নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারের সামনে এক নারীর গলার স্বর্ণের চেইন নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে আরেক নারীকে আটক করার ঘটনায় এ প্রশ্ন সামনে এসেছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে টিকিট কাটার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বৈয়ডাঙ্গা বাজার এলাকার রাবেয়া খাতুন (৬০)। এ সময় পেছন থেকে আমেনা খাতুন (৩৫) নামে এক নারী তাঁর গলার স্বর্ণের চেইন নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন রাবেয়া। বিষয়টি টের পেয়ে তিনি ওই নারীকে ধরে ফেলেন। পরে হাসপাতালের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যরা তাঁকে হেফাজতে নেন এবং পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন একটি অপরাধের অভিযোগ হলেও এর মধ্য দিয়ে হাসপাতালের ব্যস্ত টিকিট কাউন্টার ও রোগীদের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন সামনে এসেছে। ব্যস্ত কাউন্টারে নজরদারি কতটা?
হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী ও স্বজনের ভিড় হয়। এ ধরনের ভিড়ে রোগীদের সঙ্গে থাকা টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী নিরাপদ রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
তাই প্রশ্ন উঠছে—টিকিট কাউন্টার এলাকায় পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা আছে কি না, থাকলে সেগুলো নিয়মিত সচল থাকে কি না এবং ক্যামেরার ফুটেজ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয় কি না।
নিরাপত্তাকর্মীরা কোথায় ছিলেন?
আজকের ঘটনায় অভিযোগকারী নিজেই বিষয়টি টের পেয়ে অভিযুক্ত নারীকে আটক করেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর হাসপাতালের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যরা তাঁকে হেফাজতে নেন।
এ যশোর জেনারেল হাসপাতালে রোগীর নিরাপত্তা কতটা?
টিকিট কাউন্টারে স্বর্ণের চেইন নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে নারী আটক, নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারের সামনে এক নারীর গলার স্বর্ণের চেইন নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে আরেক নারীকে আটক করার ঘটনায় এ প্রশ্ন সামনে এসেছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে টিকিট কাটার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বৈয়ডাঙ্গা বাজার এলাকার রাবেয়া খাতুন (৬০)। এ সময় পেছন থেকে আমেনা খাতুন (৩৫) নামে এক নারী তাঁর গলার স্বর্ণের চেইন নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন রাবেয়া। বিষয়টি টের পেয়ে তিনি ওই নারীকে ধরে ফেলেন। পরে হাসপাতালের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যরা তাঁকে হেফাজতে নেন এবং পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন একটি অপরাধের অভিযোগ হলেও এর মধ্য দিয়ে হাসপাতালের ব্যস্ত টিকিট কাউন্টার ও রোগীদের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন সামনে এসেছে।
ব্যস্ত কাউন্টারে নজরদারি কতটা?
হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী ও স্বজনের ভিড় হয়। এ ধরনের ভিড়ে রোগীদের সঙ্গে থাকা টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী নিরাপদ রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
তাই প্রশ্ন উঠছে—টিকিট কাউন্টার এলাকায় পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা আছে কি না, থাকলে সেগুলো নিয়মিত সচল থাকে কি না এবং ক্যামেরার ফুটেজ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয় কি না।
নিরাপত্তাকর্মীরা কোথায় ছিলেন?
আজকের ঘটনায় অভিযোগকারী নিজেই বিষয়টি টের পেয়ে অভিযুক্ত নারীকে আটক করেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর হাসপাতালের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যরা তাঁকে হেফাজতে নেন।
এ কারণে অনুসন্ধানের দাবি রাখে—ঘটনার সময় টিকিট কাউন্টারের আশপাশে দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যদের অবস্থান কোথায় ছিল এবং হাসপাতালের ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও রোগী নিরাপত্তার জন্য কী ধরনের ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
শুধু আটক নয়, দরকার নিরাপত্তার পর্যালোচনা
একটি চুরির অভিযোগে একজনকে আটক করা আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এ ধরনের ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে, সে জন্য নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা থাকলে তা চিহ্নিত করা।
হাসপাতালের টিকিট কাউন্টার, বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ এবং রোগীদের অপেক্ষমাণ এলাকাগুলোতে সিসিটিভি নজরদারি, পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মী ও ভিড় ব্যবস্থাপনা কতটা কার্যকর—এসব বিষয় জনস্বার্থে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। অনুসন্ধানের দাবি রাখে—ঘটনার সময় টিকিট কাউন্টারের আশপাশে দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যদের অবস্থান কোথায় ছিল এবং হাসপাতালের ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও রোগী নিরাপত্তার জন্য কী ধরনের ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
শুধু আটক নয়, দরকার নিরাপত্তার পর্যালোচনা
একটি চুরির অভিযোগে একজনকে আটক করা আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এ ধরনের ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে, সে জন্য নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা থাকলে তা চিহ্নিত করা।
হাসপাতালের টিকিট কাউন্টার, বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ এবং রোগীদের অপেক্ষমাণ এলাকাগুলোতে সিসিটিভি নজরদারি, পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মী ও ভিড় ব্যবস্থাপনা কতটা কার্যকর—এসব বিষয় জনস্বার্থে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
























