ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোংলায় প্রতিমন্ত্রীর দেয়া ঘর পেলো গৃহহীন পরিবার

  • আপডেট সময়: ০৭:২৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
  • ১১৪ জন দেখেছে
Spread the love

ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট:শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মোংলায় গৃহহীন হীরা আক্তারকে নতুন একটি ঘর উপহার দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।
‎
‎মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিগন্যাল টাওয়ার এলাকার ভূমি ও গৃহহীন হীরা আক্তার পলিথিনের জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করতেন। পরের জায়গায় সেই ঘরে তার পরিবারকে রোদ-বৃষ্টি ও ঝড়-বাদল সহ শীতে কষ্ট পেতে হতো। এমতাবস্থায় হীরা স্থানীয় (মোংলা-রামপাল) এমপি ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের কাছে একটি নতুন ঘর সাহায্য হিসেবে চান।
‎
‎এরপর প্রতিমন্ত্রী তাকে নতুন একটি ঘর করে দেন। ঘর পাওয়ার পর হীরার আবদার ছিল তার নতুন ঘরটি যেন প্রতিমন্ত্রী একবার হলেও দেখে যান। সেই আবদার মেটাতেই শুক্রবার সিগন্যাল টাওয়ার এলাকায় হীরার নতুন ঘরে আসেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদ। প্রতিমন্ত্রী এ সময় দলীয় স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঘরটি ঘুরে দেখেন এবং হীরা পরিবারের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
‎
‎এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি মো. জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির তালুকদার, গোলাম নুর জনি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনিসহ অন্যান্যরা।

নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে হীরা আক্তার বলেন, পাখিরও থাকার একটা বাসা আছে। কিন্তু আমার তা-ও ছিল না। আমি আর আমার মা পলিথিনের একটি ঝুপড়ি ঘরে থাকতাম, খুব কষ্ট হতো আমাদের।
‎
‎আমি অন্যের বাড়িতে কাজ করে যা পাই তা দিয়ে মাকে নিয়ে খাই। মা-ও অসুস্থ, কোনো কাজ কর্ম করতে পারেন না। নিজে যা পাই তা দিয়ে খাওয়াই ঠিকমতো হয় না। খেয়ে না খেয়ে থাকতে হয়, আর ঘর করব কী দিয়ে। কিন্তু একদিন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের কাছে যাই ঘরের জন্য।

আমার কথা শুনে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই ঘর করে দেওয়ার কথা বলেন। পরে তার লোকজন দিয়ে আমাদেরকে নতুন একটি ঘর করে দিয়েছেন। এখন নিরাপদে থাকার একটা ব্যবস্থা হয়েছে। আমি ও আমার মা তার জন্য দোয়া করি, আল্লাহ যেন তার ভালো করেন।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমরা নির্বাচনের সময় অঙ্গীকার করেছিলাম, সমাজে যারা সমস্যায় আছে তাদের দিকে খেয়াল রাখব। তাই আগামীকাল শনিবার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী, এই শাহাদাতবার্ষিকীতে একটি নতুন ঘর উপহার দেওয়া হলো, এর চেয়ে আর ভালো উপহার কী হতে পারে! এখন আর রোদ, বৃষ্টি ও শীতে কষ্ট পেতে হবে না হীরার পরিবারকে।আমরা যারা ভালো অবস্থানে আছি, আমাদেরকে অবশ্যই সমাজের এমন মানুষের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

মোংলায় প্রতিমন্ত্রীর দেয়া ঘর পেলো গৃহহীন পরিবার

আপডেট সময়: ০৭:২৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
Spread the love

ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট:শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মোংলায় গৃহহীন হীরা আক্তারকে নতুন একটি ঘর উপহার দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।
‎
‎মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিগন্যাল টাওয়ার এলাকার ভূমি ও গৃহহীন হীরা আক্তার পলিথিনের জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করতেন। পরের জায়গায় সেই ঘরে তার পরিবারকে রোদ-বৃষ্টি ও ঝড়-বাদল সহ শীতে কষ্ট পেতে হতো। এমতাবস্থায় হীরা স্থানীয় (মোংলা-রামপাল) এমপি ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের কাছে একটি নতুন ঘর সাহায্য হিসেবে চান।
‎
‎এরপর প্রতিমন্ত্রী তাকে নতুন একটি ঘর করে দেন। ঘর পাওয়ার পর হীরার আবদার ছিল তার নতুন ঘরটি যেন প্রতিমন্ত্রী একবার হলেও দেখে যান। সেই আবদার মেটাতেই শুক্রবার সিগন্যাল টাওয়ার এলাকায় হীরার নতুন ঘরে আসেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদ। প্রতিমন্ত্রী এ সময় দলীয় স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঘরটি ঘুরে দেখেন এবং হীরা পরিবারের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
‎
‎এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি মো. জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির তালুকদার, গোলাম নুর জনি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনিসহ অন্যান্যরা।

নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে হীরা আক্তার বলেন, পাখিরও থাকার একটা বাসা আছে। কিন্তু আমার তা-ও ছিল না। আমি আর আমার মা পলিথিনের একটি ঝুপড়ি ঘরে থাকতাম, খুব কষ্ট হতো আমাদের।
‎
‎আমি অন্যের বাড়িতে কাজ করে যা পাই তা দিয়ে মাকে নিয়ে খাই। মা-ও অসুস্থ, কোনো কাজ কর্ম করতে পারেন না। নিজে যা পাই তা দিয়ে খাওয়াই ঠিকমতো হয় না। খেয়ে না খেয়ে থাকতে হয়, আর ঘর করব কী দিয়ে। কিন্তু একদিন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের কাছে যাই ঘরের জন্য।

আমার কথা শুনে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই ঘর করে দেওয়ার কথা বলেন। পরে তার লোকজন দিয়ে আমাদেরকে নতুন একটি ঘর করে দিয়েছেন। এখন নিরাপদে থাকার একটা ব্যবস্থা হয়েছে। আমি ও আমার মা তার জন্য দোয়া করি, আল্লাহ যেন তার ভালো করেন।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমরা নির্বাচনের সময় অঙ্গীকার করেছিলাম, সমাজে যারা সমস্যায় আছে তাদের দিকে খেয়াল রাখব। তাই আগামীকাল শনিবার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী, এই শাহাদাতবার্ষিকীতে একটি নতুন ঘর উপহার দেওয়া হলো, এর চেয়ে আর ভালো উপহার কী হতে পারে! এখন আর রোদ, বৃষ্টি ও শীতে কষ্ট পেতে হবে না হীরার পরিবারকে।আমরা যারা ভালো অবস্থানে আছি, আমাদেরকে অবশ্যই সমাজের এমন মানুষের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।