ঢাকা ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মামুনুল হককে গ্রেপ্তারের দাবিতে আল্টিমেটাম

  • আপডেট সময়: ০৯:২৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১
  • ১১৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করার আল্টিমেটাম দিয়েছে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ ঐক্য পরিষদ। সোমবার (২৯ মার্চ) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ আল্টিমেন্টাম দেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা মামুনুল হককে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। তাকে গ্রেপ্তার করা না হলে আগামী ৪ এপ্রিল সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেওয়া হবে।

তারা বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। কোন সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ইসলাম সমর্থন করে না। বিভিন্ন ইস্যুতে সম্প্রতি হেফাজতে ইসলাম যে সব কর্মকান্ড চালাচ্ছে তা ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ইসলামী দলগুলোর দাবি-দাওয়া থাকতেই পারে। কিন্তু সেসব দাবি-দাওয়া আদায়ে নিয়মন্ত্রাতিক ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করা যেতে পারে। হরতাল-অবরোধের নামেত সহিংস কোন কর্মসূচি ইসলাম দলগুলোর পরিহার করা উচিত। ইসলামের নামে রাষ্ট্রের সম্পদ, সরকারি-বেসরকারি গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগ ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকারমকে ব্যবহার করে মসজিদের পবিত্রতা ধ্বংস করার মত কর্মকান্ড থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ ঐক্য পরিষদের নেতারা বলেন, দেশের মহান স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের সময় বিএনপি-জামায়াতের মদদপুষ্ট হেফাজতে ইসলাম দেশের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে নাশকতার চেষ্টা করছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্ত্রীতে বিদেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধান এসেছেন আমাদের দেশে । অনেকে ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রেখেছেন। বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসায় দেশের উন্নয়নের বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যা দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে।

বক্তারা আরো বলেন, বিএনপি-জামায়াত হেফাজতকে লেলিয়ে দিয়ে সারাদেশের তান্ডবের রাজত্ব কায়েম করতে চায়। দেশের উন্নয়নের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। তাদের প্রভুদের খুশি করতে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমগুলোকে বাধাগ্রস্ত করাই তাদের লক্ষ্য। কিন্তু তাদের এ দুঃস্বপ্ন দেশের মাটিতে কখনও সফল হবে না। আমরা তাদের একাত্তরে পরাজিত করেছি। সেই পরাজয়ের গ্লানি এখনও তারা ভুলতে পারেনি। সেই পরাজয়ের শোধ নিতে তারা দেশ ধ্বংসের খেলায় মেতে উঠেছেছ। গত কয়েকদিনের কর্মসূচিতে হেফাজতের নেতাকর্মীদের হতাহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করছি। এ ধরনের কোনো ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেজন্য সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মাওলানা সোলায়মানের সভাপতিত্বে বক্তক্য রাখেন মাওলানা শাহ মো. ওমর ফারুক, মাওলানা আব্দুল আজিজ, আলহাজ্ব মো. হাবিবুল্লাহ, রূপগঞ্জী। মাওলানা মো. সানাউল্লাহ নোয়াখালী, মাওলানা হাসানুজ্জামান চিশতী, মাওলানা কবির হোসাইন জিহাদী, হাফেজ মাওলানা আব্দুল আজিজ, ক্বারী মো. আলী হায়দার ও হাজী আব্দুল মতিন প্রমুখ।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

মামুনুল হককে গ্রেপ্তারের দাবিতে আল্টিমেটাম

আপডেট সময়: ০৯:২৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করার আল্টিমেটাম দিয়েছে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ ঐক্য পরিষদ। সোমবার (২৯ মার্চ) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ আল্টিমেন্টাম দেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা মামুনুল হককে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। তাকে গ্রেপ্তার করা না হলে আগামী ৪ এপ্রিল সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেওয়া হবে।

তারা বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। কোন সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ইসলাম সমর্থন করে না। বিভিন্ন ইস্যুতে সম্প্রতি হেফাজতে ইসলাম যে সব কর্মকান্ড চালাচ্ছে তা ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ইসলামী দলগুলোর দাবি-দাওয়া থাকতেই পারে। কিন্তু সেসব দাবি-দাওয়া আদায়ে নিয়মন্ত্রাতিক ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করা যেতে পারে। হরতাল-অবরোধের নামেত সহিংস কোন কর্মসূচি ইসলাম দলগুলোর পরিহার করা উচিত। ইসলামের নামে রাষ্ট্রের সম্পদ, সরকারি-বেসরকারি গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগ ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকারমকে ব্যবহার করে মসজিদের পবিত্রতা ধ্বংস করার মত কর্মকান্ড থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ ঐক্য পরিষদের নেতারা বলেন, দেশের মহান স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের সময় বিএনপি-জামায়াতের মদদপুষ্ট হেফাজতে ইসলাম দেশের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে নাশকতার চেষ্টা করছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্ত্রীতে বিদেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধান এসেছেন আমাদের দেশে । অনেকে ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রেখেছেন। বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসায় দেশের উন্নয়নের বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যা দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে।

বক্তারা আরো বলেন, বিএনপি-জামায়াত হেফাজতকে লেলিয়ে দিয়ে সারাদেশের তান্ডবের রাজত্ব কায়েম করতে চায়। দেশের উন্নয়নের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। তাদের প্রভুদের খুশি করতে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমগুলোকে বাধাগ্রস্ত করাই তাদের লক্ষ্য। কিন্তু তাদের এ দুঃস্বপ্ন দেশের মাটিতে কখনও সফল হবে না। আমরা তাদের একাত্তরে পরাজিত করেছি। সেই পরাজয়ের গ্লানি এখনও তারা ভুলতে পারেনি। সেই পরাজয়ের শোধ নিতে তারা দেশ ধ্বংসের খেলায় মেতে উঠেছেছ। গত কয়েকদিনের কর্মসূচিতে হেফাজতের নেতাকর্মীদের হতাহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করছি। এ ধরনের কোনো ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেজন্য সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মাওলানা সোলায়মানের সভাপতিত্বে বক্তক্য রাখেন মাওলানা শাহ মো. ওমর ফারুক, মাওলানা আব্দুল আজিজ, আলহাজ্ব মো. হাবিবুল্লাহ, রূপগঞ্জী। মাওলানা মো. সানাউল্লাহ নোয়াখালী, মাওলানা হাসানুজ্জামান চিশতী, মাওলানা কবির হোসাইন জিহাদী, হাফেজ মাওলানা আব্দুল আজিজ, ক্বারী মো. আলী হায়দার ও হাজী আব্দুল মতিন প্রমুখ।