ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে স্বামীর সঙ্গে লুডু খেলায় হার, গৃহবধূর আত্মহত্যা

  • আপডেট সময়: ০৮:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০১৯
  • ১৮২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:স্বামীর সঙ্গে লুডু খেলায় হেরে গিয়ে অভিমান করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফারজানা (১৯) নামে এক নারী আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আশুলিয়ার গোরাট এলাকার তাহাজ উদ্দিনের ভাড়া বাড়িতে রাজমিস্ত্রি সুমনের স্ত্রী এ আত্মহত্যা করেন।

নিহত ফারজানা রংপুর জেলার আদিতমারী থানাধীন কালিরহাট এলাকার হযরত আলীর মেয়ে। ৭-৮ মাস আগে একই এলাকার রাজমিস্ত্রি সুমনের সঙ্গে পারিবারিক সম্মতিতে তার বিয়ে হয়েছিল। তিনি স্বামী সুমনের সঙ্গে আশুলিয়ার গোরাট এলাকার তাহাজ উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

এ ব্যাপারে নিহতের ছোট ভাই মশিউর রহমান বলেন, দুপুরে আমি ও আমার বোন ফারজানা ও ভগ্নিপতি সুমন লুডু খেলছিলাম। আমার বোন হেরে যায়। এ সময় তিনি কক্ষের অভ্যন্তরে ঢুকে আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে পড়েন।

সে জানায়, এ সময় তার ভগ্নিপতি সুমন দ্রুত এসে জানালা খুলে দেখেন ফারজানা ঝুলে আছে। পরে দরজা ভেঙে ঢুকে ঝুলন্ত ফারজানাকে নামিয়ে গলার ওড়না খোলার পরও তিনি জীবিত ছিলেন। দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে ফারজানা মারা যান।

আশুলিয়া থানার এসআই জামিনুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে মরদেহটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের হস্তান্তর করা হয়।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

রংপুরে স্বামীর সঙ্গে লুডু খেলায় হার, গৃহবধূর আত্মহত্যা

আপডেট সময়: ০৮:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:স্বামীর সঙ্গে লুডু খেলায় হেরে গিয়ে অভিমান করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফারজানা (১৯) নামে এক নারী আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আশুলিয়ার গোরাট এলাকার তাহাজ উদ্দিনের ভাড়া বাড়িতে রাজমিস্ত্রি সুমনের স্ত্রী এ আত্মহত্যা করেন।

নিহত ফারজানা রংপুর জেলার আদিতমারী থানাধীন কালিরহাট এলাকার হযরত আলীর মেয়ে। ৭-৮ মাস আগে একই এলাকার রাজমিস্ত্রি সুমনের সঙ্গে পারিবারিক সম্মতিতে তার বিয়ে হয়েছিল। তিনি স্বামী সুমনের সঙ্গে আশুলিয়ার গোরাট এলাকার তাহাজ উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

এ ব্যাপারে নিহতের ছোট ভাই মশিউর রহমান বলেন, দুপুরে আমি ও আমার বোন ফারজানা ও ভগ্নিপতি সুমন লুডু খেলছিলাম। আমার বোন হেরে যায়। এ সময় তিনি কক্ষের অভ্যন্তরে ঢুকে আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে পড়েন।

সে জানায়, এ সময় তার ভগ্নিপতি সুমন দ্রুত এসে জানালা খুলে দেখেন ফারজানা ঝুলে আছে। পরে দরজা ভেঙে ঢুকে ঝুলন্ত ফারজানাকে নামিয়ে গলার ওড়না খোলার পরও তিনি জীবিত ছিলেন। দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে ফারজানা মারা যান।

আশুলিয়া থানার এসআই জামিনুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে মরদেহটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের হস্তান্তর করা হয়।