ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাইবার নিরাপত্তা আইন ভিন্নমত দমন ও নিপীড়নের হাতিয়ার: সাইফুল হক

  • আপডেট সময়: ১০:১৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩
  • ১৬২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:সাইবার নিরাপত্তা আইন ভিন্নমত দমন, মুক্ত সাংবাদিকতায় বাধা ও নিপীড়নের হাতিয়ার বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেন, মর্মবস্তুগতভাবে নতুন এ আইন একইরকম থাকায় দেশের মানুষ কোনোভাবেই তা গ্রহণ করবে না।

সাইফুল হক বলেন, নিবর্তনমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পোশাক বদল নয়, দরকার জনগণের মত প্রকাশের স্বীকৃত গণতান্ত্রিক অধিকার, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিকতা- গবেষণা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার পরিপন্থী সকল ধারা উপধারা বাতিল করা।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

নিবর্তনমূলক ধারা সম্বলিত সাইবার নিরাপত্তা আইন গ্রহণযোগ্য হবে না উল্লেখ করে সাইফুল হক বলেন, অংশীজনদের মতামত বিবেচনায় না নিয়ে হয়রানি ও নিপীড়নমূলক সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রনয়নের উদ্যোগ অবিলম্বে বন্ধ করুন। কেবল জামিনযোগ্য ধারা বৃদ্ধি নয়, দরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সকল নিবর্তনমূলক ধারা বাতিল করা।

তিনি বলেন, হয়রানি ও নিপীড়নমূলক ধারাসমূহ বহাল রেখে গতকাল মন্ত্রীসভায় অনুমোদন দেয়া ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’ও দেশবাসীর কাছে গ্রহণযোগ্য হবেনা। কেবলমাত্র জামিনযোগ্য ধারা বৃদ্ধি করে এই আইনের দমন ও নিপীড়ন মূলক চরিত্রের বদল ঘটবে না। তিনি বলেন, নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন ধারায় অপরাধের সংজ্ঞাও আগের মতই রাখা হয়েছে। সর্বোপরি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পোশাক পরিবর্তন করে নতুন নাম দেয়া হলেও এই আইনের নিবর্তনমূলক চরিত্রের কোনো হেরফের হয়নি।

তিনি ক্ষোভের সঙ্গে উল্লেখ করেন, আইন মন্ত্রিপরিষদে নেয়ার আগে অংশীজনদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই তড়িঘড়ি করে মন্ত্রিপরিষদে এই আইন চূড়ান্ত করা হয়। এই আইনের সংশোধনী ও পরিবর্তন সম্পর্কে যে পাঁচ শতাধিক মতামত এসেছে তাও যথাযথভাবে বিবেচনায় নেয়া হয়নি। তিনি অবিলম্বে সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রনয়নের উদ্যোগ বন্ধ করার দাবি জানান।

তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ব্যবহার করে সরকার ও সরকারি দল যেভাবে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন ও হয়রানির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছে সেই সুযোগ রেখে দিয়ে সাইবার নিরাপত্তা আইনকে বৈধতা দেয়া যাবে না।

অনতিবিলম্বে খাদিজাতুল কোবরাসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক সকলকে মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহবান জানান সাইফুল হক।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের দিন: প্রধানমন্ত্রী

সাইবার নিরাপত্তা আইন ভিন্নমত দমন ও নিপীড়নের হাতিয়ার: সাইফুল হক

আপডেট সময়: ১০:১৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:সাইবার নিরাপত্তা আইন ভিন্নমত দমন, মুক্ত সাংবাদিকতায় বাধা ও নিপীড়নের হাতিয়ার বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেন, মর্মবস্তুগতভাবে নতুন এ আইন একইরকম থাকায় দেশের মানুষ কোনোভাবেই তা গ্রহণ করবে না।

সাইফুল হক বলেন, নিবর্তনমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পোশাক বদল নয়, দরকার জনগণের মত প্রকাশের স্বীকৃত গণতান্ত্রিক অধিকার, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিকতা- গবেষণা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার পরিপন্থী সকল ধারা উপধারা বাতিল করা।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

নিবর্তনমূলক ধারা সম্বলিত সাইবার নিরাপত্তা আইন গ্রহণযোগ্য হবে না উল্লেখ করে সাইফুল হক বলেন, অংশীজনদের মতামত বিবেচনায় না নিয়ে হয়রানি ও নিপীড়নমূলক সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রনয়নের উদ্যোগ অবিলম্বে বন্ধ করুন। কেবল জামিনযোগ্য ধারা বৃদ্ধি নয়, দরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সকল নিবর্তনমূলক ধারা বাতিল করা।

তিনি বলেন, হয়রানি ও নিপীড়নমূলক ধারাসমূহ বহাল রেখে গতকাল মন্ত্রীসভায় অনুমোদন দেয়া ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’ও দেশবাসীর কাছে গ্রহণযোগ্য হবেনা। কেবলমাত্র জামিনযোগ্য ধারা বৃদ্ধি করে এই আইনের দমন ও নিপীড়ন মূলক চরিত্রের বদল ঘটবে না। তিনি বলেন, নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন ধারায় অপরাধের সংজ্ঞাও আগের মতই রাখা হয়েছে। সর্বোপরি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পোশাক পরিবর্তন করে নতুন নাম দেয়া হলেও এই আইনের নিবর্তনমূলক চরিত্রের কোনো হেরফের হয়নি।

তিনি ক্ষোভের সঙ্গে উল্লেখ করেন, আইন মন্ত্রিপরিষদে নেয়ার আগে অংশীজনদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই তড়িঘড়ি করে মন্ত্রিপরিষদে এই আইন চূড়ান্ত করা হয়। এই আইনের সংশোধনী ও পরিবর্তন সম্পর্কে যে পাঁচ শতাধিক মতামত এসেছে তাও যথাযথভাবে বিবেচনায় নেয়া হয়নি। তিনি অবিলম্বে সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রনয়নের উদ্যোগ বন্ধ করার দাবি জানান।

তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ব্যবহার করে সরকার ও সরকারি দল যেভাবে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন ও হয়রানির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছে সেই সুযোগ রেখে দিয়ে সাইবার নিরাপত্তা আইনকে বৈধতা দেয়া যাবে না।

অনতিবিলম্বে খাদিজাতুল কোবরাসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক সকলকে মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহবান জানান সাইফুল হক।