ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্যাসিনো হোতা আরমানকে নিয়ে মুখ খুললেন নায়িকা শিরিন শিলা

  • আপডেট সময়: ০৮:০১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০১৯
  • ১৭৯ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমান। তিনিও বহুল আলোচিত ক্যাসিনো কাণ্ডের অন্যতম হোতা। সামান্য লাগেজ বিক্রেতা থেকে ক্যাসিনো ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন এই আরমান।

তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীতে। বিএনপি সরকারের সময় হাওয়া ভবনেও তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ঐ ভবনের জনৈক এক ব্যক্তির প্রভাবে তিনি রাতারাতি ফকিরাপুলের কয়েকটি ক্লাবে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা শুরু করেন। ক্ষমতার পালাবদলে তিনি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের সান্নিধ্য লাভ করেন। এ সময় তিনি সম্রাটের প্রভাবে মতিঝিল ক্লাবপাড়ার প্রায় ১০টি ক্লাবে ক্যাসিনো ব্যবসা শুরু করেন।

সম্রাটের প্রভাব খাটিয়ে তিনি ক্যাসিনো ব্যবসার নিয়ন্ত্রক বনে যান। পরে দুজনে মিলে এই ব্যবসার প্রসার ঘটান। তাই সম্রাট এই ব্যবসায় আরমানকে গুরু বলে মানতেন।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় র্যা্বের অভিযানে অবৈধ ক্যাসিনো চলার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে আলোচনায় ছিল যুবলীগ নেতা সম্রাটের নাম। প্রথম দুই-তিন দিন কয়েকশ নেতাকর্মী নিয়ে নিজের কার্যালয়ে অবস্থান নিলেও একপর্যায়ে সেখান থেকেও লাপাত্তা হয়ে যান সম্রাট।

অবশেষে রোববার (৬ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে সম্রাট-আরমানকে গ্রেপ্তার করে র্যাপব।

শুধু ক্যাসিনো ব্যবসা নয় চলচ্চিত্রে প্রযোজক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেন আরমান। ‘দেশ বাংলা মাল্টিমিডিয়া’ নামের চলচ্চিত্র প্রোডাকশন হাউসের প্রধান কর্ণধার তিনি। নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে সম্প্রতি দুটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে তিনি কয়েক কোটি টাকা লগ্নিও করেছেন। এছাড়া গত ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া ‘মনের মতো মানুষ পাইলাম না’ নামের সিনেমাটির প্রযোজকও আরমান। এটি আরমানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের প্রথম ফিল্ম। এরপর শাকিব খানের বিপরীতে নবাগতা এক নায়িকাকে নিয়ে ‘আগুন’ নামের দ্বিতীয় ফিল্মের কাজও শুরু হয় আরমানের প্রযোজনায়।

এদিকে আরমান গ্রেপ্তারের পর থেকেই মিডিয়া পাড়ায় আলোচনা শুরু হয় চিত্রনায়িকা শিরিন শিলাকে নিয়ে। বলা হয় তাদের মধ্যে বেশ কয়েকবার দেখা ও কথাও হয়েছে।

এ বিষয়ে শিলা বলেন, আমি আরমান ভাইকে চিনি একজন প্রযোজক হিসেবে। এর বাহিরে ওনার সাথে আমার কোন যোগাযোগ নেই। ওনার একটি সিনেমায় আমাকে নেয়ার কথা ছিল কিন্তু আমি ওই মূহুর্তে দেশের বাহিরে থাকার কারণে অন্য এক নায়িকাকে নেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সর্বশেষ গত মাসে (সেপ্টেম্বর) আমার সাথে আরমান ভাইয়ের কয়েকবার কথা হয়েছিল সিনেমার বিষয়ে। আমি তখন দেশের বাহিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। আমি দেশের বাহির থেকে এসে আমার বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে আর ওনার সাথে যোগাযোগ করা হয়নি।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

ক্যাসিনো হোতা আরমানকে নিয়ে মুখ খুললেন নায়িকা শিরিন শিলা

আপডেট সময়: ০৮:০১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমান। তিনিও বহুল আলোচিত ক্যাসিনো কাণ্ডের অন্যতম হোতা। সামান্য লাগেজ বিক্রেতা থেকে ক্যাসিনো ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন এই আরমান।

তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীতে। বিএনপি সরকারের সময় হাওয়া ভবনেও তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ঐ ভবনের জনৈক এক ব্যক্তির প্রভাবে তিনি রাতারাতি ফকিরাপুলের কয়েকটি ক্লাবে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা শুরু করেন। ক্ষমতার পালাবদলে তিনি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের সান্নিধ্য লাভ করেন। এ সময় তিনি সম্রাটের প্রভাবে মতিঝিল ক্লাবপাড়ার প্রায় ১০টি ক্লাবে ক্যাসিনো ব্যবসা শুরু করেন।

সম্রাটের প্রভাব খাটিয়ে তিনি ক্যাসিনো ব্যবসার নিয়ন্ত্রক বনে যান। পরে দুজনে মিলে এই ব্যবসার প্রসার ঘটান। তাই সম্রাট এই ব্যবসায় আরমানকে গুরু বলে মানতেন।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় র্যা্বের অভিযানে অবৈধ ক্যাসিনো চলার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে আলোচনায় ছিল যুবলীগ নেতা সম্রাটের নাম। প্রথম দুই-তিন দিন কয়েকশ নেতাকর্মী নিয়ে নিজের কার্যালয়ে অবস্থান নিলেও একপর্যায়ে সেখান থেকেও লাপাত্তা হয়ে যান সম্রাট।

অবশেষে রোববার (৬ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে সম্রাট-আরমানকে গ্রেপ্তার করে র্যাপব।

শুধু ক্যাসিনো ব্যবসা নয় চলচ্চিত্রে প্রযোজক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেন আরমান। ‘দেশ বাংলা মাল্টিমিডিয়া’ নামের চলচ্চিত্র প্রোডাকশন হাউসের প্রধান কর্ণধার তিনি। নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে সম্প্রতি দুটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে তিনি কয়েক কোটি টাকা লগ্নিও করেছেন। এছাড়া গত ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া ‘মনের মতো মানুষ পাইলাম না’ নামের সিনেমাটির প্রযোজকও আরমান। এটি আরমানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের প্রথম ফিল্ম। এরপর শাকিব খানের বিপরীতে নবাগতা এক নায়িকাকে নিয়ে ‘আগুন’ নামের দ্বিতীয় ফিল্মের কাজও শুরু হয় আরমানের প্রযোজনায়।

এদিকে আরমান গ্রেপ্তারের পর থেকেই মিডিয়া পাড়ায় আলোচনা শুরু হয় চিত্রনায়িকা শিরিন শিলাকে নিয়ে। বলা হয় তাদের মধ্যে বেশ কয়েকবার দেখা ও কথাও হয়েছে।

এ বিষয়ে শিলা বলেন, আমি আরমান ভাইকে চিনি একজন প্রযোজক হিসেবে। এর বাহিরে ওনার সাথে আমার কোন যোগাযোগ নেই। ওনার একটি সিনেমায় আমাকে নেয়ার কথা ছিল কিন্তু আমি ওই মূহুর্তে দেশের বাহিরে থাকার কারণে অন্য এক নায়িকাকে নেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সর্বশেষ গত মাসে (সেপ্টেম্বর) আমার সাথে আরমান ভাইয়ের কয়েকবার কথা হয়েছিল সিনেমার বিষয়ে। আমি তখন দেশের বাহিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। আমি দেশের বাহির থেকে এসে আমার বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে আর ওনার সাথে যোগাযোগ করা হয়নি।