ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯৯৯-এ করা অভিযোগের অনুসন্ধানে জবানবন্দি দিলেন সাংবাদিক আলী জিন্নাহ

  • আপডেট সময়: ০৯:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪৫ জন দেখেছে
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক,লোকসমাচার যশোর:জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ করা একটি অভিযোগের অনুসন্ধান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন সাংবাদিক ও দৈনিক লোকসমাচার ডটকমের প্রকাশক-সম্পাদক মো. আলী জিন্নাহ। তিনি আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দোহার–নবাবগঞ্জ সার্কেলের পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেনের দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী নবাবগঞ্জে উপস্থিত হয়ে এসআই মোঃ আনোয়ারের কাছে নিজের লিখিত জবানবন্দি দেন সাংবাদিক মো. আলী জিন্নাহ।

উপস্থিত হয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন বলে জানিয়েছেন।

আলী জিন্নাহর দেওয়া লিখিত জবানবন্দি ও অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন পুলিশ সদস্যের ভূমিকা নিয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, পারিবারিক ও আর্থিক বিরোধের জেরে তাঁর খালাতো বোন মোছা. হোসনেয়ারা খাতুনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনাকে ঘিরে ৯৯৯-এ অভিযোগ করা হয়। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে নবাবগঞ্জ থানায় তাঁকে ডেকে নেওয়া এবং পরবর্তী কার্যক্রম নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

লিখিত বক্তব্যে আলী জিন্নাহ দাবি করেন, তাঁর পাওনা টাকা ও জমি-সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা না করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। পাশাপাশি, অভিযোগের অনুসন্ধান চলাকালে তাঁর প্রতিনিধির কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়েও তিনি লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, পরবর্তীতে ওই অর্থ ফেরত দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

জবানবন্দিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে অর্থ লেনদেন, পারিবারিক বিরোধ এবং অভিযোগের পেছনের ঘটনাগুলো তদন্ত করে প্রকৃত পরিস্থিতি উদ্‌ঘাটন করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের ভূমিকা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

আলী জিন্নাহর বক্তব্যের পাশাপাশি অভিযোগে উল্লিখিত পুলিশ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য এবং অনুসন্ধানকারী কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে যুক্ত করা হবে।

প্রতিবেদকের মন্তব্য: অভিযোগের অনুসন্ধান এখনো সম্পন্ন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগে উত্থাপিত কোনো বক্তব্যকে তদন্তে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য ও অনুসন্ধানের ফলাফলের ভিত্তিতেই বিষয়টির চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা উচিত।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

৯৯৯-এ করা অভিযোগের অনুসন্ধানে জবানবন্দি দিলেন সাংবাদিক আলী জিন্নাহ

আপডেট সময়: ০৯:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক,লোকসমাচার যশোর:জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ করা একটি অভিযোগের অনুসন্ধান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন সাংবাদিক ও দৈনিক লোকসমাচার ডটকমের প্রকাশক-সম্পাদক মো. আলী জিন্নাহ। তিনি আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দোহার–নবাবগঞ্জ সার্কেলের পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেনের দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী নবাবগঞ্জে উপস্থিত হয়ে এসআই মোঃ আনোয়ারের কাছে নিজের লিখিত জবানবন্দি দেন সাংবাদিক মো. আলী জিন্নাহ।

উপস্থিত হয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন বলে জানিয়েছেন।

আলী জিন্নাহর দেওয়া লিখিত জবানবন্দি ও অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন পুলিশ সদস্যের ভূমিকা নিয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, পারিবারিক ও আর্থিক বিরোধের জেরে তাঁর খালাতো বোন মোছা. হোসনেয়ারা খাতুনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনাকে ঘিরে ৯৯৯-এ অভিযোগ করা হয়। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে নবাবগঞ্জ থানায় তাঁকে ডেকে নেওয়া এবং পরবর্তী কার্যক্রম নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

লিখিত বক্তব্যে আলী জিন্নাহ দাবি করেন, তাঁর পাওনা টাকা ও জমি-সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা না করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। পাশাপাশি, অভিযোগের অনুসন্ধান চলাকালে তাঁর প্রতিনিধির কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়েও তিনি লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, পরবর্তীতে ওই অর্থ ফেরত দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

জবানবন্দিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে অর্থ লেনদেন, পারিবারিক বিরোধ এবং অভিযোগের পেছনের ঘটনাগুলো তদন্ত করে প্রকৃত পরিস্থিতি উদ্‌ঘাটন করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের ভূমিকা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

আলী জিন্নাহর বক্তব্যের পাশাপাশি অভিযোগে উল্লিখিত পুলিশ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য এবং অনুসন্ধানকারী কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে যুক্ত করা হবে।

প্রতিবেদকের মন্তব্য: অভিযোগের অনুসন্ধান এখনো সম্পন্ন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগে উত্থাপিত কোনো বক্তব্যকে তদন্তে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য ও অনুসন্ধানের ফলাফলের ভিত্তিতেই বিষয়টির চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা উচিত।