ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে ‘অনার কিলিং’ এর অভিযোগে ৩ জনের যাবজ্জীবন

  • আপডেট সময়: ১০:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১৩৩ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: পাকিস্তানের অন্যতম আলোচিত ‘অনার কিলিং’ বা ‘সম্মান রক্ষার্থে হত্যার’ ঘটনার মামলায় তিন ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। শাস্তি পাওয়া ওমর খান, সাবির এবং সাহির নামের ঐ তিন ব্যক্তি নিহত হওয়া তিন নারীর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

২০১১ সালে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের ভিডিওটিতে ঐ তিন নারীকে গান গাইতে ও হাততালি দিতে দেখা যায়। সেই ভিডিও প্রকাশের জের ধরে ঐ তিন নারীকে হত্যা করা হয়। তাদের মৃতদেহ কখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেসময় ঐ নারীদের সাথে থাকা দুইজন পুরুষ এখনো পলাতক। ঐ ঘটনার সাথে জড়িত আরো দু’জন নারীর ভাগ্যে কী হয়েছে- তা এখনো জানা যায়নি।

ঐ হত্যাকাণ্ডের পর সহিংস সংঘাতে আরো চারজন নিহত হয়। পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাইবার পাখতুনওয়ালা প্রদেশের একটি আদালত পাঁচজন পুরুষকে এ ঘটনার অভিযোগ থেকে রেহাই দিয়েছে।

২০১১ সালে এ ঘটনা জানাজানি হয় ২০১২ সালে। যখন ভিডিওর সাথে জড়িত দু্ই ব্যক্তির একজনের ভাই আফজাল কোহিস্তানি তার ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে রীতি লঙ্ঘন করে নারীদের হত্যার অভিযোগ তোলেন। বিচারের দাবিতে আফজাল কোহিস্তানির করা ক্যাম্পেইন সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং সুপ্রিম কোর্ট হত্যাকাণ্ডের একটি তদন্তের নির্দেশ দেয়। সূত্র : বিবিসি বাংলা।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

পল্লীবিদ্যুৎতায়ন বোর্ডের ঠিকাদার দের যৌথ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

পাকিস্তানে ‘অনার কিলিং’ এর অভিযোগে ৩ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময়: ১০:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: পাকিস্তানের অন্যতম আলোচিত ‘অনার কিলিং’ বা ‘সম্মান রক্ষার্থে হত্যার’ ঘটনার মামলায় তিন ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। শাস্তি পাওয়া ওমর খান, সাবির এবং সাহির নামের ঐ তিন ব্যক্তি নিহত হওয়া তিন নারীর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

২০১১ সালে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের ভিডিওটিতে ঐ তিন নারীকে গান গাইতে ও হাততালি দিতে দেখা যায়। সেই ভিডিও প্রকাশের জের ধরে ঐ তিন নারীকে হত্যা করা হয়। তাদের মৃতদেহ কখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেসময় ঐ নারীদের সাথে থাকা দুইজন পুরুষ এখনো পলাতক। ঐ ঘটনার সাথে জড়িত আরো দু’জন নারীর ভাগ্যে কী হয়েছে- তা এখনো জানা যায়নি।

ঐ হত্যাকাণ্ডের পর সহিংস সংঘাতে আরো চারজন নিহত হয়। পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাইবার পাখতুনওয়ালা প্রদেশের একটি আদালত পাঁচজন পুরুষকে এ ঘটনার অভিযোগ থেকে রেহাই দিয়েছে।

২০১১ সালে এ ঘটনা জানাজানি হয় ২০১২ সালে। যখন ভিডিওর সাথে জড়িত দু্ই ব্যক্তির একজনের ভাই আফজাল কোহিস্তানি তার ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে রীতি লঙ্ঘন করে নারীদের হত্যার অভিযোগ তোলেন। বিচারের দাবিতে আফজাল কোহিস্তানির করা ক্যাম্পেইন সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং সুপ্রিম কোর্ট হত্যাকাণ্ডের একটি তদন্তের নির্দেশ দেয়। সূত্র : বিবিসি বাংলা।