ঢাকা ১০:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে যশোরে সচেতনতামূলক কর্মসূচি মাইকিং-হ্যান্ডবিল বিতরণ, পরিচ্ছন্নতা ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে গুরুত্ব

  • আপডেট সময়: ০৪:২৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫৫ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার,নিজস্ব প্রতিনিধি:ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মশার বংশবিস্তার রোধ এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে যশোরে সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (২ অক্টোবর) যশোর শিশু সংঘের উদ্যোগে এবং আর জে ডায়াবেটিক ফুট অ্যান্ড ভাইটাল কেয়ার হাসপাতালের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে এলাকায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে হ্যান্ডবিল বিতরণ এবং ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের বিষয়ে সচেতন করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করার আহ্বান জানানো হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন যশোর শিশু সংঘের আহ্বায়ক মো. মনির হোসেন মনি, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, যশোর শিশু সংঘের সদস্যসচিব মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, আরএফটি হাসপাতালের আরএমও ডা. তাসমান হাবিব, রশ্মি এবং আর জে ডায়াবেটিক ফুট অ্যান্ড ভাইটাল কেয়ার হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ডা. আবদুল্লাহ আল গাদ্দাফী রানা।

এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন বাদল, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবির মালিক, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, মো. খলিলুর রহমান, মোশাররফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্ব
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসা গ্রহণই যথেষ্ট নয়; মশার বংশবিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ড্রাম, ছাদ কিংবা অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণের ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা।
তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়। সম্মিলিত সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এজন্য প্রত্যেককে নিজ নিজ বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংসে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

কর্মসূচি শেষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে যশোরবাসীকে আরও সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ সমাজসেবক

বিল্লাল হোসেন রুবেলের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মাইকিং

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে উপশহর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড (বি-ব্লক) এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মাইকিং কর্মসূচি পরিচালনা করেন তরুণ সমাজসেবক এবং আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী বিল্লাল হোসেন রুবেল।

কর্মসূচিতে মাইকিংয়ের মাধ্যমে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করা হয়। বিল্লাল হোসেন রুবেল বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। জনসচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব।”

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে যশোরে সচেতনতামূলক কর্মসূচি মাইকিং-হ্যান্ডবিল বিতরণ, পরিচ্ছন্নতা ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে গুরুত্ব

আপডেট সময়: ০৪:২৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার,নিজস্ব প্রতিনিধি:ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মশার বংশবিস্তার রোধ এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে যশোরে সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (২ অক্টোবর) যশোর শিশু সংঘের উদ্যোগে এবং আর জে ডায়াবেটিক ফুট অ্যান্ড ভাইটাল কেয়ার হাসপাতালের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে এলাকায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে হ্যান্ডবিল বিতরণ এবং ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের বিষয়ে সচেতন করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করার আহ্বান জানানো হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন যশোর শিশু সংঘের আহ্বায়ক মো. মনির হোসেন মনি, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, যশোর শিশু সংঘের সদস্যসচিব মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, আরএফটি হাসপাতালের আরএমও ডা. তাসমান হাবিব, রশ্মি এবং আর জে ডায়াবেটিক ফুট অ্যান্ড ভাইটাল কেয়ার হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ডা. আবদুল্লাহ আল গাদ্দাফী রানা।

এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন বাদল, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবির মালিক, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, মো. খলিলুর রহমান, মোশাররফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্ব
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসা গ্রহণই যথেষ্ট নয়; মশার বংশবিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ড্রাম, ছাদ কিংবা অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণের ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা।
তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়। সম্মিলিত সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এজন্য প্রত্যেককে নিজ নিজ বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংসে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

কর্মসূচি শেষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে যশোরবাসীকে আরও সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ সমাজসেবক

বিল্লাল হোসেন রুবেলের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মাইকিং

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে উপশহর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড (বি-ব্লক) এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মাইকিং কর্মসূচি পরিচালনা করেন তরুণ সমাজসেবক এবং আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী বিল্লাল হোসেন রুবেল।

কর্মসূচিতে মাইকিংয়ের মাধ্যমে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করা হয়। বিল্লাল হোসেন রুবেল বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। জনসচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব।”