ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিতা হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • আপডেট সময়: ০৭:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১৫৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চরফতেহপুর গ্রামে পিতা হত্যার দায়ে ছেলে ফারুক হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এমএ হানিফ আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক চরফতেহপুর গ্রামের মৃত মোসলেম ফকিরের ছেলে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রফিক জানান, ২০১৪ সালের ২৪ মে পারিবারিক কলহের জের ধরে নিহত মোসলেমের সাথে তার ছেলে ফারুকের বাকবিতাণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে নিহত মোসলেম ছেলেকে ঘর থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। এতে ক্ষুব্ধ ফারুক ঘরে থাকা লোহার রড দিয়ে বাবাকে এলোপাথাড়ি পেটাতে থাকে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মোসলেমকে উদ্ধার করে শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের অপর ছেলে আমিনুল ইসলাম ঘটনার পর দিন ২৫ মে বাদী হয়ে একমাত্র ফারুককে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ২৮ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাবুগঞ্জ থানার এসআই আবু জাফর তালুকদার একমাত্র ফারুককে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোপত্র দেন। পরে আদালতে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক ওই রায় দেন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সরকারের সুনির্দিষ্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা রয়েছে- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

পিতা হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময়: ০৭:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চরফতেহপুর গ্রামে পিতা হত্যার দায়ে ছেলে ফারুক হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এমএ হানিফ আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক চরফতেহপুর গ্রামের মৃত মোসলেম ফকিরের ছেলে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রফিক জানান, ২০১৪ সালের ২৪ মে পারিবারিক কলহের জের ধরে নিহত মোসলেমের সাথে তার ছেলে ফারুকের বাকবিতাণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে নিহত মোসলেম ছেলেকে ঘর থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। এতে ক্ষুব্ধ ফারুক ঘরে থাকা লোহার রড দিয়ে বাবাকে এলোপাথাড়ি পেটাতে থাকে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মোসলেমকে উদ্ধার করে শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের অপর ছেলে আমিনুল ইসলাম ঘটনার পর দিন ২৫ মে বাদী হয়ে একমাত্র ফারুককে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ২৮ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাবুগঞ্জ থানার এসআই আবু জাফর তালুকদার একমাত্র ফারুককে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোপত্র দেন। পরে আদালতে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক ওই রায় দেন।