ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরের ৩ বাসিন্দা অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে ভারতে সাজা

  • আপডেট সময়: ০৩:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২০
  • ১২৪ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: ভারতের উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের একটি মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে ৩ বাংলাদেশি নাগরিকের সাজা দিয়েছে উত্তর প্রদেশের এক আদালত। বৃহস্পতিবার লখনউ-এর এক বিশেষ আদালত ওই তিন বাংলাদেশিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ১৯ হাজার রুপি জরিমানা ধার্য করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দোষী ব্যক্তিরা হলেন মহম্মদ ইমরান, ফরিদ উদ্দিন এবং মহম্মদ ফেরদৌস। প্রত্যেকেই বাংলাদেশের যশোরের বাসিন্দা। কোন রকম বৈধ ভিসা ও পাসপোর্ট ছাড়াই তারা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে। দীর্ঘদিন ধরেই শাহারানপুরের দেওবন্দ তালিমুল কোরআন মাদ্রাসায় অবৈধভাবে বসবাস করছিল।

তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, ফৌজদারি অপরাধ, মূল্যবান নিরাপত্তাজনিত প্রতারণা এবং ১৪ ফরেনার্স আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভারতে অবৈধভাবে বসবাস এবং ভুয়া ভারতীয় আধার কার্ড থাকার অভিযোগে ২০১৭ সালে এই তিন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে উত্তরপ্রদেশের অ্যান্টি-টেরর স্কোয়াড (এটিএস) এর সদস্যরা। সে সময় হাওড়া-অমৃতসর এক্সপ্রেস সফরকারী ওই তিনজনকে লখনউ স্টেশনে আটক করা হয়।

এদিকে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তিন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে মহারাষ্ট্রের সাকিনাকা পুলিশ। বৃহস্পতিবার পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়, কোন তথ্যের ভিত্তিতে মুনির শেখ (৪৪), সাইফুল মুসলিম (২৭) এবং আব্দুল হালিম (৩২)কে আটক করা হয়েছে। তারা প্রায় আট বছর আগে পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। যদিও এই তিনজনের দাবি, তারা ভারতীয় নাগরিক কিন্তু ‘ইন মাই ওপিনিয়ন’ (আইএমও) বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাংলাদেশে তাদের আত্মীয়দের সাথে কথা বলায় তদন্তকারী কর্মকর্তারা নিশ্চিত যে তারা বাংলাদেশের নাগরিক। পুলিশ জানিয়েছে, মুনির শেখ এবং সাইফুল মুসলিম ওয়েল্ডারের কাজ করত এবং হালিম ওই এলাকায় ফল বিক্রি করত। তিনজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় পাসপোর্ট এবং ১৪ বিদেশি আইন অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। তাদের আন্ধেরি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে তোলা হলে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি রিমান্ডে নেয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সরকারের সুনির্দিষ্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা রয়েছে- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

যশোরের ৩ বাসিন্দা অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে ভারতে সাজা

আপডেট সময়: ০৩:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২০
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: ভারতের উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের একটি মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে ৩ বাংলাদেশি নাগরিকের সাজা দিয়েছে উত্তর প্রদেশের এক আদালত। বৃহস্পতিবার লখনউ-এর এক বিশেষ আদালত ওই তিন বাংলাদেশিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ১৯ হাজার রুপি জরিমানা ধার্য করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দোষী ব্যক্তিরা হলেন মহম্মদ ইমরান, ফরিদ উদ্দিন এবং মহম্মদ ফেরদৌস। প্রত্যেকেই বাংলাদেশের যশোরের বাসিন্দা। কোন রকম বৈধ ভিসা ও পাসপোর্ট ছাড়াই তারা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে। দীর্ঘদিন ধরেই শাহারানপুরের দেওবন্দ তালিমুল কোরআন মাদ্রাসায় অবৈধভাবে বসবাস করছিল।

তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, ফৌজদারি অপরাধ, মূল্যবান নিরাপত্তাজনিত প্রতারণা এবং ১৪ ফরেনার্স আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভারতে অবৈধভাবে বসবাস এবং ভুয়া ভারতীয় আধার কার্ড থাকার অভিযোগে ২০১৭ সালে এই তিন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে উত্তরপ্রদেশের অ্যান্টি-টেরর স্কোয়াড (এটিএস) এর সদস্যরা। সে সময় হাওড়া-অমৃতসর এক্সপ্রেস সফরকারী ওই তিনজনকে লখনউ স্টেশনে আটক করা হয়।

এদিকে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তিন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে মহারাষ্ট্রের সাকিনাকা পুলিশ। বৃহস্পতিবার পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়, কোন তথ্যের ভিত্তিতে মুনির শেখ (৪৪), সাইফুল মুসলিম (২৭) এবং আব্দুল হালিম (৩২)কে আটক করা হয়েছে। তারা প্রায় আট বছর আগে পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। যদিও এই তিনজনের দাবি, তারা ভারতীয় নাগরিক কিন্তু ‘ইন মাই ওপিনিয়ন’ (আইএমও) বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাংলাদেশে তাদের আত্মীয়দের সাথে কথা বলায় তদন্তকারী কর্মকর্তারা নিশ্চিত যে তারা বাংলাদেশের নাগরিক। পুলিশ জানিয়েছে, মুনির শেখ এবং সাইফুল মুসলিম ওয়েল্ডারের কাজ করত এবং হালিম ওই এলাকায় ফল বিক্রি করত। তিনজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় পাসপোর্ট এবং ১৪ বিদেশি আইন অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। তাদের আন্ধেরি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে তোলা হলে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি রিমান্ডে নেয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।