ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জা ফখরুলের বাবা রাজাকার ছিলেন : খালিদ মাহমুদ

  • আপডেট সময়: ১১:১৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ১২৬ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : বিএনপি রাজাকারদের দ্বারা পরিচালিত দাবি করে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মির্জা ফখরুল ইসলামের বাবা কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন বলেই, রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করে বিএনপিকে হেনস্তা করার কথা বলছেন।

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্বোধনী বক্তব্যে মঙ্গলবার দুপুরে তিনি এ কথা বলেন।

খালিদ মাহমুদ বলেন, “বিজয়ের মাসে বর্তমান সরকার ৪৮ বছরের আকাঙ্ক্ষিত প্রায় এগারো হাজার রাজাকার, আল বদর, আল শামসের তালিকা প্রণয়ন করেছে। ধারাবাহিকভাবে সকল স্বাধীনতাবিরোধীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।”

আরও বলেন, “আমরা যখন বিজয়ের উষালগ্নে শহীদ স্মৃতিসৌধে ৩০ লাখ শহীদদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, তখন আমরা দেখতে পাচ্ছি এই অপরাধী আর জঙ্গিবাদের আশ্রয়দাতা ওরা কী কথা বলছে। ওই মির্জা ফখরুল বলেছে, এই রাজাকারের তালিকা নাকি বিএনপিকে হেনস্তা, পর্যুদস্ত করার জন্য করা হয়েছে।”

“তাহলে কি মির্জা ফখরুল আপনি মেনে নিলেন? আজকের বিএনপি-রাজাকার দ্বারাই পরিচালিত হয়? তবে এটাও সত্য, মির্জা ফখরুল আপনি মির্জা রুহুল আমিনের সন্তান। মির্জা রুহুল আমিন ঠাকুরগাঁওয়ের কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী ছিলেন, তার রক্তের উত্তরাধিকারী আপনি। আপনার মুখে তো রাজাকারদের পক্ষে কথা বের হবেই, এটাই স্বাভাবিক। কারণ এখনো আপনি বিএনপির মহাসচিব”, বলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

বিএনপি প্রতিষ্ঠা থেকেই রাজাকারদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে- দাবি করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, “বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান শাহ আজিজ, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, আব্দুল আলীমদের মন্ত্রী বানিয়েছেন। আপনার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিজামী, মুজাহিদকে মন্ত্রিত্ব দিয়েছিলেন, আপনি এই লাইনে কথা বলবেন এটাই স্বাভাবিক। আমরা বলতে চাই এই বিজয়ের মাসে, দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই বাংলার মাটিতে কোন ধরনের যুদ্ধাপরাধীদের ঠাঁই হবে না।”

তিনি বলেন, “আমাদের পূর্বসূরিরা জীবন দিয়ে আমাদের জন্য রাষ্ট্র তৈরি করে গেছেন। আমরা তাদের কাছে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, জীবন দিয়ে হলেও আমরা সেই ঋণ পরিশোধ করব। বঙ্গবন্ধুর রক্তে প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলতে চাই, এই বাংলাদেশে কোথাও যুদ্ধাপরাধীদের জায়গা হবে না। বাংলাদেশের কোথাও তার রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না। বাংলাদেশের মানুষ তাদের গ্রহণ করবে না। এ রকম একটি বাংলাদেশ আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত করে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করবো।”

এ ছাড়া বোচাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সৈয়দ হোসেনর সভাপতিত্বে দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুকউজ্জামান চৌধুরী মাইকেল, মির্জা আশফাক, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইমাম চৌধুরী, বোচাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার আলী বক্তব্য রাখেন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

মির্জা ফখরুলের বাবা রাজাকার ছিলেন : খালিদ মাহমুদ

আপডেট সময়: ১১:১৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : বিএনপি রাজাকারদের দ্বারা পরিচালিত দাবি করে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মির্জা ফখরুল ইসলামের বাবা কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন বলেই, রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করে বিএনপিকে হেনস্তা করার কথা বলছেন।

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্বোধনী বক্তব্যে মঙ্গলবার দুপুরে তিনি এ কথা বলেন।

খালিদ মাহমুদ বলেন, “বিজয়ের মাসে বর্তমান সরকার ৪৮ বছরের আকাঙ্ক্ষিত প্রায় এগারো হাজার রাজাকার, আল বদর, আল শামসের তালিকা প্রণয়ন করেছে। ধারাবাহিকভাবে সকল স্বাধীনতাবিরোধীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।”

আরও বলেন, “আমরা যখন বিজয়ের উষালগ্নে শহীদ স্মৃতিসৌধে ৩০ লাখ শহীদদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, তখন আমরা দেখতে পাচ্ছি এই অপরাধী আর জঙ্গিবাদের আশ্রয়দাতা ওরা কী কথা বলছে। ওই মির্জা ফখরুল বলেছে, এই রাজাকারের তালিকা নাকি বিএনপিকে হেনস্তা, পর্যুদস্ত করার জন্য করা হয়েছে।”

“তাহলে কি মির্জা ফখরুল আপনি মেনে নিলেন? আজকের বিএনপি-রাজাকার দ্বারাই পরিচালিত হয়? তবে এটাও সত্য, মির্জা ফখরুল আপনি মির্জা রুহুল আমিনের সন্তান। মির্জা রুহুল আমিন ঠাকুরগাঁওয়ের কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী ছিলেন, তার রক্তের উত্তরাধিকারী আপনি। আপনার মুখে তো রাজাকারদের পক্ষে কথা বের হবেই, এটাই স্বাভাবিক। কারণ এখনো আপনি বিএনপির মহাসচিব”, বলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

বিএনপি প্রতিষ্ঠা থেকেই রাজাকারদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে- দাবি করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, “বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান শাহ আজিজ, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, আব্দুল আলীমদের মন্ত্রী বানিয়েছেন। আপনার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিজামী, মুজাহিদকে মন্ত্রিত্ব দিয়েছিলেন, আপনি এই লাইনে কথা বলবেন এটাই স্বাভাবিক। আমরা বলতে চাই এই বিজয়ের মাসে, দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই বাংলার মাটিতে কোন ধরনের যুদ্ধাপরাধীদের ঠাঁই হবে না।”

তিনি বলেন, “আমাদের পূর্বসূরিরা জীবন দিয়ে আমাদের জন্য রাষ্ট্র তৈরি করে গেছেন। আমরা তাদের কাছে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, জীবন দিয়ে হলেও আমরা সেই ঋণ পরিশোধ করব। বঙ্গবন্ধুর রক্তে প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলতে চাই, এই বাংলাদেশে কোথাও যুদ্ধাপরাধীদের জায়গা হবে না। বাংলাদেশের কোথাও তার রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না। বাংলাদেশের মানুষ তাদের গ্রহণ করবে না। এ রকম একটি বাংলাদেশ আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত করে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করবো।”

এ ছাড়া বোচাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সৈয়দ হোসেনর সভাপতিত্বে দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুকউজ্জামান চৌধুরী মাইকেল, মির্জা আশফাক, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইমাম চৌধুরী, বোচাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার আলী বক্তব্য রাখেন।