ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিরাপত্তা হুমকিতে টাকার কথা স্বীকারকারী ছাত্রলীগ নেতা

  • আপডেট সময়: ০৯:৫৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১৩৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধিকতর উন্নয়নে টাকা ভাগাভাগির কথা স্বীকার করায় ছাত্রলীগের নেতাকে মুঠোফোনে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি হলেন শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বকবি রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে এক সংবাদ সম্মেলনে সাদ্দাম এসব কথা জানান।

সাদ্দাম হোসেন বলেন,‘ আজ (মঙ্গলবার) আমাকে অপরিচিত লোক জন মুঠোফোনে ক্যাম্পাস থেকে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়। তা নাহলে খারাপ কিছু হয়ে যেতে পারে বলেও জানানো হয়। এমন পরিস্থিতিতে আমি নিরাপত্তাহীনতায় আছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলায় তিনি সহ তিন ছাত্রলীগ নেতার মুঠোফোনের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বাকি দুই জন হলেন সহ-সভাপতি এস এম নিয়ামুল হাসান তাজ ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম মোল্লা।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, ‘যারা বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শুধু তাদেরকেই নিরাপত্তা দিবে। কিন্তু যারা বর্তমান শিক্ষার্থী না, তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব প্রশাসনের না।’

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক আন্দোলনকারী শিক্ষকদের মুঠোফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন শিক্ষকেরা।

তারা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান আন্দোলনকারী ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, দর্শন বিভাগের শিক্ষক রায়হান রাইন, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা ও অধ্যাপক রেজাউল করিম তালুকদার।

আন্দোলনকারী শিক্ষকদের বাহিরে উপাচার্য বিরোধী শিক্ষক অধ্যাপক শরিফ এনামুল কবির ও উপ- উপাচার্য অধ্যাপক আমির হোসেনের নম্বরও ডিজেবল বলে জানা গেছে।

এই বিষয়ে অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস বলেন,‘একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশে এভাবে মানুষের যোগাযোগকে ব্যবস্থাকে বন্ধ করাটা অন্যায়। এটা রাষ্ট্র তখন করতে পারে যদি রাষ্ট্রবিরোধী কিছু করা হয়। কিন্তু যারা একটা অনিয়মের তদন্ত চাচ্ছে তাদের প্রতি এই ধরনের আচরণ সভ্য দেশে কাম্য হতে পারে না।’

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সরকারের সুনির্দিষ্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা রয়েছে- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

নিরাপত্তা হুমকিতে টাকার কথা স্বীকারকারী ছাত্রলীগ নেতা

আপডেট সময়: ০৯:৫৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধিকতর উন্নয়নে টাকা ভাগাভাগির কথা স্বীকার করায় ছাত্রলীগের নেতাকে মুঠোফোনে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি হলেন শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বকবি রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে এক সংবাদ সম্মেলনে সাদ্দাম এসব কথা জানান।

সাদ্দাম হোসেন বলেন,‘ আজ (মঙ্গলবার) আমাকে অপরিচিত লোক জন মুঠোফোনে ক্যাম্পাস থেকে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়। তা নাহলে খারাপ কিছু হয়ে যেতে পারে বলেও জানানো হয়। এমন পরিস্থিতিতে আমি নিরাপত্তাহীনতায় আছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলায় তিনি সহ তিন ছাত্রলীগ নেতার মুঠোফোনের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বাকি দুই জন হলেন সহ-সভাপতি এস এম নিয়ামুল হাসান তাজ ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম মোল্লা।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, ‘যারা বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শুধু তাদেরকেই নিরাপত্তা দিবে। কিন্তু যারা বর্তমান শিক্ষার্থী না, তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব প্রশাসনের না।’

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক আন্দোলনকারী শিক্ষকদের মুঠোফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন শিক্ষকেরা।

তারা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান আন্দোলনকারী ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, দর্শন বিভাগের শিক্ষক রায়হান রাইন, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা ও অধ্যাপক রেজাউল করিম তালুকদার।

আন্দোলনকারী শিক্ষকদের বাহিরে উপাচার্য বিরোধী শিক্ষক অধ্যাপক শরিফ এনামুল কবির ও উপ- উপাচার্য অধ্যাপক আমির হোসেনের নম্বরও ডিজেবল বলে জানা গেছে।

এই বিষয়ে অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস বলেন,‘একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশে এভাবে মানুষের যোগাযোগকে ব্যবস্থাকে বন্ধ করাটা অন্যায়। এটা রাষ্ট্র তখন করতে পারে যদি রাষ্ট্রবিরোধী কিছু করা হয়। কিন্তু যারা একটা অনিয়মের তদন্ত চাচ্ছে তাদের প্রতি এই ধরনের আচরণ সভ্য দেশে কাম্য হতে পারে না।’