ঢাকা ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এবার সৌরজগতে নতুন যে গ্রহের খোঁজ মিলেছে!

  • আপডেট সময়: ০৯:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০১৯
  • ১৫২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:এবার সৌরজগতের মধ্যেই নতুন আরেকটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। ইউরোপিয়ান সাউথ অবজারভেটরি বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত নতুন এই গ্রহটি সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ অর্থাৎ প্ল্যানেট। গ্রহটির নাম দেয়া হয়েছে ‘হাইজিয়া’। নতুন এই গ্রহের ব্যাস ৪৩০ কিলোমিটার।

মহাকাশ বিজ্ঞানে অন্যতম শক্তিশালী ইমেজিং সিস্টেমের স্পিয়ার যন্ত্রটি নতুন ‘হাইজিয়া’র আকৃতি জানিয়ে দিয়েছে। হাইজিয়াকে বামন গ্রহণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়নের দ্বারা সকল তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এর পরই হাইজিয়াকে ছোট গ্রহের মর্যাদা দেয়া হবে।

এর আগে ২০০৬ সালে প্লুটোর গ্রহ মর্যাদা বাতিল করে তাকে বামন গ্রহের তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। যদিও প্লুটোর ব্যাস ২,৪০০ কিলোমিটার।

পূর্ণাঙ্গ গ্রহের কিছু নিজস্ব বৈশিষ্ট্য থাকে। যেখানে তার নিজস্ব কক্ষপথের পরিপার্শ্বে মধ্যাকর্ষণের আধিপত্য বিস্তারের ক্ষমতা অনিবার্য। যে বৈশিষ্ট্য প্লুটোর নেই। কারণ প্লুটোর কক্ষপথের পরিপার্শ্বে রয়েছে একাধিক গ্রহাণু (asteroid) ও অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তুপিণ্ড।

তবে পুরোদস্তুর গ্রহের মর্যাদা পেতে গেলে যা সর্বোপরি প্রয়োজন, তা সোজা বাংলায় বললে দাঁড়ায়, নিজের কক্ষপথের পরিপার্শ্বে তার মাধ্যাকর্ষণের আধিপত্য বিস্তার করতে পারে, এমন কোনও মহাজাগতিক জ্যোতিষ্ককেই গ্রহ বলা যাবে। এই ক্ষেত্রে প্লুটো ব্যর্থ, কারণ তার কক্ষপথের পারিপার্শ্বিকে রয়েছে একাধিক গ্রহাণু (asteroid) এবং অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তু।

যদিও বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. অ্যালান স্টার্নের মতে, মঙ্গল (Mars), বৃহস্পতি (Jupiter), নেপচুন, এমনকি আমাদের পৃথবীও নিজেদের কক্ষপথে পূর্ণ আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম নয়।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

রক্তে ভেজা পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলেন জুলাইযোদ্ধা আজিজুর

এবার সৌরজগতে নতুন যে গ্রহের খোঁজ মিলেছে!

আপডেট সময়: ০৯:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:এবার সৌরজগতের মধ্যেই নতুন আরেকটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। ইউরোপিয়ান সাউথ অবজারভেটরি বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত নতুন এই গ্রহটি সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ অর্থাৎ প্ল্যানেট। গ্রহটির নাম দেয়া হয়েছে ‘হাইজিয়া’। নতুন এই গ্রহের ব্যাস ৪৩০ কিলোমিটার।

মহাকাশ বিজ্ঞানে অন্যতম শক্তিশালী ইমেজিং সিস্টেমের স্পিয়ার যন্ত্রটি নতুন ‘হাইজিয়া’র আকৃতি জানিয়ে দিয়েছে। হাইজিয়াকে বামন গ্রহণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়নের দ্বারা সকল তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এর পরই হাইজিয়াকে ছোট গ্রহের মর্যাদা দেয়া হবে।

এর আগে ২০০৬ সালে প্লুটোর গ্রহ মর্যাদা বাতিল করে তাকে বামন গ্রহের তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। যদিও প্লুটোর ব্যাস ২,৪০০ কিলোমিটার।

পূর্ণাঙ্গ গ্রহের কিছু নিজস্ব বৈশিষ্ট্য থাকে। যেখানে তার নিজস্ব কক্ষপথের পরিপার্শ্বে মধ্যাকর্ষণের আধিপত্য বিস্তারের ক্ষমতা অনিবার্য। যে বৈশিষ্ট্য প্লুটোর নেই। কারণ প্লুটোর কক্ষপথের পরিপার্শ্বে রয়েছে একাধিক গ্রহাণু (asteroid) ও অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তুপিণ্ড।

তবে পুরোদস্তুর গ্রহের মর্যাদা পেতে গেলে যা সর্বোপরি প্রয়োজন, তা সোজা বাংলায় বললে দাঁড়ায়, নিজের কক্ষপথের পরিপার্শ্বে তার মাধ্যাকর্ষণের আধিপত্য বিস্তার করতে পারে, এমন কোনও মহাজাগতিক জ্যোতিষ্ককেই গ্রহ বলা যাবে। এই ক্ষেত্রে প্লুটো ব্যর্থ, কারণ তার কক্ষপথের পারিপার্শ্বিকে রয়েছে একাধিক গ্রহাণু (asteroid) এবং অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তু।

যদিও বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. অ্যালান স্টার্নের মতে, মঙ্গল (Mars), বৃহস্পতি (Jupiter), নেপচুন, এমনকি আমাদের পৃথবীও নিজেদের কক্ষপথে পূর্ণ আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম নয়।