ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভেঙে যাচ্ছে সিদ্দিক-মিমের সংসার

  • আপডেট সময়: ১০:৪১:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯
  • ১৯২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : প্রেমের টানে স্পেনের বিলাসী জীবন ছেড়ে অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের কাছে ছুটে এসেছিলেন মারিয়া মিম। পরিবারের সম্মতি নিয়ে ভালোবেসেই ঘরে বেঁধেছিলেন দুজন। সেই ঘর আলোকিত করেছে এক পুত্রসন্তান। সুখের গানে মুখরিত হওয়ার কথা থাকলে দাম্পত্য কলহের জেরে ভেঙে যাচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকের সংসার। তার স্ত্রী মডেল ও অভিনেত্রী মারিয়া মিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্পেনের নাগরিক মারিয়া মিমকে বিয়ে করেন সিদ্দিক। ২০১৩ সালের ২৫ জুন তারা পুত্রসন্তানের বাবা-মা হন। কিন্তু কয়েক মাস ধরেই নানা কারণে সিদ্দিক-মিমের মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে। বাধ্য হয়ে তিন মাস ধরে স্বামীর কাছ থেকে আলাদা থাকছেন মিম।
তিনি জানান, অনেক কারণেই একজন আরেকজনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না। মিম চান শোবিজে কাজ করতে। কিন্তু সিদ্দিকের এতে আপত্তি। তিনি নানাভাবে তাকে বাধা দেন। আরও অভিযোগ আছে তার। জানান, সিদ্দিক আড়াল থেকে তার কাজে বাধা দিচ্ছেন।

মিম আরও জানান, কিছুদিন আগেই একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করার কথা ছিল তার। বিজ্ঞাপন সংশ্লিষ্ট একজন জানিয়েছিলেন, কয়েক দিন পর শুটিং হবে। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি। হঠাৎ তিনি জানতে পারলেন তার পরিবর্তে অন্য এক মডেল দিয়ে এরই মধ্যে বিজ্ঞাপনের কাজ করা হয়ে গেছে।

মিমের অভিযোগ, বিজ্ঞাপনটির নির্মাতা রানা মাসুদকে সিদ্দিকই প্রভাবিত করেছেন তাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে নেওয়ার জন্য।

মিম বলেন, ‘সিদ্দিক নিজেও একজন শোবিজের মানুষ। অভিনয় করে, মডেলিং করে। আমার কোনো দিন কোনো রকম আপত্তি বা কোনো নেতিবাচক ভাবনা ছিল না। কিন্তু আমি যখন কাজ করতে চাই তখনই সে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। স্বামী হিসেবে ওর কাছে কোনো সহযোগিতা পাই না। সেজন্যই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিচ্ছেদের।’

এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নাকি এখনো মিটমাটের সুযোগ কাজে লাগানো যেতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে মিম বলেন, ‘না, আর কোনো সুযোগ নেই। একটা দুটো তো নয়, অনেক কারণই আছে এ সিদ্ধান্ত নেয়ার। ডিসিশন ফাইনাল। আমাদের পরিবারও ব্যাপারটা জেনে গেছে। বিশেষ করে আমার পরিবার এ নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না। আমার জীবন। আমি যেভাবে ভালো থাকবো সেটাই তারা মেনে নেবেন।’
তিনি জানান, বর্তমানে একমাত্র পুত্র আরশ হোসেন তার বাবা সিদ্দিকের সঙ্গেই থাকছে। ডিভোর্সের পর নিজেকে শোবিজে ব্যস্ত রাখতে চান মিম।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

ভেঙে যাচ্ছে সিদ্দিক-মিমের সংসার

আপডেট সময়: ১০:৪১:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : প্রেমের টানে স্পেনের বিলাসী জীবন ছেড়ে অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের কাছে ছুটে এসেছিলেন মারিয়া মিম। পরিবারের সম্মতি নিয়ে ভালোবেসেই ঘরে বেঁধেছিলেন দুজন। সেই ঘর আলোকিত করেছে এক পুত্রসন্তান। সুখের গানে মুখরিত হওয়ার কথা থাকলে দাম্পত্য কলহের জেরে ভেঙে যাচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকের সংসার। তার স্ত্রী মডেল ও অভিনেত্রী মারিয়া মিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্পেনের নাগরিক মারিয়া মিমকে বিয়ে করেন সিদ্দিক। ২০১৩ সালের ২৫ জুন তারা পুত্রসন্তানের বাবা-মা হন। কিন্তু কয়েক মাস ধরেই নানা কারণে সিদ্দিক-মিমের মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে। বাধ্য হয়ে তিন মাস ধরে স্বামীর কাছ থেকে আলাদা থাকছেন মিম।
তিনি জানান, অনেক কারণেই একজন আরেকজনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না। মিম চান শোবিজে কাজ করতে। কিন্তু সিদ্দিকের এতে আপত্তি। তিনি নানাভাবে তাকে বাধা দেন। আরও অভিযোগ আছে তার। জানান, সিদ্দিক আড়াল থেকে তার কাজে বাধা দিচ্ছেন।

মিম আরও জানান, কিছুদিন আগেই একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করার কথা ছিল তার। বিজ্ঞাপন সংশ্লিষ্ট একজন জানিয়েছিলেন, কয়েক দিন পর শুটিং হবে। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি। হঠাৎ তিনি জানতে পারলেন তার পরিবর্তে অন্য এক মডেল দিয়ে এরই মধ্যে বিজ্ঞাপনের কাজ করা হয়ে গেছে।

মিমের অভিযোগ, বিজ্ঞাপনটির নির্মাতা রানা মাসুদকে সিদ্দিকই প্রভাবিত করেছেন তাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে নেওয়ার জন্য।

মিম বলেন, ‘সিদ্দিক নিজেও একজন শোবিজের মানুষ। অভিনয় করে, মডেলিং করে। আমার কোনো দিন কোনো রকম আপত্তি বা কোনো নেতিবাচক ভাবনা ছিল না। কিন্তু আমি যখন কাজ করতে চাই তখনই সে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। স্বামী হিসেবে ওর কাছে কোনো সহযোগিতা পাই না। সেজন্যই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিচ্ছেদের।’

এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নাকি এখনো মিটমাটের সুযোগ কাজে লাগানো যেতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে মিম বলেন, ‘না, আর কোনো সুযোগ নেই। একটা দুটো তো নয়, অনেক কারণই আছে এ সিদ্ধান্ত নেয়ার। ডিসিশন ফাইনাল। আমাদের পরিবারও ব্যাপারটা জেনে গেছে। বিশেষ করে আমার পরিবার এ নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না। আমার জীবন। আমি যেভাবে ভালো থাকবো সেটাই তারা মেনে নেবেন।’
তিনি জানান, বর্তমানে একমাত্র পুত্র আরশ হোসেন তার বাবা সিদ্দিকের সঙ্গেই থাকছে। ডিভোর্সের পর নিজেকে শোবিজে ব্যস্ত রাখতে চান মিম।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।