ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নড়াইলে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে খুনের হুমকি, আদালতে মামলা

  • আপডেট সময়: ১১:২২:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ২২ জন দেখেছে
Spread the love
নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ফৌজদায়েরী কার্যবিধি ১০৭ ধারায় টুলু কুমার মৈত্র ও সুকান্ত মৈত্র ২ ভাইয়ের নামে মামলা করেছেন তুহিন কুমার দাস।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১ এপ্রিল সন্ধ্যার পরে বাদী দেবভোগ গ্রামে নিজ মাসির বাড়ি যাওয়ার পথে ওঁৎ পেতে থাকা একই গ্রামের মৃত অশেক মৈত্রর ২ ছেলে টুলু মৈত্র(৪০) ও সুকান্ত মৈত্র(৩৬) রামদা, হাতুড়ি ও লোহার রড নিয়ে তুহিন কুমার দাসের উপর পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক হামলা করতে উদ্ধত হয়। কিন্তু তাৎক্ষণিক তুহিনের মাসি বিনা মৈত্র, স্থানীয় জহুরুল ইসলাম, সোহেল সহ একাধিক লোকের উপস্থিতিতে নিরুপায় হয়ে খুনের হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়।
এব্যাপারে জানতে চাইলে তুহিন কুমার দাস বলেন, আমার মাসির কোন ছেলে মেয়ে না থাকায় তাকে দেখাশোনা করার জন্য চাকুরির ছুটিতে মাঝে মধ্যে তার বাড়িতে আসি। দীর্ঘদিন ধরে টুল ও সুকান্ত মাসির সহিত জমিজোমা নিয়ে বিরোধ করে আসছিল এবং প্রায়ই আমাদের খুন ও মারাত্মক জখমের ভয়ভীতি দেখাইতো। ঘটনার দিন তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছি।
ঘটনার স্বাক্ষী বিনা মৈত্র বলেন, তুহিন আমার বোনের ছেলে হলেও আমি তাকে নিজের ছেলে ভাবি। ঘটনার সময় আমরা উপস্থিত না হলে হয়ত আজ তুহিনকে হারাতে হতো। টুলু আর সুকান্তের কাছে রামদা ও লোহার রড ছিল। তারা সবসময়ই চাই আমার সম্পত্তি দখল করতে। এই সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাচ্ছি এবং আমাদের নিরাপত্তাহীনতার জন্য তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী করছি।
এব্যাপারে মামলায় উল্লেখিত স্বাক্ষী দেবভোগ গ্রামের মৃত আনসার আলী মোড়লের ছেলে জহুরুল ইসলাম ও শেখহাটি গ্রামের মৃত কুদ্দুসের ছেলে সোহেলের কাছে জানতে চাইলে তারাও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তারা বাদী পক্ষকে নিরীহ মানুষ হিসেবে আদালতের নিকট আধিপত্য বিস্তারকারী ২ ভাই টুলু ও সুকান্তের বিচার প্রত্যাশা করেছেন।
ঘটনার বিবাদীপক্ষ দেবভোগ কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত সুকান্ত মৈত্রর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের ২ ভাইয়ের নামে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি উকিল ধরেছি দ্রুত আইনের আশ্রয় নিয়ে ঘটনার সমাধান করব এবং নিজেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

শিগগিরই ১০ম ওয়েজ বোর্ড গঠনের কাজ শুরু হবে: তথ্যমন্ত্রী

নড়াইলে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে খুনের হুমকি, আদালতে মামলা

আপডেট সময়: ১১:২২:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
Spread the love
নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ফৌজদায়েরী কার্যবিধি ১০৭ ধারায় টুলু কুমার মৈত্র ও সুকান্ত মৈত্র ২ ভাইয়ের নামে মামলা করেছেন তুহিন কুমার দাস।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১ এপ্রিল সন্ধ্যার পরে বাদী দেবভোগ গ্রামে নিজ মাসির বাড়ি যাওয়ার পথে ওঁৎ পেতে থাকা একই গ্রামের মৃত অশেক মৈত্রর ২ ছেলে টুলু মৈত্র(৪০) ও সুকান্ত মৈত্র(৩৬) রামদা, হাতুড়ি ও লোহার রড নিয়ে তুহিন কুমার দাসের উপর পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক হামলা করতে উদ্ধত হয়। কিন্তু তাৎক্ষণিক তুহিনের মাসি বিনা মৈত্র, স্থানীয় জহুরুল ইসলাম, সোহেল সহ একাধিক লোকের উপস্থিতিতে নিরুপায় হয়ে খুনের হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়।
এব্যাপারে জানতে চাইলে তুহিন কুমার দাস বলেন, আমার মাসির কোন ছেলে মেয়ে না থাকায় তাকে দেখাশোনা করার জন্য চাকুরির ছুটিতে মাঝে মধ্যে তার বাড়িতে আসি। দীর্ঘদিন ধরে টুল ও সুকান্ত মাসির সহিত জমিজোমা নিয়ে বিরোধ করে আসছিল এবং প্রায়ই আমাদের খুন ও মারাত্মক জখমের ভয়ভীতি দেখাইতো। ঘটনার দিন তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছি।
ঘটনার স্বাক্ষী বিনা মৈত্র বলেন, তুহিন আমার বোনের ছেলে হলেও আমি তাকে নিজের ছেলে ভাবি। ঘটনার সময় আমরা উপস্থিত না হলে হয়ত আজ তুহিনকে হারাতে হতো। টুলু আর সুকান্তের কাছে রামদা ও লোহার রড ছিল। তারা সবসময়ই চাই আমার সম্পত্তি দখল করতে। এই সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাচ্ছি এবং আমাদের নিরাপত্তাহীনতার জন্য তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী করছি।
এব্যাপারে মামলায় উল্লেখিত স্বাক্ষী দেবভোগ গ্রামের মৃত আনসার আলী মোড়লের ছেলে জহুরুল ইসলাম ও শেখহাটি গ্রামের মৃত কুদ্দুসের ছেলে সোহেলের কাছে জানতে চাইলে তারাও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তারা বাদী পক্ষকে নিরীহ মানুষ হিসেবে আদালতের নিকট আধিপত্য বিস্তারকারী ২ ভাই টুলু ও সুকান্তের বিচার প্রত্যাশা করেছেন।
ঘটনার বিবাদীপক্ষ দেবভোগ কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত সুকান্ত মৈত্রর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের ২ ভাইয়ের নামে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি উকিল ধরেছি দ্রুত আইনের আশ্রয় নিয়ে ঘটনার সমাধান করব এবং নিজেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।