ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনগণ এই সরকারের পতনের দিন গুনছে: আমীর খসরু

  • আপডেট সময়: ০৭:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩
  • ১১০ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণ এখন এই সরকারের পতনের দিন গুনছে।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে ফরিদপুর শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে ফরিদপুর বিভাগীয় রোডমার্চের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। সরকার পতনের এক দফা দাবি ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির ফরিদপুর সাংগঠনিক বিভাগ এ রোডমার্চের আয়োজন করে।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা এখন হাটে মাঠে ঘাটে যেখানেই যাই সবাই জিজ্ঞেস করে ‘আর কয়দিন?’ এর মানে কী? মানে হলো এই সরকারের পতন হয় না কেন, এই সরকার আর কয়দিন ক্ষমতায় থাকবে? জনগণ এখন এই সরকারের পতনের দিন গুনছে।

আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ধানাই-পানাই অনেক করেছেন আর করতে দেওয়া হবে না। দেশে যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে এই গোলাপগঞ্জ-ফরিদপুরেই আওয়ামী লীগ অনেক সিট পাবে না। তাদের সাথে কেউ নেই। দেশেও নেই, বিদেশেও নেই।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ বিগত ২০১৪ ও ২০১৮ সালে নির্বাচনের নামে যা দেখিয়েছে আমি এর নাম দিয়েছি ভোট চুরির প্রকল্প। নির্বাচনে জিততে এই ভোট চুরির প্রকল্পই তার একমাত্র ভরসা। শেখ হাসিনার এই ভোট চুরির প্রকল্পে দুর্নীতিবাজ দলীয় কিছু কর্মকর্তা আছেন, আছেন দলীয় কিছু পুলিশ, লুটেরা ব্যবসায়ী ও কতগুলো রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত।

আমীর খসরু বলেন, আওয়ামী লীগের এই সরকারকে আমি সরকার মনে করি না। এটা একটা ‘রেজিম’। এই সরকার নতুন করে এবার আরেকটা ভোট চুরির প্রকল্প হাতে নিয়েছে। কিন্তু এবার তারা সফল হবে না। বিদেশের যে গণতান্ত্রিক দেশগুলো আছে, এমনকি জাতিসংঘও বলছে বাংলাদেশে আমরা একটি গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক, সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চাই। অতএব তত্ত্বাবধায়ক সরকার। বিদেশিরা তো আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার বলবে না।

আমেরিকার ভিসানীতি নিয়ে আমীর খসরু বলেন, এই ভিসা নীতিতে তাদের হৃদয়ে কম্পন শুরু হয়েছে। কার ভিসা ক্যান্সেল হয়,কার পরিবারকে দেশে পাঠিয়ে দেয় তারা এখন সেই চিন্তায় আছে।

পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, জয়নুল আবদীন ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, মহিলা দলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নায়াব ইউসুফ প্রমুখ।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের দিন: প্রধানমন্ত্রী

জনগণ এই সরকারের পতনের দিন গুনছে: আমীর খসরু

আপডেট সময়: ০৭:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণ এখন এই সরকারের পতনের দিন গুনছে।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে ফরিদপুর শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে ফরিদপুর বিভাগীয় রোডমার্চের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। সরকার পতনের এক দফা দাবি ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির ফরিদপুর সাংগঠনিক বিভাগ এ রোডমার্চের আয়োজন করে।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা এখন হাটে মাঠে ঘাটে যেখানেই যাই সবাই জিজ্ঞেস করে ‘আর কয়দিন?’ এর মানে কী? মানে হলো এই সরকারের পতন হয় না কেন, এই সরকার আর কয়দিন ক্ষমতায় থাকবে? জনগণ এখন এই সরকারের পতনের দিন গুনছে।

আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ধানাই-পানাই অনেক করেছেন আর করতে দেওয়া হবে না। দেশে যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে এই গোলাপগঞ্জ-ফরিদপুরেই আওয়ামী লীগ অনেক সিট পাবে না। তাদের সাথে কেউ নেই। দেশেও নেই, বিদেশেও নেই।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ বিগত ২০১৪ ও ২০১৮ সালে নির্বাচনের নামে যা দেখিয়েছে আমি এর নাম দিয়েছি ভোট চুরির প্রকল্প। নির্বাচনে জিততে এই ভোট চুরির প্রকল্পই তার একমাত্র ভরসা। শেখ হাসিনার এই ভোট চুরির প্রকল্পে দুর্নীতিবাজ দলীয় কিছু কর্মকর্তা আছেন, আছেন দলীয় কিছু পুলিশ, লুটেরা ব্যবসায়ী ও কতগুলো রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত।

আমীর খসরু বলেন, আওয়ামী লীগের এই সরকারকে আমি সরকার মনে করি না। এটা একটা ‘রেজিম’। এই সরকার নতুন করে এবার আরেকটা ভোট চুরির প্রকল্প হাতে নিয়েছে। কিন্তু এবার তারা সফল হবে না। বিদেশের যে গণতান্ত্রিক দেশগুলো আছে, এমনকি জাতিসংঘও বলছে বাংলাদেশে আমরা একটি গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক, সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চাই। অতএব তত্ত্বাবধায়ক সরকার। বিদেশিরা তো আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার বলবে না।

আমেরিকার ভিসানীতি নিয়ে আমীর খসরু বলেন, এই ভিসা নীতিতে তাদের হৃদয়ে কম্পন শুরু হয়েছে। কার ভিসা ক্যান্সেল হয়,কার পরিবারকে দেশে পাঠিয়ে দেয় তারা এখন সেই চিন্তায় আছে।

পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, জয়নুল আবদীন ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, মহিলা দলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নায়াব ইউসুফ প্রমুখ।