ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দাদিকে বেঁধে কিশোরীকে ধর্ষণ : প্রধান আসামি গ্রেফতার

  • আপডেট সময়: ১১:২৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০১৯
  • ২৪৬ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:মৌলভীবাজারে দাদিকে বেঁধে ষষ্ঠ শ্রেণীর মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি রাব্বি মিয়াকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সোমবার চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৯ ও পুলিশের একটি যৌথ দল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মৌলভীবাজার মডেল থানার এসআই এমরান হোসেন। রাব্বি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাগাবাল গ্রামের মৃত রব্বান মিয়ার ছেলে।

এসআই এমরান জানান, আসামি রাব্বি পুলিশ হেফাজতে আছে। আমরা তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। মঙ্গলবার (আজ) আদালতে পাঠিয়ে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে। অপর আসামি জাহিদ এখনও পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করতে পুলিশের অভিযান চলছে। সে একই গ্রামের ওয়াতির আলীর ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে ও ধর্ষিতার মা জানান, ১৫ জুন কিশোরীকে দাদির কাছে রেখে আত্মীয়ের বাড়িতে রোগী দেখতে যান। ১৬ জুন গভীর রাতে দাদির পাশে ঘুমিয়েছিল ওই কিশোরী। এ সময় রাব্বি মিয়া ও জাহিদ টিনের বেড়া কেটে ঘরে ঢুকে দাদিকে বেঁধে ফেলে। পরে কিশোরীকে ধর্ষণ করে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

দাদিকে বেঁধে কিশোরীকে ধর্ষণ : প্রধান আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময়: ১১:২৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:মৌলভীবাজারে দাদিকে বেঁধে ষষ্ঠ শ্রেণীর মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি রাব্বি মিয়াকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সোমবার চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৯ ও পুলিশের একটি যৌথ দল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মৌলভীবাজার মডেল থানার এসআই এমরান হোসেন। রাব্বি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাগাবাল গ্রামের মৃত রব্বান মিয়ার ছেলে।

এসআই এমরান জানান, আসামি রাব্বি পুলিশ হেফাজতে আছে। আমরা তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। মঙ্গলবার (আজ) আদালতে পাঠিয়ে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে। অপর আসামি জাহিদ এখনও পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করতে পুলিশের অভিযান চলছে। সে একই গ্রামের ওয়াতির আলীর ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে ও ধর্ষিতার মা জানান, ১৫ জুন কিশোরীকে দাদির কাছে রেখে আত্মীয়ের বাড়িতে রোগী দেখতে যান। ১৬ জুন গভীর রাতে দাদির পাশে ঘুমিয়েছিল ওই কিশোরী। এ সময় রাব্বি মিয়া ও জাহিদ টিনের বেড়া কেটে ঘরে ঢুকে দাদিকে বেঁধে ফেলে। পরে কিশোরীকে ধর্ষণ করে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।