লোকসমাচার,বারোবাজার প্রতিনিধি:ঝিনাইদহের সুবর্ণাসরা গ্রাম থেকে মৌসুমী খাতুন (২৫) নামে এক গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার ভোর ৫টার দিকে ৯নং বারবাজার ইউনিয়নের সুবর্ণাসরা গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মৌসুমী বাঘারপাড়া জহুরপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড ছোট ক্ষুদড়া গ্রামের মৃত মনিরুল মোল্লার মেয়ে। জানা যায়,গত আট বছর আগে পারিবারিক ভাবে সুবর্ণাসরা গ্রামের রহিমের ছেলে, অসিম (৩৫) এর সাথে তার বিবাহ হয়।
স্থানীয়রা প্রতিনিধি কে জানান, সোমবার ভোর ৫টা দিকে নিজ ঘরের ফ্যান ঝুলানো বাটামের সাথে রশি বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে পড়লে বাটাম ভাঙ্গার শব্দে স্বজনেরা টের পায় এবং প্রতিবেশীদের খবর দেয় পরে খবর পেয়ে বারোবাজার ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মৌসুমির মাতা মুন্নির অভিযোগ আমার মেয়ে আত্মহত্যা করবে কেন ? ওরা আমার মেয়েকে মেরে ঝুলিয়ে রেখেছে দীর্ঘ আট বছর ধরে আমার মেয়ে কে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছে কিছুদিন আগে আমার মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিল আমার মেয়ে ভয়ে আমাদের বাড়িতে চলে আসে আমার মেয়েকে ওরা পরিকল্পনা ভাবে মেরে ফেলেছে আমি এর বিচার চাই। তিনি আরো বলেন আমার মেয়ের দুটো সন্তান রেখে সে কেনো গলায় রশি দেবে পাঁচ বছরের এক ছেলে দেড় বছরের এক মেয়ে কে রেখে সে কেন এমন করবে।
এদিকে মৌসুমির চাচা শাহ আলম আরো অভিযোগ করে বলেন, আমরা এখানে এসে যা দেখলাম তাতে তো আত্মহত্যা মনে হচ্ছে না। আমাদের মনে হচ্ছে তাকে মেরে ফেলে দিয়েছে এতটুকু কাঠের বাটামে আমাদের মেয়ে কিভাবে আত্মহত্যা করল বাটাম ভেঙে নিচেই পড়ে থাকতে দেখছি আমরা আমার মেয়েকে ওরা মেরে ফেলে ঝুলিয়ে হয়েছে। যাই হোক না কেন আমরা পুলিশের কাছে দাবী এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কালিগঞ্জ থানার ওসি জানান, সম্ভবত মেয়েটি পারিবারিক কলহের জেরে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। এরপরও মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়া গেলেই কেবল মৃত্যুর আসল কারণ জানা ও বলা সম্ভব হবে। এছাড়া উক্ত ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।
























