ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন চান মেজর হাফিজ

  • আপডেট সময়: ০৩:৩০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০২৩
  • ১৫২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আগামী নির্বাচন চান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বা বিএনপি কোনো দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।

আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি অনুরোধ, আপনারা মধ্যস্থতা করুন। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অনেক দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশেও জাতিসংঘের তদারকিতে নির্বাচন হতে হবে, তাছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।

বুধবার (৮ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপির অংশ নেওয়া উচিত ছিল দাবি করে বিএনপির এই নেতা বলেন, সেই সময় আওয়ামী লীগের ‘লেজেগোবরে’ অবস্থা ছিল। আমরা সেই সুবিধা নিতে পারিনি। তাছাড়া বিভিন্ন সময় রাষ্ট্রদূতেরা একপেশে বক্তব্য দিলেও বিএনপি তার সুবিধা নিতে পারেনি।

বিএনপিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প খোঁজার আহ্বান জানিয়ে মেজর (অব) হাফিজ বলেন, বিএনপি কর্মীরা অনেক আন্দোলন করেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে পারেনি। আগামী নির্বাচনে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা নিয়ে মধ্যস্থতা পেলে তাদের নির্বাচনে যাওয়া উচিত। কারণ এসব সরকার বাংলাদেশের অর্থনীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের পরাশক্তির কাছে বাংলাদেশ কিছুই না। সুতরাং সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণতন্ত্রের খাতিরে এই আন্তর্জাতিক শক্তিসমূহের সহায়তা নিয়ে মধ্যস্থতা পেলে বিএনপির নির্বাচনে যাওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, রাস্তায় জ্বালাও পোড়াও বা পুলিশ পিটিয়ে মারার ঘটনা আওয়ামী লীগ বা বিএনপি, যাদের ক্যাডাররাই করুক, দায়ভার কিন্তু বিএনপির উপর আসে। এই সহিংসতা আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের মনে প্রভাব ফেলে। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের দেশের অভিভাবক হিসেবে এর সমাধান খোঁজা উচিত।

বিএনপি দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল দাবি করে মেজর হাফিজ বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এ দলই ক্ষমতায় আসবে। কেবল রাজপথে স্লোগান দিলেই আওয়ামী লীগ সরকার চলে যাবে না।

বিএনপির আন্তর্জাতিক যোগাযোগ আগে থেকেই খুব দূর্বল, এটা উন্নত করতে নেতারা যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারেননি অভিযোগ করে তিনি বলেন, অনেক সময় রাষ্ট্রদূতদের কথাবার্তা একপেশে মনে হয়, তারও কোন সুবিধা নিতে পারিনি বিএনপি। এখন বিএনপির উচিত আন্তর্জাতিক সমর্থন নিয়ে কীভাবে নির্বাচনে যাওয়া যায়, তা খুঁজে বের করা।

মেজর (অব) হাফিজ বলেন, সেনাবাহিনী সব ভোটকেন্দ্রে টহল দেবে, ম্যাজিস্ট্রেটের ডাকের অপেক্ষায় থাকবে না। স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে দেওয়া উচিত। তবে বর্তমান সংসদ ভেঙে না দিলেও কোন অসুবিধা নেই।

বাংলাদেশে উন্নয়ন কাজে ভোট হয় না দাবি করে তিনি বলেন, এ সরকার অনেক উন্নয়ন করেছেন। এই যে মেট্রোরেলে চড়ে যারা আগারগাঁও থেকে মতিঝিল যাচ্ছেন, তারাও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে সরকারকে ভোট দেবে না। মানুষ নিত্যপণ্যের দাম, নিরাপদ সামাজিক ব্যবস্থা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার আছে কি না, এসব বিষয়ের উপর বিচার করে ভোট দেয়।

সংঘাতের রাজনীতির অবসান হবে আশা করে তিনি বলেন, আমি এদেশের ক্ষুদ্র একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ রাখতে চাই, আপনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা, দেশের অনেক উন্নয়ন কাজ করেছেন এখন অনুগ্রহ করে অর্থনীতিক উন্নয়ন ও সামাজিক সম্প্রতির প্রতি লক্ষ রেখে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এর ব্যবস্থা করুন। এ সময় বিএনপি ও সংসদে প্রতিনিধিত্ব করা দলের সঙ্গে বসে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন করে ডিসি এসপি, তারা সরকারের আজ্ঞাবহ থাকে। লক্ষ্মীপুর ও নরসিংদির উপনির্বাচন দেখুন। আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলে, তার পরিণতিও একইরকম হবে।

আগামী নির্বাচনে শারীরিক অসুস্থতার জন্য অংশ নিবেন না জানিয়ে বিএনপির এন নেতা বলেন, আমি আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করে আমার শারীরিক অবস্থা জানিয়ে রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার চেষ্টা করবো।

প্রধান বিরোধী হিসেবে বিএনপির অনেক দায়িত্ব আছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমি তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানাই দলে সংস্কার করুন। এখন যেভাবে চলছে, এভাবে একটা দল চলতে পারে না। দলে একনায়কতন্ত্র কায়েম ও কমিটি বাণিজ্য হচ্ছে। এ সময় বিএনপির বিভিন্ন কমিটির বহিষ্কৃত নেতাদের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমানকে ত্যগী নেতাদের মূল্যায়ন করতে আহ্বান করেন মেজর হাফিজ।

জিয়াউর রহমানের আদর্শ থেকে দূরে সরে যাওয়ায় বিএনপি আজ ক্ষমতার বাহিরে মন্তব্য করে মেজর তিনি বলেন, দলে সত্য কথা বলার মতো কোনো নেতা নেই। সাইফুর রহমান এক সময় ছিলেন, কিন্তু বর্তমানে সবাই শুধু হ্যাঁ স্যার, সঠিক স্যার বলেন। জ্বালাও পোড়াও এর মধ্য দিয়ে এ দেশ যেতে পারে না। দেশের অবস্থা আরও খারাপ হলে, দুই প্রধান দল দায়ী থাকবে বলে মন্তব্য করেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ।

ভারতের অর্থনীতির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, তাদের থেকে অনুসরন করে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা চাই। দেশটাকে এ সরকার দেউলিয়া করে যাচ্ছে। বিদেশে হাজার হাজার কোটি পাচার হয়। প্রধানমন্ত্রীকে এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে মেজর হাফিজ জানান, শারীরিক কারণে শিগগিরই রাজনীতি থেকে বিদায় নেব, ৩১ বছর বিএনপির সঙ্গে চলা। দলের সমৃদ্ধি কামনা করি। অসুস্থতার কারণে খুব দ্রুত নির্বাচনী এলাকার জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করে রাজনীতি থেকে বিদায় নেবো।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের দিন: প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন চান মেজর হাফিজ

আপডেট সময়: ০৩:৩০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০২৩
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আগামী নির্বাচন চান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বা বিএনপি কোনো দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।

আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি অনুরোধ, আপনারা মধ্যস্থতা করুন। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অনেক দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশেও জাতিসংঘের তদারকিতে নির্বাচন হতে হবে, তাছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।

বুধবার (৮ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপির অংশ নেওয়া উচিত ছিল দাবি করে বিএনপির এই নেতা বলেন, সেই সময় আওয়ামী লীগের ‘লেজেগোবরে’ অবস্থা ছিল। আমরা সেই সুবিধা নিতে পারিনি। তাছাড়া বিভিন্ন সময় রাষ্ট্রদূতেরা একপেশে বক্তব্য দিলেও বিএনপি তার সুবিধা নিতে পারেনি।

বিএনপিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প খোঁজার আহ্বান জানিয়ে মেজর (অব) হাফিজ বলেন, বিএনপি কর্মীরা অনেক আন্দোলন করেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে পারেনি। আগামী নির্বাচনে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা নিয়ে মধ্যস্থতা পেলে তাদের নির্বাচনে যাওয়া উচিত। কারণ এসব সরকার বাংলাদেশের অর্থনীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের পরাশক্তির কাছে বাংলাদেশ কিছুই না। সুতরাং সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণতন্ত্রের খাতিরে এই আন্তর্জাতিক শক্তিসমূহের সহায়তা নিয়ে মধ্যস্থতা পেলে বিএনপির নির্বাচনে যাওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, রাস্তায় জ্বালাও পোড়াও বা পুলিশ পিটিয়ে মারার ঘটনা আওয়ামী লীগ বা বিএনপি, যাদের ক্যাডাররাই করুক, দায়ভার কিন্তু বিএনপির উপর আসে। এই সহিংসতা আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের মনে প্রভাব ফেলে। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের দেশের অভিভাবক হিসেবে এর সমাধান খোঁজা উচিত।

বিএনপি দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল দাবি করে মেজর হাফিজ বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এ দলই ক্ষমতায় আসবে। কেবল রাজপথে স্লোগান দিলেই আওয়ামী লীগ সরকার চলে যাবে না।

বিএনপির আন্তর্জাতিক যোগাযোগ আগে থেকেই খুব দূর্বল, এটা উন্নত করতে নেতারা যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারেননি অভিযোগ করে তিনি বলেন, অনেক সময় রাষ্ট্রদূতদের কথাবার্তা একপেশে মনে হয়, তারও কোন সুবিধা নিতে পারিনি বিএনপি। এখন বিএনপির উচিত আন্তর্জাতিক সমর্থন নিয়ে কীভাবে নির্বাচনে যাওয়া যায়, তা খুঁজে বের করা।

মেজর (অব) হাফিজ বলেন, সেনাবাহিনী সব ভোটকেন্দ্রে টহল দেবে, ম্যাজিস্ট্রেটের ডাকের অপেক্ষায় থাকবে না। স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে দেওয়া উচিত। তবে বর্তমান সংসদ ভেঙে না দিলেও কোন অসুবিধা নেই।

বাংলাদেশে উন্নয়ন কাজে ভোট হয় না দাবি করে তিনি বলেন, এ সরকার অনেক উন্নয়ন করেছেন। এই যে মেট্রোরেলে চড়ে যারা আগারগাঁও থেকে মতিঝিল যাচ্ছেন, তারাও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে সরকারকে ভোট দেবে না। মানুষ নিত্যপণ্যের দাম, নিরাপদ সামাজিক ব্যবস্থা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার আছে কি না, এসব বিষয়ের উপর বিচার করে ভোট দেয়।

সংঘাতের রাজনীতির অবসান হবে আশা করে তিনি বলেন, আমি এদেশের ক্ষুদ্র একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ রাখতে চাই, আপনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা, দেশের অনেক উন্নয়ন কাজ করেছেন এখন অনুগ্রহ করে অর্থনীতিক উন্নয়ন ও সামাজিক সম্প্রতির প্রতি লক্ষ রেখে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এর ব্যবস্থা করুন। এ সময় বিএনপি ও সংসদে প্রতিনিধিত্ব করা দলের সঙ্গে বসে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন করে ডিসি এসপি, তারা সরকারের আজ্ঞাবহ থাকে। লক্ষ্মীপুর ও নরসিংদির উপনির্বাচন দেখুন। আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলে, তার পরিণতিও একইরকম হবে।

আগামী নির্বাচনে শারীরিক অসুস্থতার জন্য অংশ নিবেন না জানিয়ে বিএনপির এন নেতা বলেন, আমি আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করে আমার শারীরিক অবস্থা জানিয়ে রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার চেষ্টা করবো।

প্রধান বিরোধী হিসেবে বিএনপির অনেক দায়িত্ব আছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমি তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানাই দলে সংস্কার করুন। এখন যেভাবে চলছে, এভাবে একটা দল চলতে পারে না। দলে একনায়কতন্ত্র কায়েম ও কমিটি বাণিজ্য হচ্ছে। এ সময় বিএনপির বিভিন্ন কমিটির বহিষ্কৃত নেতাদের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমানকে ত্যগী নেতাদের মূল্যায়ন করতে আহ্বান করেন মেজর হাফিজ।

জিয়াউর রহমানের আদর্শ থেকে দূরে সরে যাওয়ায় বিএনপি আজ ক্ষমতার বাহিরে মন্তব্য করে মেজর তিনি বলেন, দলে সত্য কথা বলার মতো কোনো নেতা নেই। সাইফুর রহমান এক সময় ছিলেন, কিন্তু বর্তমানে সবাই শুধু হ্যাঁ স্যার, সঠিক স্যার বলেন। জ্বালাও পোড়াও এর মধ্য দিয়ে এ দেশ যেতে পারে না। দেশের অবস্থা আরও খারাপ হলে, দুই প্রধান দল দায়ী থাকবে বলে মন্তব্য করেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ।

ভারতের অর্থনীতির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, তাদের থেকে অনুসরন করে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা চাই। দেশটাকে এ সরকার দেউলিয়া করে যাচ্ছে। বিদেশে হাজার হাজার কোটি পাচার হয়। প্রধানমন্ত্রীকে এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে মেজর হাফিজ জানান, শারীরিক কারণে শিগগিরই রাজনীতি থেকে বিদায় নেব, ৩১ বছর বিএনপির সঙ্গে চলা। দলের সমৃদ্ধি কামনা করি। অসুস্থতার কারণে খুব দ্রুত নির্বাচনী এলাকার জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করে রাজনীতি থেকে বিদায় নেবো।