ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০২১ সালেই মহাকাশে মানুষ পাঠাবে ভারত

  • আপডেট সময়: ০২:২৬:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১০৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: ২০২১ সালের মধ্যে মহাকাশে প্রথম কোনো ভারতীয়কে পাঠানো গগনযান মিশনের উদ্দেশ্য হলেও, তার আগে অন্তত দু’বার মানবহীন ফ্লাইট মহাকাশে পাঠাবেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। বিক্রমের ব্যর্থতা ভুলে গগনযান মিশনে ফিরেছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। সংস্থাটির চেয়ারম্যান কে সিভান শনিবার এক ঘোষণায় জানিয়েছেন।

আইআইটি ভুবনেশ্বরের অষ্টম কনভোকেশনে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসরোর চেয়ারম্যান। এক বক্তৃতায় তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে প্রথম কোনো ভারতীয় মহাকাশে পাড়ি দেবেন। তিনি মহাকাশে যাবেন আমাদের নিজস্ব তৈরি রকেটেই। এটাই আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য। ইসরোর প্রত্যেকে সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

ইসরোর গগনযান প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো মহাকাশে তিন সদস্যের একটি দল বা ক্রু পাঠানো। তারা অন্তত সাতদিন মহাকাশে থাকবেন। ২০১৮ সালের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথমবার এই গগনযান মিশনের কথা প্রকাশ্যে এনেছিলেন। বিগত এক বছরে ইসরো এ নিয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছে।

ইসরোর চেয়ারম্যান বলেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আমরা প্রথম হিউম্যান স্পেসপ্লেন বা মানব মহাকাশ বিমানটি পাঠাব। দ্বিতীয় মানব মহাকাশ বিমানটি যাবে ২০২১ সালে। এই দুটি অভিযানের কোনওটিতেই অবশ্য মহাকাশযানে মানুষ থাকবে না।

যদি ২০২১ সালে ইসরোর এই গগনযান মিশন সফল হয় ভারত হবে চতুর্থ দেশ। আমেরিকা, রাশিয়া, চীন ইতোমধ্যেই এই লক্ষ্য পূরণ করেছে। ইসরোর এই গগনযান মিশনের খরচ আনুমানিক ১০ হাজার কোটি টাকা।

এদিকে, চাঁদে আজ থেকেই রাত শুরু হওয়ায় চন্দ্রযান ২-এর ল্যান্ডার বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগের আশা শেষ। ১৪ দিনের মিশন লাইফ নিয়েই চাঁদে গিয়েছিল বিক্রম। কিন্তু চাঁদের বুকে নামার কয়েক মুহূর্ত আগে তার সঙ্গে ইসরোর বিজ্ঞানীদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এই এক চান্দ্র দিবসের সময়সীমা পৃথিবীর হিসেবে ১৪ দিন। রাত নেমে আসার পর সূর্যালোকের অভাবে প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন করতে পারবে না বিক্রম। এ ছাড়া চান্দ্ররাতে তাপমাত্রা মাইনাস ২শ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যায়। তাই সে সময় ল্যান্ডারের মেশিন ঠান্ডায় জমে যেতে পারে। ফলে আর কোনও আশা দেখছেন না ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ

২০২১ সালেই মহাকাশে মানুষ পাঠাবে ভারত

আপডেট সময়: ০২:২৬:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: ২০২১ সালের মধ্যে মহাকাশে প্রথম কোনো ভারতীয়কে পাঠানো গগনযান মিশনের উদ্দেশ্য হলেও, তার আগে অন্তত দু’বার মানবহীন ফ্লাইট মহাকাশে পাঠাবেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। বিক্রমের ব্যর্থতা ভুলে গগনযান মিশনে ফিরেছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। সংস্থাটির চেয়ারম্যান কে সিভান শনিবার এক ঘোষণায় জানিয়েছেন।

আইআইটি ভুবনেশ্বরের অষ্টম কনভোকেশনে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসরোর চেয়ারম্যান। এক বক্তৃতায় তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে প্রথম কোনো ভারতীয় মহাকাশে পাড়ি দেবেন। তিনি মহাকাশে যাবেন আমাদের নিজস্ব তৈরি রকেটেই। এটাই আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য। ইসরোর প্রত্যেকে সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

ইসরোর গগনযান প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো মহাকাশে তিন সদস্যের একটি দল বা ক্রু পাঠানো। তারা অন্তত সাতদিন মহাকাশে থাকবেন। ২০১৮ সালের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথমবার এই গগনযান মিশনের কথা প্রকাশ্যে এনেছিলেন। বিগত এক বছরে ইসরো এ নিয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছে।

ইসরোর চেয়ারম্যান বলেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আমরা প্রথম হিউম্যান স্পেসপ্লেন বা মানব মহাকাশ বিমানটি পাঠাব। দ্বিতীয় মানব মহাকাশ বিমানটি যাবে ২০২১ সালে। এই দুটি অভিযানের কোনওটিতেই অবশ্য মহাকাশযানে মানুষ থাকবে না।

যদি ২০২১ সালে ইসরোর এই গগনযান মিশন সফল হয় ভারত হবে চতুর্থ দেশ। আমেরিকা, রাশিয়া, চীন ইতোমধ্যেই এই লক্ষ্য পূরণ করেছে। ইসরোর এই গগনযান মিশনের খরচ আনুমানিক ১০ হাজার কোটি টাকা।

এদিকে, চাঁদে আজ থেকেই রাত শুরু হওয়ায় চন্দ্রযান ২-এর ল্যান্ডার বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগের আশা শেষ। ১৪ দিনের মিশন লাইফ নিয়েই চাঁদে গিয়েছিল বিক্রম। কিন্তু চাঁদের বুকে নামার কয়েক মুহূর্ত আগে তার সঙ্গে ইসরোর বিজ্ঞানীদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এই এক চান্দ্র দিবসের সময়সীমা পৃথিবীর হিসেবে ১৪ দিন। রাত নেমে আসার পর সূর্যালোকের অভাবে প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন করতে পারবে না বিক্রম। এ ছাড়া চান্দ্ররাতে তাপমাত্রা মাইনাস ২শ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যায়। তাই সে সময় ল্যান্ডারের মেশিন ঠান্ডায় জমে যেতে পারে। ফলে আর কোনও আশা দেখছেন না ইসরোর বিজ্ঞানীরা।