ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাইনাস-টু ফর্মুলার আশা কখনো পূরণ হবে না: আমির খসরু

  • আপডেট সময়: ১১:২২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১১৩ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার বিদেশযাত্রাকে কেন্দ্র করে যারা মাইনাস টু ফর্মুলার আশা করছেন, তাদের ওই আশা কোনোদিনই পূরণ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন বিএনপি এখন শক্তিশালী দল। তার মতে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ হলো নির্বাচন।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানী শেরেবাংলা নগরস্থ শহীদ জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ম্যাডাম যাওয়ার পরে মাইনাস টু এর কথা সামনে আসছে। কেউ যদি মনে মনে মন গড়া কথা বলেন সেটা তাদের সমস্যা। ওইটা এরশাদ পারে নাই। ওইটা ওয়ান-ইলেভেন (এক-এগার) পারে নাই। আর এখন তো বিএনপি তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী দল। বিএনপি ত্যাগ করে আজকে একটি সবচেয়ে শক্তিশালী দলে পরিণত হয়েছে। সুতরাং ওই সমস্ত মনগড়া কথার উত্তর দেয়ারও আমি প্রয়োজন বোধ করি না।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরা বিএনপির নেতাকর্মীদের কথা উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তাদের স্বাগত জানানোর মূল কারণ হচ্ছে এই লোকগুলো বিগত ১৬ বছর যুক্তরাষ্ট্রে থেকে ফ্যাসিস্ট বিরোধী, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সোচ্চার ছিল। তারা হোয়াইট হাউজের সামনে, তারা ক্যাপিটল হিলে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সামনে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লড়েছেন। তার সম্মুখীন হয়েছেন, সামনে গিয়ে প্রতিবাদ করেছেন। তার সামনে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিয়েছেন। দেশে এদের সবার আত্মীয়-স্বজনসহ সবার নামে মামলা আছে। এদের পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা আছে। এদের অনেকে ব্যবসা হারিয়েছে, অনেকে চাকরি হারিয়েছে। এদের পরিবারের অনেকে জীবনও দিয়েছে।

তিনি বলেন, আন্দোলন একদিনে হয়নি। এই আন্দোলনের পেছনে গত ১৫-১৬ বছরে কত লোক যে ত্যাগ স্বীকার করেছে সেটা অনেকে ভুলে যায়। এই লোকগুলো কিন্তু আন্দোলনের বড় একটা অংশ। এদেরকে বাদ দিয়ে কোনো আন্দোলন হয়নি। এরা যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আইন প্রণেতাদের ওপর, কংগ্রেসম্যান, সেনেটর এদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন সংস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। এর ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে এদের পরিবার অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। কিন্তু এরা সেখানে থেমে থাকেনি।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতেই হবে। এটাই প্রথম ধাপ। নির্বাচন হলো প্রথম সংস্কার। এটা দিয়েই শুরু করতে হবে সংস্কার এবং গণতন্ত্রের আন্দোলন। বিগত প্রায় ১৫ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপিসহ দলটির অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি অলিউল্লাহু আতিকুর রহমান, সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন বিবি, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা হুমায়ুন কবীর, রানা চৌধুরী, শাহিন আব্দুল্লাহ, কাউসার আলম প্রমুখ।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

এইচএসসি খাতা চ্যালেঞ্জের সময় বাড়ল, আবেদন করা যাবে রোববার দুপুর পর্যন্ত

মাইনাস-টু ফর্মুলার আশা কখনো পূরণ হবে না: আমির খসরু

আপডেট সময়: ১১:২২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার বিদেশযাত্রাকে কেন্দ্র করে যারা মাইনাস টু ফর্মুলার আশা করছেন, তাদের ওই আশা কোনোদিনই পূরণ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন বিএনপি এখন শক্তিশালী দল। তার মতে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ হলো নির্বাচন।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানী শেরেবাংলা নগরস্থ শহীদ জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ম্যাডাম যাওয়ার পরে মাইনাস টু এর কথা সামনে আসছে। কেউ যদি মনে মনে মন গড়া কথা বলেন সেটা তাদের সমস্যা। ওইটা এরশাদ পারে নাই। ওইটা ওয়ান-ইলেভেন (এক-এগার) পারে নাই। আর এখন তো বিএনপি তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী দল। বিএনপি ত্যাগ করে আজকে একটি সবচেয়ে শক্তিশালী দলে পরিণত হয়েছে। সুতরাং ওই সমস্ত মনগড়া কথার উত্তর দেয়ারও আমি প্রয়োজন বোধ করি না।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরা বিএনপির নেতাকর্মীদের কথা উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তাদের স্বাগত জানানোর মূল কারণ হচ্ছে এই লোকগুলো বিগত ১৬ বছর যুক্তরাষ্ট্রে থেকে ফ্যাসিস্ট বিরোধী, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সোচ্চার ছিল। তারা হোয়াইট হাউজের সামনে, তারা ক্যাপিটল হিলে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সামনে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লড়েছেন। তার সম্মুখীন হয়েছেন, সামনে গিয়ে প্রতিবাদ করেছেন। তার সামনে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিয়েছেন। দেশে এদের সবার আত্মীয়-স্বজনসহ সবার নামে মামলা আছে। এদের পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা আছে। এদের অনেকে ব্যবসা হারিয়েছে, অনেকে চাকরি হারিয়েছে। এদের পরিবারের অনেকে জীবনও দিয়েছে।

তিনি বলেন, আন্দোলন একদিনে হয়নি। এই আন্দোলনের পেছনে গত ১৫-১৬ বছরে কত লোক যে ত্যাগ স্বীকার করেছে সেটা অনেকে ভুলে যায়। এই লোকগুলো কিন্তু আন্দোলনের বড় একটা অংশ। এদেরকে বাদ দিয়ে কোনো আন্দোলন হয়নি। এরা যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আইন প্রণেতাদের ওপর, কংগ্রেসম্যান, সেনেটর এদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন সংস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। এর ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে এদের পরিবার অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। কিন্তু এরা সেখানে থেমে থাকেনি।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতেই হবে। এটাই প্রথম ধাপ। নির্বাচন হলো প্রথম সংস্কার। এটা দিয়েই শুরু করতে হবে সংস্কার এবং গণতন্ত্রের আন্দোলন। বিগত প্রায় ১৫ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপিসহ দলটির অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি অলিউল্লাহু আতিকুর রহমান, সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন বিবি, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা হুমায়ুন কবীর, রানা চৌধুরী, শাহিন আব্দুল্লাহ, কাউসার আলম প্রমুখ।