ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীর হাজীগঞ্জে খাসজমি দখল ও বিক্রির তদন্ত প্রতিবেদন জমা, রাজস্ব সভায় সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

  • আপডেট সময়: ০৩:২২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩৩ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার,নীলফামারী প্রতিনিধি:নীলফামারীর হাজীগঞ্জ বাজারে সরকারি খাসজমি দখল, অবৈধ বিক্রি ও মসজিদ স্থানান্তরের অভিযোগে আলোচিত ঘটনার তদন্ত শেষ হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তদন্তে খাসজমি দখল, অবৈধ বিক্রি ও মসজিদ স্থানান্তরের সত্যতা পাওয়া গেছে। রাজস্ব সভায় উপস্থাপনের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, মামলা সৃজন ও উচ্ছেদ অভিযান গ্রহণ করা হবে।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর জয়ন্ত রায় হাজীগঞ্জ বাজারে সরকারি খাসজমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন। পরদিন গোড়গ্রাম ইউনিয়ন প্রশাসকের নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হলে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে পুলিশ সুপারের নির্দেশে নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হয়।

পরবর্তীতে ৩০ ডিসেম্বর ইউনিয়ন ভূমি অফিস উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেও জমি দখলমুক্ত হয়নি। একই এলাকায় মোঃ আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধেও সরকারি খাসজমিতে ৮টি দোকানঘর নির্মাণ, ৫ জনের কাছে বিক্রি এবং একটি মসজিদ স্থানান্তর করে বিক্রির অভিযোগ উঠে আসে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদে ১২ জানুয়ারি চৌরঙ্গী মোড়ে মানববন্ধন হয় এবং জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। তদন্ত প্রক্রিয়ার মধ্যেই ১৩ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট তহসিলদারের বিরুদ্ধেও পক্ষপাতের অভিযোগ ওঠে । এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ তদন্তের আশ্বাস দিলে ১৫ জানুয়ারি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা: মলি আক্তার সরেজমিনে তদন্ত করেন। ৬ এপ্রিল সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা: মলি আক্তার জানান, হাজীগঞ্জ বাজারে খাসজমি দখল ও বিক্রির বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি রাজস্ব সভায় উপস্থাপনের পর মামলা সৃজন ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সাইদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি রাজস্ব সভায় উপস্থাপন করা হবে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

নীলফামারীর হাজীগঞ্জে খাসজমি দখল ও বিক্রির তদন্ত প্রতিবেদন জমা, রাজস্ব সভায় সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

আপডেট সময়: ০৩:২২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার,নীলফামারী প্রতিনিধি:নীলফামারীর হাজীগঞ্জ বাজারে সরকারি খাসজমি দখল, অবৈধ বিক্রি ও মসজিদ স্থানান্তরের অভিযোগে আলোচিত ঘটনার তদন্ত শেষ হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তদন্তে খাসজমি দখল, অবৈধ বিক্রি ও মসজিদ স্থানান্তরের সত্যতা পাওয়া গেছে। রাজস্ব সভায় উপস্থাপনের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, মামলা সৃজন ও উচ্ছেদ অভিযান গ্রহণ করা হবে।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর জয়ন্ত রায় হাজীগঞ্জ বাজারে সরকারি খাসজমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন। পরদিন গোড়গ্রাম ইউনিয়ন প্রশাসকের নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হলে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে পুলিশ সুপারের নির্দেশে নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হয়।

পরবর্তীতে ৩০ ডিসেম্বর ইউনিয়ন ভূমি অফিস উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেও জমি দখলমুক্ত হয়নি। একই এলাকায় মোঃ আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধেও সরকারি খাসজমিতে ৮টি দোকানঘর নির্মাণ, ৫ জনের কাছে বিক্রি এবং একটি মসজিদ স্থানান্তর করে বিক্রির অভিযোগ উঠে আসে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদে ১২ জানুয়ারি চৌরঙ্গী মোড়ে মানববন্ধন হয় এবং জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। তদন্ত প্রক্রিয়ার মধ্যেই ১৩ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট তহসিলদারের বিরুদ্ধেও পক্ষপাতের অভিযোগ ওঠে । এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ তদন্তের আশ্বাস দিলে ১৫ জানুয়ারি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা: মলি আক্তার সরেজমিনে তদন্ত করেন। ৬ এপ্রিল সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা: মলি আক্তার জানান, হাজীগঞ্জ বাজারে খাসজমি দখল ও বিক্রির বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি রাজস্ব সভায় উপস্থাপনের পর মামলা সৃজন ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সাইদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি রাজস্ব সভায় উপস্থাপন করা হবে।