ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতি বিশ্বের কারোরই সমর্থন নেই : তথ্যমন্ত্রী

  • আপডেট সময়: ০৫:১১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩
  • ৮৯ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রতো বটেই, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতি বিশ্বের কারোরই কোনো সমর্থন নেই। অন্তত আন্তর্জাতিকভাবে এ নিয়ে আর কিছু বলার সুযোগ নেই বিএনপির। কাজেই নতুন ভিসানীতি তাদের ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে।’

আজ সোমবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভিসানীতিতে বলা হয়েছে, এটি সরকারি ও বিরোধী দুই দলের জন্যই। কেউ যদি নির্বাচনে বাধা দেয়, তাদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে। নির্বাচনে বাধা দেওয়া তো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধা দেওয়াই। আর নির্বাচন প্রতিহত করা তো সংঘাত তৈরি করা। কাজেই এগুলো তো বিএনপি করতে পারবে না। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছিল। তারা বলেছে, এটি নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই। তারা বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন চাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ভিসানীতি ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে একটি স্বচ্ছ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে চাচ্ছে, এটি তার জন্য সহায়ক হবে। সরকারের পক্ষ থেকেও সেভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়েছে। আমি মনে করি, বিএনপির জন্য বড় চাপ তৈরি করেছে এই ভিসানীতি। কারণ, এখন আর নির্বাচন প্রতিহতের ঘোষণা দিতে পারবে না তারা।’

ট্যাগ
জনপ্রিয়

শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন, ২০৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের হিসাব জব্দের নির্দেশ

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতি বিশ্বের কারোরই সমর্থন নেই : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময়: ০৫:১১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রতো বটেই, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতি বিশ্বের কারোরই কোনো সমর্থন নেই। অন্তত আন্তর্জাতিকভাবে এ নিয়ে আর কিছু বলার সুযোগ নেই বিএনপির। কাজেই নতুন ভিসানীতি তাদের ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে।’

আজ সোমবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভিসানীতিতে বলা হয়েছে, এটি সরকারি ও বিরোধী দুই দলের জন্যই। কেউ যদি নির্বাচনে বাধা দেয়, তাদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে। নির্বাচনে বাধা দেওয়া তো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধা দেওয়াই। আর নির্বাচন প্রতিহত করা তো সংঘাত তৈরি করা। কাজেই এগুলো তো বিএনপি করতে পারবে না। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছিল। তারা বলেছে, এটি নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই। তারা বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন চাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ভিসানীতি ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে একটি স্বচ্ছ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে চাচ্ছে, এটি তার জন্য সহায়ক হবে। সরকারের পক্ষ থেকেও সেভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়েছে। আমি মনে করি, বিএনপির জন্য বড় চাপ তৈরি করেছে এই ভিসানীতি। কারণ, এখন আর নির্বাচন প্রতিহতের ঘোষণা দিতে পারবে না তারা।’