লোকসমাচার,বেনাপোল প্রতিনিধি : জমি আছে, ঘর নাই ও দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয় এবং দূর্যোগ ব্যস্থাপনা মন্ত্রণালয়, যশোরের শার্শায় প্রত্যান্ত গ্রামীন জনপদে বসবাসকারী, সামর্থহীন অতিদরিদ্র ও মুক্তিযোদ্ধা ৩৯৪টি পরিবারকে১টি করে আধাপাকা ও দুর্গোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ করে দিয়েছেন। পাকা ঘর পেয়ে খুশি হত দরিদ্র এসব পরিবার। তাই সরকারের এমন উদ্যেগকে স্বাগত জানিয়েছেন তারা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান টিআর কাবিটার আওতায় দুর্যোগ সহনীয় গৃহনির্মান এবং আশ্রয়নের অধিকার শেখ হাসিনা উপহার-স্লোগানে-যশোরের শার্শা উপজেলার১১টি ইউনিয়নে হত দরিদ্র অসহায়দের দুর্দশা লাঘবে জমি আছে ঘর নাই ও দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় পাকা বা আধাপাকা-বাড়ি তৈরি করে দিয়েছেন সরকার। জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পে ৩শত৩৩টি ও দূর্যোগ সহনীয় প্রকল্পের আওতায় ৬১টিসহ ৩৯৪টি পরিবারকে ঘর দেওয়া হয়েছে।
রোদ বৃষ্টি ঝড়ে ভাঙ্গা চুড়া ঘরে”অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনেক কষ্টে দিন যাপন করা মানুষ গুলো কখনো কল্পনা করতে পারেনি পাকাঘর বাড়িতে বসবাস করতে পারবেন তারা। নতুন বাড়ি পেয়ে খুশি ভুক্তভোগীরা সরকারকে ধন্যবাদও দীর্ঘায়ু কামনা করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা বলেন তাদের ছিল না আশ্রয় ও মাথা গোজার মতো ঠাই হাসিনা মা আমাদের মনের কষ্ট বুঝে দিয়েছেন ঘর। তাদের কাছে এটাই চরম পাওয়া।
ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বররা বলেন,গা গ্রাম এলাকা সহ বাজার এলাকায় এখনও অনেকের ঘর ও জমি নেই। তাদেরকেও পর্যায় ক্রমে এর আওতায় আনার দাবী তাদের।
উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভ’মি)শার্শা-খোরসেদ আলম চৌধুরী বলেন,গ্রামাঞ্চলের অনেক দরিদ্র মানুষেরর জমি আছে ঘর নির্মানের সামর্থ নেই। অনেকের নেই জমি ও ঘর। প্রধান মন্ত্রীর দপ্তর থেকে প্রাপ্ত প্রকল্পের প্রথম ও দ্বিতীয় ফেজে শার্শা উপজেলায় ৩শত ৩৩টি ঘর বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। গুণগত মান বজায় রেখে সুন্দর ভাবে ঘর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। করা হচ্ছে হস্তান্তর। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো ও রক্ষনা-বেক্ষন কর্মসুচির আওতায় দই ফেজে ২৩টিও ৩৮টি সহ ৬১টি দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ করা হয়েছে।
ঘর ও জমি না পাওয়া অসহায় পরিবারের সদস্যরা বলেন সরকারের বিভিন্ন খাসজমিতে অনেকদিন পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছেন। তারা পায়নি সরকারি ঘর। কষ্টে রাতদিন কাটছে তাদের। সরকারের সহযোগিতা চান তারা
প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছেন উপজেলা প্রশাসন। দুঃস্থ্য জনগোষ্টির শিক্ষা স্বাস্থ্য ও বাসস্থানের জন্য লিষ্ট করে তা বাস্তবায়নে চাহিদাপত্র প্রেরন করা হয়েছে। আগামীতে ঘরের পরিমাণ বাড়ানো হলে প্রান্ত্রিক মানুষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। জমি আছে ঘর নাই বা ঘর জরাজির্ণ প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে জানান উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা পূলক কুমার মন্ডল।





















