ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অশুড়ার বিলের বাঁধ ভাঙা নিয়ে উত্তেজনা

  • আপডেট সময়: ০৯:১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২০
  • ১৬৬ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার,দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার জাতীয় উদ্যানের ভিতরে আশুড়ার বিলের ভাটির দিকে সরকারী ভাবে স্থাপন করা বাঁধ ভেঙে দেয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের হরিপুর এলাকার শত শত নারী পূরুষ দলবদ্ধ হয়ে এসে ওই বাঁধের কিছু অংশ ভেঙে দেয়। তাদের দাবী দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই বিলের ধারে জমি চাষাবাদ করে আসছিল। এমন কি কয়েক বছর তারা সরকারকে খাজনাও পরিশোধ করেছে। এখন আর তাদের নিকট খাজনা নেয়া হয়না। বাঁধের কারনে পানি জমে থাকায় তারা জমি চাষাবাদ করতে পারছে না। তাই তারা বাঁধ ভেঙে দিচ্ছে। আশুড়ার বিল সরকারের জায়গা। সরকারী জায়গা হিসাবে ওইসব উত্তেজিত জনতার বাঁধ ভাঙা ঠেকাতে সেখানে উপজেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসন উপস্থিত হন। এক পর্যায়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান রহমান বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে আশ্বাস দিলে উত্তেজিত জনতা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। অপর দিকে বাঁধ ভাঙার কারনে বিলের বাঁধের ভাটির দিকে করতোয়া নদীর তীরে বপন করা শত শত কৃষকের বোরো বীজ পানিতে তলিয়ে গেছে। বীজ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তাদের এবারে বোরো চাষ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান সবুজের দাবী।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ সব কৃষক ক্ষতি পুরণের দাবীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ দিবেন বলেও তিনি জানান। বিষয়টি নিয়ে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত(বিকাল ৪টা) উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে ভেঙে দেয়া বাঁধ বন্ধ করার কাজ চলছিল।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

দেশে ৮৮ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে, শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

অশুড়ার বিলের বাঁধ ভাঙা নিয়ে উত্তেজনা

আপডেট সময়: ০৯:১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২০
Spread the love

লোকসমাচার,দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার জাতীয় উদ্যানের ভিতরে আশুড়ার বিলের ভাটির দিকে সরকারী ভাবে স্থাপন করা বাঁধ ভেঙে দেয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের হরিপুর এলাকার শত শত নারী পূরুষ দলবদ্ধ হয়ে এসে ওই বাঁধের কিছু অংশ ভেঙে দেয়। তাদের দাবী দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই বিলের ধারে জমি চাষাবাদ করে আসছিল। এমন কি কয়েক বছর তারা সরকারকে খাজনাও পরিশোধ করেছে। এখন আর তাদের নিকট খাজনা নেয়া হয়না। বাঁধের কারনে পানি জমে থাকায় তারা জমি চাষাবাদ করতে পারছে না। তাই তারা বাঁধ ভেঙে দিচ্ছে। আশুড়ার বিল সরকারের জায়গা। সরকারী জায়গা হিসাবে ওইসব উত্তেজিত জনতার বাঁধ ভাঙা ঠেকাতে সেখানে উপজেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসন উপস্থিত হন। এক পর্যায়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান রহমান বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে আশ্বাস দিলে উত্তেজিত জনতা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। অপর দিকে বাঁধ ভাঙার কারনে বিলের বাঁধের ভাটির দিকে করতোয়া নদীর তীরে বপন করা শত শত কৃষকের বোরো বীজ পানিতে তলিয়ে গেছে। বীজ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তাদের এবারে বোরো চাষ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান সবুজের দাবী।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ সব কৃষক ক্ষতি পুরণের দাবীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ দিবেন বলেও তিনি জানান। বিষয়টি নিয়ে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত(বিকাল ৪টা) উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে ভেঙে দেয়া বাঁধ বন্ধ করার কাজ চলছিল।