ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই দুর্গাপূজার মূল দর্শন: রাষ্ট্রপতি

  • আপডেট সময়: ০৬:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং তা পরাজিত করাই দুর্গাপূজার মূল দর্শন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাজধানীর রমনা মন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

সবাইকে দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শুধু বাংলাদেশেই নয়, সমগ্র পৃথিবীতে যখন অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন, নির্যাতন নেমে এসেছিল, তখনই দেবী দুর্গার আবির্ভাব হয়েছিল।

তিনি বলেন, এই দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব হয়েছে এবং বাংলাদেশের মানুষ তাদেরকে পরাজিত করেছে।

রমনা কালী মন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালে এটাকে ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছিল। পরে ১৯৭৩ সালে এটাকে পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল। এরপর ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে এই রমনা কালী মন্দির পুনঃস্থাপিত হয় এবং তখন থেকেই এটাকে আবার পুরোনো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়।

এ সময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে একতাবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে সবসময় অপব্যাখ্যা দেওয়া হয়, অপপ্রচার করা হয় ।

তিনি বলেন, আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে, জোর গলায় বলতে পারি- বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নাই।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলে আশ্বস্ত করেন রাষ্ট্রপতি।

বক্তব্যের শেষে তিনি পূজার সফলতা কামনা করেন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনকারীদের ধন্যবাদ জানান।

এ সময় হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারী, রমনা মন্দিরের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস, সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই দুর্গাপূজার মূল দর্শন: রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময়: ০৬:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং তা পরাজিত করাই দুর্গাপূজার মূল দর্শন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাজধানীর রমনা মন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

সবাইকে দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শুধু বাংলাদেশেই নয়, সমগ্র পৃথিবীতে যখন অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন, নির্যাতন নেমে এসেছিল, তখনই দেবী দুর্গার আবির্ভাব হয়েছিল।

তিনি বলেন, এই দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব হয়েছে এবং বাংলাদেশের মানুষ তাদেরকে পরাজিত করেছে।

রমনা কালী মন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালে এটাকে ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছিল। পরে ১৯৭৩ সালে এটাকে পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল। এরপর ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে এই রমনা কালী মন্দির পুনঃস্থাপিত হয় এবং তখন থেকেই এটাকে আবার পুরোনো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়।

এ সময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে একতাবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে সবসময় অপব্যাখ্যা দেওয়া হয়, অপপ্রচার করা হয় ।

তিনি বলেন, আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে, জোর গলায় বলতে পারি- বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নাই।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলে আশ্বস্ত করেন রাষ্ট্রপতি।

বক্তব্যের শেষে তিনি পূজার সফলতা কামনা করেন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনকারীদের ধন্যবাদ জানান।

এ সময় হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারী, রমনা মন্দিরের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস, সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।