ঢাকা ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বামীকে তালাক দেওয়ায় স্ত্রীর ভাইকে অপহরণের পর হত্যা

  • আপডেট সময়: ০২:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২
  • ১৮৩ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:সংসারে বনিবনা না হওয়ায় শিমু তার স্বামী নুর আলমকে তালাক দেন। এ ক্ষোভে স্বামী তার শ্যালককে অপহরণ করে হত্যা করে। এরপর একটি বিল থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত লাশটি মাদরাসাছাত্র হাসানের বলে জানিয়েছে রংপুর মেট্রোপলিটন হারাগাছ থানা পুলিশ।

নিহত হাসান রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গোপালপুর বারঘরিয়া গ্রামের চানাচুর বিক্রেতা আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত হাসানের সাবেক দুলাভাই নুর আলম ও জাহেদুল নামে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার হারাগাছ থানা এলাকার সারাই বকুলতলা নামক স্থানে রেললাইনের পাশে বিল থেকে অজ্ঞাত হিসেবে হাসানের লাশ উদ্ধার করা হয়।

হারাগাছ মেট্রোপলিটন থানার ওসি রেজাউল করিম জানান, রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গোপালপুর বারঘরিয়া গ্রামের চানাচুর বিক্রেতা আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে শিমুর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী কুতুবপুর রোস্তমাবাদ গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে নুর আলমের বিয়ে হয়। পরবর্তীতে বনিবনা না হওয়ায় শিমু তার স্বামী নুর আলমকে তালাক দেন।

বিচ্ছেদের পর থেকে নুর আলম প্রায়ই আব্দুর রাজ্জাক ও তার পরিবারকে দেখে নেয়ার হুমকি প্রদান করে আসছিলেন। গত শনিবার আইড়মারী হাফিজিয়া মাদরাসা থেকে হাসানকে কৌশলে অপহরণ করে নিয়ে যান নূর আলম। পরে মঙ্গলবার হাসানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসানের সাবেক দুলাভাই নুর আলম ও জাহেদুল ইসলাম নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নূর আলম হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

স্বামীকে তালাক দেওয়ায় স্ত্রীর ভাইকে অপহরণের পর হত্যা

আপডেট সময়: ০২:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:সংসারে বনিবনা না হওয়ায় শিমু তার স্বামী নুর আলমকে তালাক দেন। এ ক্ষোভে স্বামী তার শ্যালককে অপহরণ করে হত্যা করে। এরপর একটি বিল থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত লাশটি মাদরাসাছাত্র হাসানের বলে জানিয়েছে রংপুর মেট্রোপলিটন হারাগাছ থানা পুলিশ।

নিহত হাসান রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গোপালপুর বারঘরিয়া গ্রামের চানাচুর বিক্রেতা আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত হাসানের সাবেক দুলাভাই নুর আলম ও জাহেদুল নামে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার হারাগাছ থানা এলাকার সারাই বকুলতলা নামক স্থানে রেললাইনের পাশে বিল থেকে অজ্ঞাত হিসেবে হাসানের লাশ উদ্ধার করা হয়।

হারাগাছ মেট্রোপলিটন থানার ওসি রেজাউল করিম জানান, রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গোপালপুর বারঘরিয়া গ্রামের চানাচুর বিক্রেতা আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে শিমুর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী কুতুবপুর রোস্তমাবাদ গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে নুর আলমের বিয়ে হয়। পরবর্তীতে বনিবনা না হওয়ায় শিমু তার স্বামী নুর আলমকে তালাক দেন।

বিচ্ছেদের পর থেকে নুর আলম প্রায়ই আব্দুর রাজ্জাক ও তার পরিবারকে দেখে নেয়ার হুমকি প্রদান করে আসছিলেন। গত শনিবার আইড়মারী হাফিজিয়া মাদরাসা থেকে হাসানকে কৌশলে অপহরণ করে নিয়ে যান নূর আলম। পরে মঙ্গলবার হাসানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসানের সাবেক দুলাভাই নুর আলম ও জাহেদুল ইসলাম নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নূর আলম হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।