারি টানা শুটিং করেন। অবশেষে আজ (১৪ জানুয়ারি) ফিরছেন প্রবাসালয়ে।

২০ বছর পর নতুন করে কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে স্মৃতি বলেন, ‘অমিতাভ রেজা আর সাকিব আল হাসান- দুজন সম্পর্কে আমি আর কী বলবো! তাদের সম্পর্কে সবাই জানেন। দুজনই নিজ নিজ অঙ্গনে সেরা। অমিতাভ দা আমাকে ডেকেছেন, সাকিব আল হাসান আমার সহশিল্পী! এটাই বড় প্রশান্তি।

বহুকাল পর মনে হলো, এই শহর এখনও আমায় মনে রেখেছে! যদিও আমি ভাবতাম, সবাই ভুলে গেছে। অমিতাভ রেজা ও সাকিব, দুজন অসাধারণ মানুষের সঙ্গে কাজ করলাম। এটা আমার জীবনের বড় অর্জন।’

প্রায় ২০ বছর পর ঢাকার কোনও বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশ নিলেও মাঝে দুটি নাটকে অভিনয় করেছেন স্মৃতি ফামি। একটির নাম ‘গোল্ডেন ভাই’ অন্যটি ‘অন্তঋণ’।

নতুন এ বিজ্ঞাপন চিত্রে স্মৃতি ফামিকে দেখা যাবে অনেকটা সুপার ওমেনের চরিত্রে। তার ভাষায়, ‘এখানে আমাকে দেখা যাবে ঘরে-বাইরে সারাক্ষণ আমি ব্যস্ত। সুপার ওমেনের মতো সব কাজ সেরে ফেলছি। যদিও আমি ক্লান্ত। এমনই এক সময়ে সামনে হাজির হন সাকিব আল হাসান। তার হাতে এক গ্লাস গ্ল্যাক্সোস-ডি। গল্পটা এমনই।’

চলতি বছরের মার্চ মাস থেকেই বিজ্ঞাপনচিত্রটি দেশের সবকটি টিভি চ্যানেল ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচার হবে বলে জানা গেছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

সাকিবের জন্য সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ঢাকায় স্মৃতি!

আপডেট সময়: ০৮:৩৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২০
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : ৯০ দশকের অন্যতম মডেল যুক্তরাজ্য প্রবাসী স্মৃতি ফামি। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের জন্য সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ঢাকায় এসেছেন তিনি।

গত ৮ জানুয়ারি ঢাকায় এসে সাকিবের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে আজ (১৪ জানুয়ারি) রাতেই যুক্তরাজ্যগামী বিমান ধরেছেন স্মৃতি।

মূলত মডেলিং এর প্রতি আকর্ষণ ও ভালোবাসা থেকেই এবারে ঢাকায় আসেন স্মৃতি। গ্ল্যাক্সোস ডি’র একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করার জন্যই তার আসা। যেখানে তার সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন বিশ্বখ্যাত ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান।

যুক্তরাজ্য থেকে এসে কাজটি করার পেছনে এটাও বড় একটি কারণ। এছাড়া বিজ্ঞাপনচিত্রটি নির্মাণ করেছেন দেশের আরেক আলোচিত নাম অমিতাভ রেজা চৌধুরী।

স্মৃতি ফামির শুরুটা হয় ১৯৯২ সালে। এপি কোল্ড ক্রিমের একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর অসংখ্য জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনের মডেল হয়েছেন দশকজুড়ে। সে সময় কোমল পানীয় কোকাকোলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও কাজ করেন স্মৃতি। যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমানোর আগে ১৯৯৯ সালে শেষ কাজটি করেন ফুজিয়ান ফ্রিজের।

স্মৃতি ফামির পর্দার গল্পের প্রথম পর্বটা মূলত সেখানেই শেষ হয়। পড়াশোনা, সংসার আর শিক্ষকতা নিয়েই প্রবাস জীবন গুছিয়ে নিয়েছেন নিজের মতো করে। কিন্তু না। টানা ২০ বছর পর তিনি আবারও বিজ্ঞাপনের ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন স্মৃতি।

স্মৃতি ফামি বলেন, ‘বিজ্ঞাপন সেক্টরটা আমার জন্য অনেক আবেগের বিষয়। আমি এখন বিমানবন্দরে। ফিরে যাচ্ছি যুক্তরাজ্যে। গেল ২০ বছরে আমি নানা কারণে এই শহরে এসেছি। কিন্তু এবারের আসা এবং চলে যাওয়াটা সত্যিই অন্যরকম অনুভূতির। কারণ, আমি আবারও এই শহরের কোনও বিজ্ঞাপনের ইউনিটে কাজ করলাম! এটা নস্টালজিক বিষয়। শুধু এই অনুভূতির স্বাদ নেবো বলেই মাত্র দুদিনের জন্য হুট করে চলে এলাম।’

তিনি জানান, ৮ জানুয়ারি এই কাজটির জন্য অমিতাভ রেজার ডাকে হুট করেই ঢাকায় আসেন। মিটিং আর প্রস্তুতি শেষে ১০ ও ১১ জানুয়ারি টানা শুটিং করেন। অবশেষে আজ (১৪ জানুয়ারি) ফিরছেন প্রবাসালয়ে।

২০ বছর পর নতুন করে কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে স্মৃতি বলেন, ‘অমিতাভ রেজা আর সাকিব আল হাসান- দুজন সম্পর্কে আমি আর কী বলবো! তাদের সম্পর্কে সবাই জানেন। দুজনই নিজ নিজ অঙ্গনে সেরা। অমিতাভ দা আমাকে ডেকেছেন, সাকিব আল হাসান আমার সহশিল্পী! এটাই বড় প্রশান্তি।

বহুকাল পর মনে হলো, এই শহর এখনও আমায় মনে রেখেছে! যদিও আমি ভাবতাম, সবাই ভুলে গেছে। অমিতাভ রেজা ও সাকিব, দুজন অসাধারণ মানুষের সঙ্গে কাজ করলাম। এটা আমার জীবনের বড় অর্জন।’

প্রায় ২০ বছর পর ঢাকার কোনও বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশ নিলেও মাঝে দুটি নাটকে অভিনয় করেছেন স্মৃতি ফামি। একটির নাম ‘গোল্ডেন ভাই’ অন্যটি ‘অন্তঋণ’।

নতুন এ বিজ্ঞাপন চিত্রে স্মৃতি ফামিকে দেখা যাবে অনেকটা সুপার ওমেনের চরিত্রে। তার ভাষায়, ‘এখানে আমাকে দেখা যাবে ঘরে-বাইরে সারাক্ষণ আমি ব্যস্ত। সুপার ওমেনের মতো সব কাজ সেরে ফেলছি। যদিও আমি ক্লান্ত। এমনই এক সময়ে সামনে হাজির হন সাকিব আল হাসান। তার হাতে এক গ্লাস গ্ল্যাক্সোস-ডি। গল্পটা এমনই।’

চলতি বছরের মার্চ মাস থেকেই বিজ্ঞাপনচিত্রটি দেশের সবকটি টিভি চ্যানেল ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচার হবে বলে জানা গেছে।