লোকসমাচার ডেস্ক:ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর চরমোনাই বলেছেন, বিদ্যামান সঙ্কট নিরসনে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। আর জাতীয় সরকার ছাড়া গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে রাজনৈতিক সংকট ঘনিভূত হচ্ছে। তিনি জাতীয় সরকার গঠনে ৯ দফা প্রস্তাব পেশ করেন।
শনিবার ঢাকার গুলিস্তানের ইম্পেরিয়াল কনভেনশন সেন্টারে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং দেশের শীর্ষ ওলামা মাশায়েখ, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করবে না। নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি নিয়েও আপত্তি করেছেন তিনি। পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে আয়োজনের পাঁয়তারা চলছে। মানুষকে ধোকা দিয়ে বোকা বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দলীয় সরকারের অধীনে কোনও নির্বাচনই সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ হয় নাই। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে বিরোধী দলের ওপর দমনপীড়ন চালিয়ে এক তরফা নির্বাচন করে ক্ষমতা দখল করাই দলীয় সরকারের মূল উদ্দেশ্য থাকে। ভবিষ্যতেও দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার আশা করা যায় না। ১৯৭৩, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচন তার প্রমাণ।
সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই, মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহীম বীর প্রতিক, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অধ্যাপক ড. আহমদ আব্দুল কাদের, মসজিদ মিশনের মহাসচিব ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম মসীহ, জাতীয় ইনসাফ কায়েম পার্টির সদস্য সচিব শওকত মাহমুদ, এবি পার্টির সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ জমিয়তুল মুছলেহীনের আমির মাওলানা খলিলুর রহমান নেছারাবাদী,ফরায়েযী জামাতের সভাপতি মাওলানা আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ হাসান, মুসলিম লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুল ইসলাম, এনডিএম এর সভাপতি ববি হাজ্জাজ, বাংলাদেশ ন্যাপ-এর মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, খেলাফতে রব্বানীর চেয়ারম্যান মুফতী ফয়জুল হক জালালাবাদী, মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফেরদৌস পীর সাহেব মোকামিয়া। উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস হাফিজ ইব্রাহিম, ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে প্রেসিডিয়াম সদস্য আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী, আলহাজ্ব খন্দকার গোলাম মাওলা, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, কেএম আতকির রহমান, আহমদ অবাদুল কাইয়ূম, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।






















