ঢাকা ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লিটনের পর নাঈমও হাসপাতালে

  • আপডেট সময়: ০৮:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯
  • ১০৪ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : বাংলাদেশের ব্যাটিং দেখে মনে হয়েছে তারা কলকাতায় নয়, টেস্ট খেলতে নেমেছে ব্রিসবেন-ওয়েলিংটনের বাউন্সি পিচে। মাথা-পাঁজর বরাবার ধেয়ে আসা প্রতিপক্ষের ফাস্ট বোলারদের বল সামলাতে পারছে না। হাসাপাতালে পর্যন্ত যেতে হয়েছে দুই ব্যাটসম্যানকে।

কলকাতা টেস্টের প্রথম দিনে (প্রথম সেশন বলাই ভালো) চোট পেয়ে ছিটকে গেছেন লিটন দাস ও নাঈম হাসান। ইশান্ত শর্মার বাউন্সারে মাথায় আঘাত পেয়ে লিটনকে যেতে হয়েছে হাসপাতালে। চোট এতটাই গুরুতর এই টেস্ট থেকেই তিনি ছিটকে পড়েছেন। লিটনের আঘাতের রেশ না কাটতেই আরেক দুঃসংবাদ—হাসপাতালে যেতে হয়েছে নাঈম হাসানকেও। মোহাম্মদ শামির বাউন্সার লেগেছে তাঁর মাথায়। বিসিবি জানিয়ে দিয়েছে, নাঈম আর নামছেন না। তাঁর ‘কনকাশন’ (মাথায় আঘাতজনিত চোট) বদলি হিসেবে নেমেছেন বাঁ হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম।

লিটন ছিটকে গেছেন বিরতির ঠিক আগে ২১তম ওভারে। নাঈম বিরতির পরপরই ২২তম ওভারে। ২ ওভারের মধ্যে বাংলাদেশ হারিয়েছে দুজনকে। কলকাতা টেস্টের আগে মোট তিনজন ক্রিকেটারকে কানকাশন বদলি হিসেবে দেখেছে টেস্ট ক্রিকেট। আজ এক ইনিংসেই দুজন বদলি দেখা গেল। ব্যাটে-বলে বলার মতো কিছু না করতে পারলেও এ দিক দিয়ে একটা ‘রেকর্ড’ই গড়ে ফেলেছে বাংলাদেশ!

বাংলাদেশের এ পারফরম্যান্স দেখে ভীষণ হতাশ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নিমন্ত্রণে আসা বাংলাদেশ দলের সাবেক খেলোয়াড়েরা। প্রেসবক্সে ঢুঁ মারতে এসে পেসার হাসিবুল হোসেন হতাশ কণ্ঠে বলে গেলেন, ‘আমার অনুভূতি ভোঁতা হয়ে গেছে!’ কলকাতার সংবাদমাধ্যমের কাছে বেশ কদর সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমানে নির্বাচক হাবিবুল বাশারের।

এত বড় আয়োজনে এসেছেন, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে হচ্ছে বিষণ্ন মনে। মাঠে দল ভালো না খেললে মুখে হাসি থাকবে কী করে! বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা শুধু উইকেটেই টিকতে পারছেন না, হাসাপাতালেও যেতে হচ্ছে—দৃশ্যটা একজন সাবেক ব্যাটসম্যান হিসেবে হাবিবুলের কাছে ভীষণ পীড়াদায়ক। এ দৃশ্য দেখে হাবিবুলও হাসিবুলের মতো যেন ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন!

এমন উপলক্ষে মাঠের পারফরম্যান্স ভালো না হলে কার মন ভালো থাকে! ইন্দোরে তবুও দল করেছিল ১৫০। কলকাতায় হলো না সেটিও।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

লিটনের পর নাঈমও হাসপাতালে

আপডেট সময়: ০৮:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : বাংলাদেশের ব্যাটিং দেখে মনে হয়েছে তারা কলকাতায় নয়, টেস্ট খেলতে নেমেছে ব্রিসবেন-ওয়েলিংটনের বাউন্সি পিচে। মাথা-পাঁজর বরাবার ধেয়ে আসা প্রতিপক্ষের ফাস্ট বোলারদের বল সামলাতে পারছে না। হাসাপাতালে পর্যন্ত যেতে হয়েছে দুই ব্যাটসম্যানকে।

কলকাতা টেস্টের প্রথম দিনে (প্রথম সেশন বলাই ভালো) চোট পেয়ে ছিটকে গেছেন লিটন দাস ও নাঈম হাসান। ইশান্ত শর্মার বাউন্সারে মাথায় আঘাত পেয়ে লিটনকে যেতে হয়েছে হাসপাতালে। চোট এতটাই গুরুতর এই টেস্ট থেকেই তিনি ছিটকে পড়েছেন। লিটনের আঘাতের রেশ না কাটতেই আরেক দুঃসংবাদ—হাসপাতালে যেতে হয়েছে নাঈম হাসানকেও। মোহাম্মদ শামির বাউন্সার লেগেছে তাঁর মাথায়। বিসিবি জানিয়ে দিয়েছে, নাঈম আর নামছেন না। তাঁর ‘কনকাশন’ (মাথায় আঘাতজনিত চোট) বদলি হিসেবে নেমেছেন বাঁ হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম।

লিটন ছিটকে গেছেন বিরতির ঠিক আগে ২১তম ওভারে। নাঈম বিরতির পরপরই ২২তম ওভারে। ২ ওভারের মধ্যে বাংলাদেশ হারিয়েছে দুজনকে। কলকাতা টেস্টের আগে মোট তিনজন ক্রিকেটারকে কানকাশন বদলি হিসেবে দেখেছে টেস্ট ক্রিকেট। আজ এক ইনিংসেই দুজন বদলি দেখা গেল। ব্যাটে-বলে বলার মতো কিছু না করতে পারলেও এ দিক দিয়ে একটা ‘রেকর্ড’ই গড়ে ফেলেছে বাংলাদেশ!

বাংলাদেশের এ পারফরম্যান্স দেখে ভীষণ হতাশ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নিমন্ত্রণে আসা বাংলাদেশ দলের সাবেক খেলোয়াড়েরা। প্রেসবক্সে ঢুঁ মারতে এসে পেসার হাসিবুল হোসেন হতাশ কণ্ঠে বলে গেলেন, ‘আমার অনুভূতি ভোঁতা হয়ে গেছে!’ কলকাতার সংবাদমাধ্যমের কাছে বেশ কদর সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমানে নির্বাচক হাবিবুল বাশারের।

এত বড় আয়োজনে এসেছেন, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে হচ্ছে বিষণ্ন মনে। মাঠে দল ভালো না খেললে মুখে হাসি থাকবে কী করে! বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা শুধু উইকেটেই টিকতে পারছেন না, হাসাপাতালেও যেতে হচ্ছে—দৃশ্যটা একজন সাবেক ব্যাটসম্যান হিসেবে হাবিবুলের কাছে ভীষণ পীড়াদায়ক। এ দৃশ্য দেখে হাবিবুলও হাসিবুলের মতো যেন ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন!

এমন উপলক্ষে মাঠের পারফরম্যান্স ভালো না হলে কার মন ভালো থাকে! ইন্দোরে তবুও দল করেছিল ১৫০। কলকাতায় হলো না সেটিও।