ঢাকা ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আরেক দেশে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন সেনাবাহিনী

  • আপডেট সময়: ০৭:৩৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ক্যারিবীয় অঞ্চলের সার্বভৌম রাষ্ট্র কিউবায় সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। প্রয়োজনীয় জনবল এবং সহায়ক বিভিন্ন সামরিক ইউনিটের সক্ষমতা ও প্রস্তুতি সরেজমিনে যাচাই করছে মার্কিন বাহিনী।

মার্কিন সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ বেশ কিছু নথি পর্যালোচনার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গণমাধ্যম সিবিএস নিউজ এ সংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য অভিযানের প্রয়োজনে আগামী চার মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সাউদার্ন কমান্ড’-কে সামরিক পুলিশ, প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মী ও অন্যান্য সহায়ক ইউনিট সরবরাহ করা সম্ভব কি না, তা সেনারিজার্ভ বাহিনীর সদর দপ্তর থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নথিতে সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে সরাসরি দেশটির নাম উল্লেখ করা না হলেও মার্কিন সামরিক প্রশাসনের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, এটি কিউবাকেন্দ্রিক সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের অংশ।

যাচাই প্রক্রিয়ায় মূল নজর রাখা হচ্ছে লজিস্টিকস ও রসদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ‘কমব্যাট সাসটেইনমেন্ট সাপোর্ট ব্যাটালিয়ন’, প্রকৌশলী ব্যাটালিয়ন, জরুরি অস্ত্রোপচারের সুবিধাসহ মেডিকেল ব্রিগেড এবং নিরাপত্তা ও বন্দি ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সামরিক পুলিশ ব্রিগেডের ওপর। সম্ভাব্য প্রয়োজনীয়তার প্রেক্ষিতে গত ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব ইউনিটের চূড়ান্ত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সেনা রিজার্ভ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অবশ্য অভ্যন্তরীণ পত্রে সক্ষমতা মূল্যায়নের তাগিদ দেওয়া হলেও কোনো ইউনিটকে শেষ পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে মোতায়েনের আদেশ জারি করা হয়েছে কি না—তা পরিষ্কার করা হয়নি। মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড সামরিক গোপনীয়তার স্বার্থে আগাম অভিযানের পরিকল্পনা বা সৈন্য মোতায়েনের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় আসার পর সরকারের কঠোর অবস্থান সত্ত্বেও সামরিক বলপ্রয়োগের বিকল্প এড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। তবে ট্রাম্পের এই সমঝোতার বার্তার পাশাপাশি পেন্টাগনের এই অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে চরম সামরিক উত্তেজনা তৈরি করেছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

আরেক দেশে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন সেনাবাহিনী

আপডেট সময়: ০৭:৩৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ক্যারিবীয় অঞ্চলের সার্বভৌম রাষ্ট্র কিউবায় সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। প্রয়োজনীয় জনবল এবং সহায়ক বিভিন্ন সামরিক ইউনিটের সক্ষমতা ও প্রস্তুতি সরেজমিনে যাচাই করছে মার্কিন বাহিনী।

মার্কিন সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ বেশ কিছু নথি পর্যালোচনার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গণমাধ্যম সিবিএস নিউজ এ সংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য অভিযানের প্রয়োজনে আগামী চার মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সাউদার্ন কমান্ড’-কে সামরিক পুলিশ, প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মী ও অন্যান্য সহায়ক ইউনিট সরবরাহ করা সম্ভব কি না, তা সেনারিজার্ভ বাহিনীর সদর দপ্তর থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নথিতে সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে সরাসরি দেশটির নাম উল্লেখ করা না হলেও মার্কিন সামরিক প্রশাসনের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, এটি কিউবাকেন্দ্রিক সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের অংশ।

যাচাই প্রক্রিয়ায় মূল নজর রাখা হচ্ছে লজিস্টিকস ও রসদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ‘কমব্যাট সাসটেইনমেন্ট সাপোর্ট ব্যাটালিয়ন’, প্রকৌশলী ব্যাটালিয়ন, জরুরি অস্ত্রোপচারের সুবিধাসহ মেডিকেল ব্রিগেড এবং নিরাপত্তা ও বন্দি ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সামরিক পুলিশ ব্রিগেডের ওপর। সম্ভাব্য প্রয়োজনীয়তার প্রেক্ষিতে গত ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব ইউনিটের চূড়ান্ত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সেনা রিজার্ভ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অবশ্য অভ্যন্তরীণ পত্রে সক্ষমতা মূল্যায়নের তাগিদ দেওয়া হলেও কোনো ইউনিটকে শেষ পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে মোতায়েনের আদেশ জারি করা হয়েছে কি না—তা পরিষ্কার করা হয়নি। মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড সামরিক গোপনীয়তার স্বার্থে আগাম অভিযানের পরিকল্পনা বা সৈন্য মোতায়েনের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় আসার পর সরকারের কঠোর অবস্থান সত্ত্বেও সামরিক বলপ্রয়োগের বিকল্প এড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। তবে ট্রাম্পের এই সমঝোতার বার্তার পাশাপাশি পেন্টাগনের এই অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে চরম সামরিক উত্তেজনা তৈরি করেছে।