ঢাকা ১১:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরের খানসামায় দুই সন্তানের জননী পরকিয়ায় উধাও

  • আপডেট সময়: ০৮:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ২১১ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার,দিনাজপুর(খানসামা উপজেলা)
প্রতিনিধি এমডি এস সোহাগ:দিনাজপুরের খানসামায় এক হোটেল কর্মচারীর স্ত্রী ২ সন্তানের জননীকে নিয়ে কাচিনীয়া স্কুল এন্ড কলেজের অফিস সহকারী ৩ সন্তানের জনক হামিদুল ইসলাম (৩৫) উধাও হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার ভাবকি ইউনিয়নের কাচিনীয়া এলাকায় ঘটে। এ নিয়ে দু’পরিবারের সংসার হুমকীস্বরুপ হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে হোটেল কর্মচারী কাচিনীয়া এলাকার মৃত নাজির উদ্দীনের ছেলে মোঃ আলম (৪০) জেলা প্রশাসক ও থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগকারী আলমসহ এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, কাচিনীয়া স্কুল এন্ড কলেজের অফিস সহকারী হামিদুল ইসলাম একজন সুদের ব্যবসায়ী ও নারী লোভী প্রকৃতির মানুষ। তিনি প্রতিবেশী হোটেল কর্মচারীর স্ত্রী জোলেখাকে (৩৭) সুদের টাকা দিয়ে সম্পর্ক তৈরি করে। পরে সে টাকা পরিশোধ করলেও তাদের সম্পর্ক অব্যাহত ছিল। হোটেল কর্মচারী বিষয়টি সহজ ভাবেই নিয়েছিল। কিন্তু অফিস সহকারী হামিদুল ইসলাম সে সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ঐ নারীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে দু’জনেই এলাকা থেকে উধাও হয়ে যায়। আরেকদিকে হোটেল কর্মচারীর শেষ সম্বল ভিটাবাড়ী জমির কাগজ, ডিপিএস বই, নগদ টাকা সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র তারা দু’জনেই নিয়ে যায়।

সূত্র আরো জানায়, কলেজ কর্মচারী এর আগেও কয়েকটি স্থানে নারীদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করতে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছে ধরা খেয়েছিল। পরে টাকা-পয়সা দিয়ে বিষয় গুলোর মিটমাট করেছিল। এভাবে চলতে থাকলে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে জানান এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে কাচিনীয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিষয়টি হোটেল শ্রমিক আলমসহ এলাকাবাসীর মাধ্যমে শুনেছি। কলেজ বন্ধ থাকায় অফিস সহকারি হামিদুলের সাথে দেখা হচ্ছে না। তার সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি সুরাহা করতে হবে।

ভাবকি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি মর্মান্তিক। এতে দু’পরিবারের ৫ সন্তান অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। তাদের মাঝে মিমাংসা করে দেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু কলেজের অফিস সহকারী হামিদুল ও হোটেল কর্মচারীর স্ত্রী লাপাত্তা হওয়ার কারনে তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

দিনাজপুরের খানসামায় দুই সন্তানের জননী পরকিয়ায় উধাও

আপডেট সময়: ০৮:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Spread the love

লোকসমাচার,দিনাজপুর(খানসামা উপজেলা)
প্রতিনিধি এমডি এস সোহাগ:দিনাজপুরের খানসামায় এক হোটেল কর্মচারীর স্ত্রী ২ সন্তানের জননীকে নিয়ে কাচিনীয়া স্কুল এন্ড কলেজের অফিস সহকারী ৩ সন্তানের জনক হামিদুল ইসলাম (৩৫) উধাও হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার ভাবকি ইউনিয়নের কাচিনীয়া এলাকায় ঘটে। এ নিয়ে দু’পরিবারের সংসার হুমকীস্বরুপ হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে হোটেল কর্মচারী কাচিনীয়া এলাকার মৃত নাজির উদ্দীনের ছেলে মোঃ আলম (৪০) জেলা প্রশাসক ও থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগকারী আলমসহ এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, কাচিনীয়া স্কুল এন্ড কলেজের অফিস সহকারী হামিদুল ইসলাম একজন সুদের ব্যবসায়ী ও নারী লোভী প্রকৃতির মানুষ। তিনি প্রতিবেশী হোটেল কর্মচারীর স্ত্রী জোলেখাকে (৩৭) সুদের টাকা দিয়ে সম্পর্ক তৈরি করে। পরে সে টাকা পরিশোধ করলেও তাদের সম্পর্ক অব্যাহত ছিল। হোটেল কর্মচারী বিষয়টি সহজ ভাবেই নিয়েছিল। কিন্তু অফিস সহকারী হামিদুল ইসলাম সে সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ঐ নারীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে দু’জনেই এলাকা থেকে উধাও হয়ে যায়। আরেকদিকে হোটেল কর্মচারীর শেষ সম্বল ভিটাবাড়ী জমির কাগজ, ডিপিএস বই, নগদ টাকা সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র তারা দু’জনেই নিয়ে যায়।

সূত্র আরো জানায়, কলেজ কর্মচারী এর আগেও কয়েকটি স্থানে নারীদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করতে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছে ধরা খেয়েছিল। পরে টাকা-পয়সা দিয়ে বিষয় গুলোর মিটমাট করেছিল। এভাবে চলতে থাকলে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে জানান এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে কাচিনীয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিষয়টি হোটেল শ্রমিক আলমসহ এলাকাবাসীর মাধ্যমে শুনেছি। কলেজ বন্ধ থাকায় অফিস সহকারি হামিদুলের সাথে দেখা হচ্ছে না। তার সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি সুরাহা করতে হবে।

ভাবকি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি মর্মান্তিক। এতে দু’পরিবারের ৫ সন্তান অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। তাদের মাঝে মিমাংসা করে দেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু কলেজের অফিস সহকারী হামিদুল ও হোটেল কর্মচারীর স্ত্রী লাপাত্তা হওয়ার কারনে তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।