ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যৌন হয়রানির অভিযোগে ঢাবির সেই শিক্ষক কারাগারে

  • আপডেট সময়: ০৯:১৪:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৪০ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ছাত্রদের যৌন হয়রানি ও মারধরের অভিযোগে করা মিরপুর মডেল থানার মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এরশাদ হালিমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার এসআই মেহেদী হাসান মিলন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় জামিনের আবেদন করেন। এসময় রাষ্ট্র পক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম জামিনের আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন। এর আগে গত ১৩ নভেম্বর রাত প্রায় ১১টার দিকে শেওড়া পাড়ায় তার বাসায় অভিযান চালিয়ে মিরপুর মডেল থানার পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।

মামলার অভিযোগ বলা হয়, অধ্যাপক শিক্ষার্থীদের তার বাসায় ডেকে নিয়ে রুমের আলো নিভিয়ে দরজা-জানালা বন্ধ করে অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক স্পর্শ ও চাপ সৃষ্টি করতেন। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, পরীক্ষায় সহায়তার আশ্বাস দিয়ে তাকে বাসায় ডেকে শারীরিকভাবে আক্রমণাত্মক আচরণ করা হতো। এছাড়া ঘটনাগুলো গোপন রাখার জন্য ভয়ভীতি প্রদানসহ মারধর করেন। এ অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের এক ছাত্র মিরপুর মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

যৌন হয়রানির অভিযোগে ঢাবির সেই শিক্ষক কারাগারে

আপডেট সময়: ০৯:১৪:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ছাত্রদের যৌন হয়রানি ও মারধরের অভিযোগে করা মিরপুর মডেল থানার মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এরশাদ হালিমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার এসআই মেহেদী হাসান মিলন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় জামিনের আবেদন করেন। এসময় রাষ্ট্র পক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম জামিনের আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন। এর আগে গত ১৩ নভেম্বর রাত প্রায় ১১টার দিকে শেওড়া পাড়ায় তার বাসায় অভিযান চালিয়ে মিরপুর মডেল থানার পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।

মামলার অভিযোগ বলা হয়, অধ্যাপক শিক্ষার্থীদের তার বাসায় ডেকে নিয়ে রুমের আলো নিভিয়ে দরজা-জানালা বন্ধ করে অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক স্পর্শ ও চাপ সৃষ্টি করতেন। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, পরীক্ষায় সহায়তার আশ্বাস দিয়ে তাকে বাসায় ডেকে শারীরিকভাবে আক্রমণাত্মক আচরণ করা হতো। এছাড়া ঘটনাগুলো গোপন রাখার জন্য ভয়ভীতি প্রদানসহ মারধর করেন। এ অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের এক ছাত্র মিরপুর মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন।