ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘একতরফা’ নির্বাচন আওয়ামী লীগকে নির্বাসনে পাঠাবে: মান্না

  • আপডেট সময়: ০৮:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৩
  • ১০৭ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:‘একতরফা’ নির্বাচন আওয়ামী লীগকে নির্বাসনে পাঠাবে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। রোববার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এই হুশিয়ারি দেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি।

বেলা ১২টার দিকে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা শতাধিক নেতা-কর্মী নিয়ে বিজয়নগর ও তোপখানা রোডে বিক্ষোভ মিছিল করে। ‘একতরফা তফসিল মানি না, মানব না’, ‘ভোট চোর ভোট চোর, শেখ হাসিনা ভোট চোর’ ইত্যাদি শ্লোগান দিতে থাকে। মিছিলটি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এলে সেখানে সমাবেশে বক্তব্য দেন অসুস্থ মাহমুদুর রহমান মান্না।

মান্না বলেন, আমি জানি, তাদের উদ্দেশ্য কী? তারা বলে কোনো রকমে ৭ জানুয়ারি আসলে তো হয়, বিভিন্ন জায়গায় একটা বাক্স বসিয়ে বেড়া-টেরা দিয়ে একটা ঘর দেখাব, তারপর সন্ধ্যার পরে রায় ঘোষণা দেবো। ওটা নির্বাচনই না, ঠেকাব কি? ওই বেড়ার ঘরে আগুন লাগাবার কাজ আমরা করছি না।

তিনি বলেন, যেইভাবে চেষ্টা করুক, তারা এ নির্বাচন প্রহসনের বাইরে আর কিছু করতে পারবে না। আমরা বলছি, জনগণ প্রত্যাখান করেছে এই নির্বাচন, বিশ্বাবাসী প্রত্যাখান করেছে এই নির্বাচন। তারপরও ওই যে বললাম, আসিতেছে শুভ দিন, দিনগুলো গুনতে থাকেন। দেখেন কি হয়? এ নির্বাচন সরকারের জন্যে, আওয়ামী লীগের জন্যে কোনো নির্বাচন নয়, এটা ওদের নির্বাসনে পাঠাবে। অপেক্ষা করেন।

সরকার পতন আন্দোলনে থাকার একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে মান্না বলেন, একজন বিরাট মোছওয়ালা জেনারেল, এখন এলাকায় যেতে পারেন কিনা সন্দেহ। দেখেন, আসিতেছে শুভ দিন, দিনে দিনে বাড়িয়াছে দেনা, সুধিতে হইবে ঋণ। যারা যা-ই করে পার পাবেন না।

তিনি বলেন, সরকার না বলুক, টিভিতে বলছে, অবরোধ চলছে, দূরপাল্লার কোনো বাস চলছে না। দূরপাল্লার বাসগুলো কাউন্টারে দাঁড়িয়ে আছে, যাত্রী পাচ্ছে না। এক মাস ধরে মানুষ বিরোধী দলের এই কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা আছে, আরও থাকবে। আমরা বলি, ওই নির্বাচন যা-ই দেখাক ওরা, লড়াই বন্ধ হবে না, লড়াই চলবে।

মান্নার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ কায়সারের সঞ্চলনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ভাসানী অনুসারী পরিষদের শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের হাসনাত কাইয়ুম, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ নেতারা বক্তব্য দেন।

গণতন্ত্র মঞ্চ ছাড়াও ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা দল, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, এলডিপি, গণঅধিকার পরিষদ, লেবার পার্টি প্রভৃতি সংগঠন আলাদা আলাদাভাবে বিজয় নগর, তোপখানা রোড, পান্থ পথে মিছিল করে।

সরকারের পদত্যাগ ও ‘একতরফা’ তফসিল বাতিলের দাবিতে বিএনপিসহ সমমনাজোটগুলো রোববার ভোর ৬ থেকে শুরু হওয়া টানা ৪৮ ঘন্টার অবরোধ কর্মসূচি শেষে হবে মঙ্গলবার ভোর ৬টায়। এটি বিএনপি,গণতন্ত্র মঞ্চসহ সমমনা জোটের সপ্তম অবরোধ কর্মসূচি।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের দিন: প্রধানমন্ত্রী

‘একতরফা’ নির্বাচন আওয়ামী লীগকে নির্বাসনে পাঠাবে: মান্না

আপডেট সময়: ০৮:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৩
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:‘একতরফা’ নির্বাচন আওয়ামী লীগকে নির্বাসনে পাঠাবে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। রোববার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এই হুশিয়ারি দেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি।

বেলা ১২টার দিকে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা শতাধিক নেতা-কর্মী নিয়ে বিজয়নগর ও তোপখানা রোডে বিক্ষোভ মিছিল করে। ‘একতরফা তফসিল মানি না, মানব না’, ‘ভোট চোর ভোট চোর, শেখ হাসিনা ভোট চোর’ ইত্যাদি শ্লোগান দিতে থাকে। মিছিলটি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এলে সেখানে সমাবেশে বক্তব্য দেন অসুস্থ মাহমুদুর রহমান মান্না।

মান্না বলেন, আমি জানি, তাদের উদ্দেশ্য কী? তারা বলে কোনো রকমে ৭ জানুয়ারি আসলে তো হয়, বিভিন্ন জায়গায় একটা বাক্স বসিয়ে বেড়া-টেরা দিয়ে একটা ঘর দেখাব, তারপর সন্ধ্যার পরে রায় ঘোষণা দেবো। ওটা নির্বাচনই না, ঠেকাব কি? ওই বেড়ার ঘরে আগুন লাগাবার কাজ আমরা করছি না।

তিনি বলেন, যেইভাবে চেষ্টা করুক, তারা এ নির্বাচন প্রহসনের বাইরে আর কিছু করতে পারবে না। আমরা বলছি, জনগণ প্রত্যাখান করেছে এই নির্বাচন, বিশ্বাবাসী প্রত্যাখান করেছে এই নির্বাচন। তারপরও ওই যে বললাম, আসিতেছে শুভ দিন, দিনগুলো গুনতে থাকেন। দেখেন কি হয়? এ নির্বাচন সরকারের জন্যে, আওয়ামী লীগের জন্যে কোনো নির্বাচন নয়, এটা ওদের নির্বাসনে পাঠাবে। অপেক্ষা করেন।

সরকার পতন আন্দোলনে থাকার একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে মান্না বলেন, একজন বিরাট মোছওয়ালা জেনারেল, এখন এলাকায় যেতে পারেন কিনা সন্দেহ। দেখেন, আসিতেছে শুভ দিন, দিনে দিনে বাড়িয়াছে দেনা, সুধিতে হইবে ঋণ। যারা যা-ই করে পার পাবেন না।

তিনি বলেন, সরকার না বলুক, টিভিতে বলছে, অবরোধ চলছে, দূরপাল্লার কোনো বাস চলছে না। দূরপাল্লার বাসগুলো কাউন্টারে দাঁড়িয়ে আছে, যাত্রী পাচ্ছে না। এক মাস ধরে মানুষ বিরোধী দলের এই কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা আছে, আরও থাকবে। আমরা বলি, ওই নির্বাচন যা-ই দেখাক ওরা, লড়াই বন্ধ হবে না, লড়াই চলবে।

মান্নার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ কায়সারের সঞ্চলনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ভাসানী অনুসারী পরিষদের শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের হাসনাত কাইয়ুম, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ নেতারা বক্তব্য দেন।

গণতন্ত্র মঞ্চ ছাড়াও ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা দল, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, এলডিপি, গণঅধিকার পরিষদ, লেবার পার্টি প্রভৃতি সংগঠন আলাদা আলাদাভাবে বিজয় নগর, তোপখানা রোড, পান্থ পথে মিছিল করে।

সরকারের পদত্যাগ ও ‘একতরফা’ তফসিল বাতিলের দাবিতে বিএনপিসহ সমমনাজোটগুলো রোববার ভোর ৬ থেকে শুরু হওয়া টানা ৪৮ ঘন্টার অবরোধ কর্মসূচি শেষে হবে মঙ্গলবার ভোর ৬টায়। এটি বিএনপি,গণতন্ত্র মঞ্চসহ সমমনা জোটের সপ্তম অবরোধ কর্মসূচি।