ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যা

  • আপডেট সময়: ১১:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৬৪ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার স্টাফ রিপোর্টার:যশোর সদর উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের সুবোধ দাসের ছোট ছেলে রনি দাস শশুরের নিকট দাবিকৃত যৌতুকের টাকা না পেয়ে তার স্ত্রীকে নির্মম নির্যাতন করে হত্যা করেছেন।

জানাযায়,গত ৫ মাস আগে ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলাধীন দিঘারপাড়া গ্রামের সবুজ দাসের মেয়ে মিতু  (১৯) এর সাথে যশোর সদর উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের সুবোধ দাসের ছোট ছেলে রনি (২২) দাসের সাথে পারিবারিক ভাবে দেখাশোনার মাধ্যমে বিবাহ হয়।বিবাহের সময় জামাইয়ের পরিবারের চাহিদা মোতাবেক গরীব শশুর নগদ টাকা স্বর্ণালংকার সহ ঘরের জিনিসপত্র দেন।বিবাহের মাস দুয়েক অতিবাহিত হলে নেশাখোর রনি দাসের বিভিন্ন সময় নগদ টাকা চাহিদা করে শশুর বাড়িতে।

গরিব শ্বশুর জামাইয়ের দাবি যতটুক সম্ভব মিটিয়েছে সর্বশেষ গত ৩-৪ দিন আগে শ্বশুরবাড়ি দিঘারপাড়ায় রনি দাস তার স্ত্রীকে নিয়ে বেড়াতে যায় এবং শশুরের কাছে দেড় লাখ টাকা দাবি করে একটা ইজিবাইক কেনার জন্য মেয়ের বাবা অপারগতা জানালে ঘটে বিপত্তি। গতকাল বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে দীঘেরপাড়ার রনীর শশুর সবুজের বাড়ি থেকে তার মেয়ে কে ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে বাড়িতে নিয়ে এসে পরিকল্পিতভাবে রনি তার মা এবং  নেশা জগতের কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে গতকাল রাত ৮ টার দিকে শারীরিক নির্যাতন করে খুন করে লাশ গোপন করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।

ভুক্তভোগী মিতুর পিতা লোকসমাচারকে মুঠোফোনে মিতু হত্যা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান,তার মেয়ে মিতুর সাথে যশোর সদর উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের সুবোধ দাসের সাথে পাঁচ মাস আগে বিবাহ হয় বিবাহ থেকে শুরু করে জামাইয়ের চাহিদা মোতাবেক তার সাধ্যমত দাবি মিটিয়েছে পরিশেষে সে দেড় লাখ টাকা ইজিবাইক কেনার জন্য আমার কাছে চেয়েছিল দিতে পারিনি বলে আমার সরল সোজা মেয়েটিকে ওরা পরিকল্পনা করে হত্যা করল আমি এই হত্যার বিচার চাই।

মিতু হত্যার ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর সাইফুল লোক সমাচারকে ঘটনার সত্যতা জানিয়ে জানান গতকাল রাত আটটার দিকে মিতু মারা যান। মিতুর শ্বশুর বাড়ি থেকে রাত বারোটার পরে কোতয়ালি মডেল থানায় সংবাদ দেন খবর পেয়ে তিনি সঙ্গীও ফোর্স নিয়ে লাশ উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শষ্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠান ।আজ লাশের সুরতহাল, পোস্টমর্টেম শেষে লাশ মেয়ের বাবাকে হস্তান্তর করা হয়। কর্মকর্তাকে মিতুকে হত্যা  না আত্মহত্যা প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ফরেনসিক রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সরকারের সুনির্দিষ্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা রয়েছে- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

যশোরে যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যা

আপডেট সময়: ১১:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার স্টাফ রিপোর্টার:যশোর সদর উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের সুবোধ দাসের ছোট ছেলে রনি দাস শশুরের নিকট দাবিকৃত যৌতুকের টাকা না পেয়ে তার স্ত্রীকে নির্মম নির্যাতন করে হত্যা করেছেন।

জানাযায়,গত ৫ মাস আগে ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলাধীন দিঘারপাড়া গ্রামের সবুজ দাসের মেয়ে মিতু  (১৯) এর সাথে যশোর সদর উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের সুবোধ দাসের ছোট ছেলে রনি (২২) দাসের সাথে পারিবারিক ভাবে দেখাশোনার মাধ্যমে বিবাহ হয়।বিবাহের সময় জামাইয়ের পরিবারের চাহিদা মোতাবেক গরীব শশুর নগদ টাকা স্বর্ণালংকার সহ ঘরের জিনিসপত্র দেন।বিবাহের মাস দুয়েক অতিবাহিত হলে নেশাখোর রনি দাসের বিভিন্ন সময় নগদ টাকা চাহিদা করে শশুর বাড়িতে।

গরিব শ্বশুর জামাইয়ের দাবি যতটুক সম্ভব মিটিয়েছে সর্বশেষ গত ৩-৪ দিন আগে শ্বশুরবাড়ি দিঘারপাড়ায় রনি দাস তার স্ত্রীকে নিয়ে বেড়াতে যায় এবং শশুরের কাছে দেড় লাখ টাকা দাবি করে একটা ইজিবাইক কেনার জন্য মেয়ের বাবা অপারগতা জানালে ঘটে বিপত্তি। গতকাল বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে দীঘেরপাড়ার রনীর শশুর সবুজের বাড়ি থেকে তার মেয়ে কে ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে বাড়িতে নিয়ে এসে পরিকল্পিতভাবে রনি তার মা এবং  নেশা জগতের কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে গতকাল রাত ৮ টার দিকে শারীরিক নির্যাতন করে খুন করে লাশ গোপন করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।

ভুক্তভোগী মিতুর পিতা লোকসমাচারকে মুঠোফোনে মিতু হত্যা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান,তার মেয়ে মিতুর সাথে যশোর সদর উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের সুবোধ দাসের সাথে পাঁচ মাস আগে বিবাহ হয় বিবাহ থেকে শুরু করে জামাইয়ের চাহিদা মোতাবেক তার সাধ্যমত দাবি মিটিয়েছে পরিশেষে সে দেড় লাখ টাকা ইজিবাইক কেনার জন্য আমার কাছে চেয়েছিল দিতে পারিনি বলে আমার সরল সোজা মেয়েটিকে ওরা পরিকল্পনা করে হত্যা করল আমি এই হত্যার বিচার চাই।

মিতু হত্যার ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর সাইফুল লোক সমাচারকে ঘটনার সত্যতা জানিয়ে জানান গতকাল রাত আটটার দিকে মিতু মারা যান। মিতুর শ্বশুর বাড়ি থেকে রাত বারোটার পরে কোতয়ালি মডেল থানায় সংবাদ দেন খবর পেয়ে তিনি সঙ্গীও ফোর্স নিয়ে লাশ উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শষ্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠান ।আজ লাশের সুরতহাল, পোস্টমর্টেম শেষে লাশ মেয়ের বাবাকে হস্তান্তর করা হয়। কর্মকর্তাকে মিতুকে হত্যা  না আত্মহত্যা প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ফরেনসিক রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।