ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিস্ত্রিকে মারধর, ফ্রান্সে সৌদি রাজকন্যার কারাদণ্ড!

  • আপডেট সময়: ০৭:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১৩৭ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: মোবাইলে ছবি তোলায় এক প্লাম্বারকে পেটানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন সৌদি রাজকন্যা হাসা বিনতে সালমান৷ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দশ মাসের স্থগিত কারাদণ্ড দিয়েছে ফ্রান্সের আদালত৷

২০১৬ সালের ঘটনা৷ সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বোন ও সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের মেয়ে হাসা বিনতে সালমান প্যারিসে তার বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে প্লাম্বার আশরাফ আইদকে পেটানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন৷ আশরাফ আইদের অপরাধ তিনি বিনা অনুমতিতে ছবি তুলেছেন৷ এ কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ৪৩ বছর বয়সি রাজকন্যা তার দেহরক্ষীকে বলেন সাইদকে বেঁধে পেটাতে৷ তা-ই করা হয়৷ হাত-পা বেঁধে উপর্যুপরি কিল-ঘুসি মারা হয় সাইদকে৷ পেটানোর সময় রাজকন্যা হাসা চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘‘কুকুরটাকে মেরে ফেলো, ওর বেঁচে থাকার অধিকার নেই৷”

খেলাটির নাম ‘সাইডওয়াল স্কিয়িং’৷ এর মানে হলো চার চাকার গাড়িকে দুই চাকায় চালানো এবং সেই সময় যাত্রীদের কিছু দুঃসাহসী কসরত দেখানো৷ এটিই কিছু সৌদি তরুণদের প্রিয় খেলা হয়ে উঠেছে৷

প্লাম্বারকে পেটানোর অভিযোগে সৌদি রাজকন্যার বিরুদ্ধে মামলার শুনানি শুরু হয় গত জুলাই মাসে৷ বৃহস্পতিবার প্যারিসের এক আদালত শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করে৷ দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় দশ মাসের স্থগিত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার ইউরো জরিমানা করে আদালত৷ এছাড়া দেহরক্ষী রানি সাইদাকে আট মাসের স্থগিত কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার ইউরো জরিমানা করা হয়৷ রায় ঘোষণার সময় হাসা বিনতে সালমান আদালতে ছিলেন না৷

প্লাম্বার আরশাদ আইদের দাবি, তিনি নিজের মোবাইলে শুধু রাজকন্যার অ্যাপার্টমেন্টের গোসলখানার ছবি তুলেছিলেন৷ এই অপরাধেই তাকে বেদম পেটানো হয়, মোবাইলটিও ভেঙে ফেলা হয়৷ রাজকন্যা হাসা বিনতে সালমানের আইনজীবী বলেছেন,

মামলাটি কল্পনাপ্রসূত, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে৷

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

পল্লীবিদ্যুৎতায়ন বোর্ডের ঠিকাদার দের যৌথ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

মিস্ত্রিকে মারধর, ফ্রান্সে সৌদি রাজকন্যার কারাদণ্ড!

আপডেট সময়: ০৭:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: মোবাইলে ছবি তোলায় এক প্লাম্বারকে পেটানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন সৌদি রাজকন্যা হাসা বিনতে সালমান৷ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দশ মাসের স্থগিত কারাদণ্ড দিয়েছে ফ্রান্সের আদালত৷

২০১৬ সালের ঘটনা৷ সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বোন ও সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের মেয়ে হাসা বিনতে সালমান প্যারিসে তার বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে প্লাম্বার আশরাফ আইদকে পেটানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন৷ আশরাফ আইদের অপরাধ তিনি বিনা অনুমতিতে ছবি তুলেছেন৷ এ কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ৪৩ বছর বয়সি রাজকন্যা তার দেহরক্ষীকে বলেন সাইদকে বেঁধে পেটাতে৷ তা-ই করা হয়৷ হাত-পা বেঁধে উপর্যুপরি কিল-ঘুসি মারা হয় সাইদকে৷ পেটানোর সময় রাজকন্যা হাসা চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘‘কুকুরটাকে মেরে ফেলো, ওর বেঁচে থাকার অধিকার নেই৷”

খেলাটির নাম ‘সাইডওয়াল স্কিয়িং’৷ এর মানে হলো চার চাকার গাড়িকে দুই চাকায় চালানো এবং সেই সময় যাত্রীদের কিছু দুঃসাহসী কসরত দেখানো৷ এটিই কিছু সৌদি তরুণদের প্রিয় খেলা হয়ে উঠেছে৷

প্লাম্বারকে পেটানোর অভিযোগে সৌদি রাজকন্যার বিরুদ্ধে মামলার শুনানি শুরু হয় গত জুলাই মাসে৷ বৃহস্পতিবার প্যারিসের এক আদালত শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করে৷ দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় দশ মাসের স্থগিত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার ইউরো জরিমানা করে আদালত৷ এছাড়া দেহরক্ষী রানি সাইদাকে আট মাসের স্থগিত কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার ইউরো জরিমানা করা হয়৷ রায় ঘোষণার সময় হাসা বিনতে সালমান আদালতে ছিলেন না৷

প্লাম্বার আরশাদ আইদের দাবি, তিনি নিজের মোবাইলে শুধু রাজকন্যার অ্যাপার্টমেন্টের গোসলখানার ছবি তুলেছিলেন৷ এই অপরাধেই তাকে বেদম পেটানো হয়, মোবাইলটিও ভেঙে ফেলা হয়৷ রাজকন্যা হাসা বিনতে সালমানের আইনজীবী বলেছেন,

মামলাটি কল্পনাপ্রসূত, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে৷