ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদ্রাসার ওপর ভেঙে পড়ল গাছ, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন শিক্ষার্থীরা

  • আপডেট সময়: ০৭:১৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩৩ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার,বগুড়া প্রতিনিধি:বগুড়ার ভবানীগঞ্জ দারুল উলুম নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলাকালে দুর্ঘটনা ঘটেছে। গাছ উপড়ে ভেঙে গিয়ে আঁচড়ে পড়েছে শ্রেণিকক্ষের ওপর। মাদ্রাসার দুটি কক্ষ ও হিফজ বিভাগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সৌভাগ্যক্রমে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ক্ষতিগ্রস্ত মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এমপি। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মাদ্রাসার ঘর মেরামতের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন।

এরআগে, বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়া সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জে বৃষ্টির সময় আকস্মিক ঝড়ে শতবর্ষী সেগুনগাছ উপড়ে যায়। গাছটি ভেঙে আঁচড়ে পড়ে মাদ্রাসার ওপর। টিনশেড ছাউনি ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি করে। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যান লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবু নাসের আপেল মাহমুদ। গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় তরুণ যুবকদের উদ্ধার তৎপরতায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। ক্ষতিগ্রস্ত কক্ষে অবরুদ্ধ অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা হয়।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিতে মাদ্রাসায় ছুটে যান বগুড়া-৬ সদর আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা। ক্ষতিগ্রস্ত শ্রেণিকক্ষ মেরামতের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়ে সার্বিক উন্নয়নের আশ্বাস দেন। সঙ্গে ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহম্মেদ খান রুবেল।

স্থানীয়রা জানান, ভবানীগঞ্জ দারুল উলুম নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসার পেছনে বহু বছরের একটি বড় সেগুনগাছ ছিল। বৃষ্টির সময় হালকা বাতাসে গাছটি উপড়ে যায়। ভেঙে গিয়ে আঁচড়ে পড়ে মাদ্রাসার ওপর। পাঠদান চলাকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ইউপি চেয়ারম্যান আবু নাসের আপেল মাহমুদ জানান, তাৎক্ষণিক উদ্ধার তৎপরতার কারণে শিক্ষক ও শিশু শিক্ষার্থীরা প্রাণে রক্ষা পেয়েছে। সৌভাগ্যক্রমে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি। কোমলমতি শিশুদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

মাদ্রাসার ওপর ভেঙে পড়ল গাছ, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময়: ০৭:১৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার,বগুড়া প্রতিনিধি:বগুড়ার ভবানীগঞ্জ দারুল উলুম নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলাকালে দুর্ঘটনা ঘটেছে। গাছ উপড়ে ভেঙে গিয়ে আঁচড়ে পড়েছে শ্রেণিকক্ষের ওপর। মাদ্রাসার দুটি কক্ষ ও হিফজ বিভাগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সৌভাগ্যক্রমে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ক্ষতিগ্রস্ত মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এমপি। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মাদ্রাসার ঘর মেরামতের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন।

এরআগে, বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়া সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জে বৃষ্টির সময় আকস্মিক ঝড়ে শতবর্ষী সেগুনগাছ উপড়ে যায়। গাছটি ভেঙে আঁচড়ে পড়ে মাদ্রাসার ওপর। টিনশেড ছাউনি ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি করে। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যান লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবু নাসের আপেল মাহমুদ। গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় তরুণ যুবকদের উদ্ধার তৎপরতায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। ক্ষতিগ্রস্ত কক্ষে অবরুদ্ধ অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা হয়।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিতে মাদ্রাসায় ছুটে যান বগুড়া-৬ সদর আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা। ক্ষতিগ্রস্ত শ্রেণিকক্ষ মেরামতের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়ে সার্বিক উন্নয়নের আশ্বাস দেন। সঙ্গে ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহম্মেদ খান রুবেল।

স্থানীয়রা জানান, ভবানীগঞ্জ দারুল উলুম নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসার পেছনে বহু বছরের একটি বড় সেগুনগাছ ছিল। বৃষ্টির সময় হালকা বাতাসে গাছটি উপড়ে যায়। ভেঙে গিয়ে আঁচড়ে পড়ে মাদ্রাসার ওপর। পাঠদান চলাকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ইউপি চেয়ারম্যান আবু নাসের আপেল মাহমুদ জানান, তাৎক্ষণিক উদ্ধার তৎপরতার কারণে শিক্ষক ও শিশু শিক্ষার্থীরা প্রাণে রক্ষা পেয়েছে। সৌভাগ্যক্রমে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি। কোমলমতি শিশুদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।