ঢাকা ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯/১১ হামলা নিয়ে বুশকে সতর্ক করেছিলেন পুতিন

  • আপডেট সময়: ১০:৩০:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১৫৩ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার দুই দিন আগেই তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে সতর্ক করেছিলেন রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘সিআইএ’র সাবেক বিশ্লেষক জর্জ বিবি তাঁর বইতে এ তথ্য দিয়েছেন।

‘দ্য রাশিয়া ট্র্যাপ: হাউ আওয়ার শ্যাডো ওয়ার উইথ রাশিয়া কুড স্পাইরাল ইনটু নিউক্লিয়ার ক্যাটাসট্রোফি’ নামক বইয়ে পুতিনের এই সতর্কবার্তা তুলে ধরে জর্জ লিখেছেন, আফগানিস্তান থেকে হামলায় পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে সতর্ক করেন পুতিন। হামলার দুই দিন আগে প্রেসিডেন্ট পুতিন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে টেলিফোনও করেন।

সিএনএনের খবরে ওই বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, পুতিন রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করেন যে, একটি সন্ত্রাসী হামলা খুবই নিকটবর্তী। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর এই হামলা আফগানিস্তান থেকে আসতে পারে।

সাবেক সিআইএর কর্মকর্তার এ স্বীকারোক্তির বিষয়টি প্রমাণ করে যে, সম্ভাব্য হামলা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রকে বারবার সতর্ক করা হয়েছিল। এরপর ১১ সেপ্টেম্বর ওই হামলা ঘটে যায়।

রাশিয়া ছাড়াও যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দারাও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছিল। ওই সময় সম্ভাব্য হামলার বিপদ সম্পর্কে সিআইএ ও এফবিআই বারবার আলোকপাত করেছিল।

জর্জ বিবি বলছেন, প্রেসিডেন্ট পুতিন ব্যক্তিগতভাবে বুশকে লক্ষ্য করে যে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন তার অর্থ হচ্ছে, এটি শুধু গোয়েন্দা সংস্থা পর্যায়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। হোয়াইট হাউস এসব সতর্কবার্তা আমলে নিয়ে নাগরিকদের রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছিল কিনা তা এখনো রহস্য থেকে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। সেই ভয়াবহ হামলায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় টুইন টাওয়ার। এ ঘটনার জন্য বরাবরই আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদাকে দোষারোপ করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।

তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ডোলিৎসা রাইস পুতিনের সেই সতর্কবার্তাকে গুরুত্ব দেননি। রাইস তা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, সৌদি মদদপুষ্ট উগ্রবাদীরা বিশাল ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর বিষয়ে যে সতর্কবার্তা পুতিন দেন তার যথাযথ গুরুত্ব দেননি তিনি।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

পল্লীবিদ্যুৎতায়ন বোর্ডের ঠিকাদার দের যৌথ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

৯/১১ হামলা নিয়ে বুশকে সতর্ক করেছিলেন পুতিন

আপডেট সময়: ১০:৩০:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার দুই দিন আগেই তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে সতর্ক করেছিলেন রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘সিআইএ’র সাবেক বিশ্লেষক জর্জ বিবি তাঁর বইতে এ তথ্য দিয়েছেন।

‘দ্য রাশিয়া ট্র্যাপ: হাউ আওয়ার শ্যাডো ওয়ার উইথ রাশিয়া কুড স্পাইরাল ইনটু নিউক্লিয়ার ক্যাটাসট্রোফি’ নামক বইয়ে পুতিনের এই সতর্কবার্তা তুলে ধরে জর্জ লিখেছেন, আফগানিস্তান থেকে হামলায় পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে সতর্ক করেন পুতিন। হামলার দুই দিন আগে প্রেসিডেন্ট পুতিন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে টেলিফোনও করেন।

সিএনএনের খবরে ওই বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, পুতিন রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করেন যে, একটি সন্ত্রাসী হামলা খুবই নিকটবর্তী। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর এই হামলা আফগানিস্তান থেকে আসতে পারে।

সাবেক সিআইএর কর্মকর্তার এ স্বীকারোক্তির বিষয়টি প্রমাণ করে যে, সম্ভাব্য হামলা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রকে বারবার সতর্ক করা হয়েছিল। এরপর ১১ সেপ্টেম্বর ওই হামলা ঘটে যায়।

রাশিয়া ছাড়াও যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দারাও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছিল। ওই সময় সম্ভাব্য হামলার বিপদ সম্পর্কে সিআইএ ও এফবিআই বারবার আলোকপাত করেছিল।

জর্জ বিবি বলছেন, প্রেসিডেন্ট পুতিন ব্যক্তিগতভাবে বুশকে লক্ষ্য করে যে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন তার অর্থ হচ্ছে, এটি শুধু গোয়েন্দা সংস্থা পর্যায়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। হোয়াইট হাউস এসব সতর্কবার্তা আমলে নিয়ে নাগরিকদের রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছিল কিনা তা এখনো রহস্য থেকে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। সেই ভয়াবহ হামলায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় টুইন টাওয়ার। এ ঘটনার জন্য বরাবরই আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদাকে দোষারোপ করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।

তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ডোলিৎসা রাইস পুতিনের সেই সতর্কবার্তাকে গুরুত্ব দেননি। রাইস তা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, সৌদি মদদপুষ্ট উগ্রবাদীরা বিশাল ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর বিষয়ে যে সতর্কবার্তা পুতিন দেন তার যথাযথ গুরুত্ব দেননি তিনি।