ঢাকা ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে মা ও মেয়ের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ

  • আপডেট সময়: ১২:৩১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪
  • ১৪০ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:রাজধানীর তুরাগের কামারপাড়া এলাকায় এক নারীর স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ছিনতাইয়ের পর মা ও শিশু মেয়েকে অ্যাসিড ছুড়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। এতে সাথী রানী হালদার (৩৬) ও তার মেয়ে বিজু হালদার (২) ঝলসে যায়।

পরে দুপুরের দিকে দগ্ধ অবস্থায় মা ও মেয়েকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

এসিডে দগ্ধ সাথীর দেবর অশ্বিনী হালদার জানান, আমার ভাই জয় কুমার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। সকালের দিকে আমার ভাবি আমার ভাতিজি বিজুকে নিয়ে চুল কাটাতে যায়। ভাতিজির চুল কাটিয়ে বাসায় ফেরার পথে বাসার সামনেই ছিনতাইকারী আমার ভাবির গলার চেইন টান দিলে তিনি চিৎকার দেন। ওই সময় তারা আমার ভাবির ওপর এসিড নিক্ষেপ করলে আমার ভাতিজির শরীরে এসেও লাগে।

পরে আমরা খবর পেয়ে দুজনকে উদ্ধার করে উত্তরার একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্যএ ন্যাশনাল বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আমাদের এখানে মা ও মেয়ে এসিডে দগ্ধ হয়ে এসেছে। তাদের মধ্যে মেয়ে বিজুর ১৫ শতাংশ দগ্ধ ও সাথী রানীর ১৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দুজনকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয়।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় অংশ নিলেন মেয়ে

রাজধানীতে মা ও মেয়ের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ

আপডেট সময়: ১২:৩১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:রাজধানীর তুরাগের কামারপাড়া এলাকায় এক নারীর স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ছিনতাইয়ের পর মা ও শিশু মেয়েকে অ্যাসিড ছুড়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। এতে সাথী রানী হালদার (৩৬) ও তার মেয়ে বিজু হালদার (২) ঝলসে যায়।

পরে দুপুরের দিকে দগ্ধ অবস্থায় মা ও মেয়েকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

এসিডে দগ্ধ সাথীর দেবর অশ্বিনী হালদার জানান, আমার ভাই জয় কুমার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। সকালের দিকে আমার ভাবি আমার ভাতিজি বিজুকে নিয়ে চুল কাটাতে যায়। ভাতিজির চুল কাটিয়ে বাসায় ফেরার পথে বাসার সামনেই ছিনতাইকারী আমার ভাবির গলার চেইন টান দিলে তিনি চিৎকার দেন। ওই সময় তারা আমার ভাবির ওপর এসিড নিক্ষেপ করলে আমার ভাতিজির শরীরে এসেও লাগে।

পরে আমরা খবর পেয়ে দুজনকে উদ্ধার করে উত্তরার একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্যএ ন্যাশনাল বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আমাদের এখানে মা ও মেয়ে এসিডে দগ্ধ হয়ে এসেছে। তাদের মধ্যে মেয়ে বিজুর ১৫ শতাংশ দগ্ধ ও সাথী রানীর ১৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দুজনকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয়।