ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাণিজ্য যুদ্ধে উত্তপ্ত চীন-যুক্তরাষ্ট্র

  • আপডেট সময়: ১০:১৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯
  • ১৯০ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:বাণিজ্য যুদ্ধের কোনো স্থায়ী সমাধান না হওয়ার আগেই আবারো উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় টেলিকম নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাকে আটকের ঘটনা স্নায়ুযুদ্ধের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

দেশ দুটি তাদের গত কয়েক মাসের বাণিজ্য যুদ্ধকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো কে কাকে টপকে বিশ্বে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিবে।

কয়েক সপ্তাহ আগে চীনা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় টেলিকম নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে নানা দেশে পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তি (ফাইভ জি) নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজ করছিল। কিন্তু হঠাৎ করে তাতে ভাটা পড়েছে। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কাজ থমকে গেছে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠার পর।-খবর বিবিসি

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটি পশ্চিমা নানা সংস্থার মধ্যে হ্যাকিংয়ে জড়িত। আর এসব ঘটনায় প্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রধান খেলোয়াড় হতে চাওয়া চীনকে গভীর সমস্যায় ফেলে দিয়েছে। যদিও বেইজিং শক্তভাবেই পশ্চিমা পদক্ষেপের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ক্ষুব্ধ চীনারা আমেরিকান পণ্য বর্জনের ডাক দিচ্ছে যার সূচনা হচ্ছে অ্যাপল ফোন ও টেবলেটের মাধ্যমে।

এটি তীব্র আকার ধারণ করে যখন হুয়াওয়ের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা মেং ওয়াংজু কানাডায় আটক হন। তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতার কন্যা। যুক্তরাষ্ট্র তাকে প্রত্যর্পণের দাবি জানায় এবং তার বিরুদ্ধ অভিযোগ তুলে যে তার প্রতিষ্ঠান চীনা কর্তৃপক্ষের ঘনিষ্ঠ ও ইরানের কাছে তারা টেলিকম প্রযুক্তি বিক্রি করছে। আর এতে সত্যিকারভাবে দোষী প্রমাণিত হলে তার ত্রিশ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রযুক্তি স্নায়ুযুদ্ধ এখনো কমে আসার কোনো লক্ষ্মণ দেখা যাচ্ছেনা। গত ২০শে ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য বড় ধরনের সাইবার হামলার জন্য চীনকে দায়ী করেছে। বিশেষ করে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা কোম্পানি ছাড়াও সরকারী নানা সংস্থায় হ্যাকিংয়ের জন্য চীনকে অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি দু’জন চীনা নাগরিককে ইউরোপ, এশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে হ্যাকিংয়ের জন্য দায়ী করছে। তবে চীন এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সরকারের সুনির্দিষ্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা রয়েছে- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

বাণিজ্য যুদ্ধে উত্তপ্ত চীন-যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময়: ১০:১৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:বাণিজ্য যুদ্ধের কোনো স্থায়ী সমাধান না হওয়ার আগেই আবারো উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় টেলিকম নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাকে আটকের ঘটনা স্নায়ুযুদ্ধের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

দেশ দুটি তাদের গত কয়েক মাসের বাণিজ্য যুদ্ধকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো কে কাকে টপকে বিশ্বে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিবে।

কয়েক সপ্তাহ আগে চীনা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় টেলিকম নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে নানা দেশে পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তি (ফাইভ জি) নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজ করছিল। কিন্তু হঠাৎ করে তাতে ভাটা পড়েছে। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কাজ থমকে গেছে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠার পর।-খবর বিবিসি

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটি পশ্চিমা নানা সংস্থার মধ্যে হ্যাকিংয়ে জড়িত। আর এসব ঘটনায় প্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রধান খেলোয়াড় হতে চাওয়া চীনকে গভীর সমস্যায় ফেলে দিয়েছে। যদিও বেইজিং শক্তভাবেই পশ্চিমা পদক্ষেপের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ক্ষুব্ধ চীনারা আমেরিকান পণ্য বর্জনের ডাক দিচ্ছে যার সূচনা হচ্ছে অ্যাপল ফোন ও টেবলেটের মাধ্যমে।

এটি তীব্র আকার ধারণ করে যখন হুয়াওয়ের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা মেং ওয়াংজু কানাডায় আটক হন। তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতার কন্যা। যুক্তরাষ্ট্র তাকে প্রত্যর্পণের দাবি জানায় এবং তার বিরুদ্ধ অভিযোগ তুলে যে তার প্রতিষ্ঠান চীনা কর্তৃপক্ষের ঘনিষ্ঠ ও ইরানের কাছে তারা টেলিকম প্রযুক্তি বিক্রি করছে। আর এতে সত্যিকারভাবে দোষী প্রমাণিত হলে তার ত্রিশ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রযুক্তি স্নায়ুযুদ্ধ এখনো কমে আসার কোনো লক্ষ্মণ দেখা যাচ্ছেনা। গত ২০শে ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য বড় ধরনের সাইবার হামলার জন্য চীনকে দায়ী করেছে। বিশেষ করে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা কোম্পানি ছাড়াও সরকারী নানা সংস্থায় হ্যাকিংয়ের জন্য চীনকে অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি দু’জন চীনা নাগরিককে ইউরোপ, এশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে হ্যাকিংয়ের জন্য দায়ী করছে। তবে চীন এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।