স্টাফ রিপোর্টার:অনুসন্ধান ভিত্তিক সংবাদ তৈরি করার জন্য যশোর থেকে খাগড়াছড়ি জেলার মানিক ছড়ি এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক অপহরণের শিকার অতঃপর মুক্তিপনের মাধ্যমে মুক্তি এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার বিঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলী আদালত যশোর এর মাননীয় বিচারক মোঃ গোলাম কিবরিয়া মামলাটি আমলে নেন যাহার নম্বর সি আর ৬৩৫/২৪ এবং তিনি মামলা টি তদন্তের জন্য যশোর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি কে আদেশ দেন।
জানা যায়,দৈনিক লোকসমাচার ডটকম নামক অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রকাশক ও সম্পাদক এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক আজকালের সংবাদ পত্রিকার খুলনা বিভাগীয় ব্যুরোচীফ মোঃ আলী জিন্নাহর সাথে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানা খরসঙ্গ গ্রামের আফসার আলী খন্দকারের ছেলে মোহাম্মদ ইব্রাহিম খন্দকার বর্তমান খিতিবদিয়া এলাকায় বসবাসের সুবাদে পরিচয় ঘটে একই সাথে তার মাধ্যমে কোতোয়ালি থানার সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানার ভাইনা রাজাপুর গ্রামের মৃত সৈয়দ আলী বিশ্বাসের ছেলে আলতাফ ওরফে শাওন মাহমুদের সঙ্গে পরিচয় হয়। এবং তারা জানায় খাগড়াছড়ি মানিকছড়ি এলাকায় তাদের ঘনিষ্ঠ আপন লোকজন দীর্ঘদিন পূর্ব হইতে দুস্ক্রিতকারীদের নিয়ন্ত্রণে রহিয়াছে সেখানে হাজির হয়ে সরজমিনে তদন্ত করিয়া একটা ভালো নিউজ করতে হবে। ইব্রাহিম ও শাওন মাহমুদের কথায় রাজি হয়ে সরজমিনে যাচাই-বাছাই করে নিউজ করার জন্য গত ২১-২-২০২৪ তারিখ রাত ১০ ঘটিকায় ইব্রাহিমের সাথে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে ল্যান্ড পথে বিভিন্ন গাড়ি জোগে রওনা করিয়া গত ২২/০২/২০২৪ তারিখ বেলা অনুমান ৩ ঘটিকার সময় খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি থানার রোহিজ উদ্দিনের ছেলে ইব্রাহিমের বাড়িতে পৌছায় সেখানে মামলায় উল্লেখিত তিন নম্বর আসামি খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানার ডিপিপাড়া গ্রামের কংহলাঅং মারমার ছেলে মংছুরি মারমা সহ ৫ নম্বর আসামি মোঃ ইব্রাহিম ও ৬নং আসামির সাথে দেখা হয়। ৫ নাম্বার আসামির ঘরে রাত্রে যাপন করে পরদিন ২৩-২-২৪ তারিখ সকাল অনুমান ৮ ঘটিকায় আসামির বাড়ি হইতে মানিকছড়ি থানা দিন গাবামারা গ্রামের পশ্চিম উত্তর কোনে একটি অজ্ঞাতনামা পাহাড়ের গহীন জঙ্গলের মধ্যে পাহাড়ের চূড়ায় নামাইয়া একই তারিখে সকাল অনুমান সাড়ে আটটায় সকল আসামী সাংবাদিক জিন্নাহকে জানাই সে অপহরণের শিকার এবং বাঁচতে হলে ৫ কোটি টাকা মুক্তিপন দিতে হবে। আসামিগন খুন যখম করার হুমকি দিয়া মারপিট করে তার পরিহিত পায়জামার পকেটে রক্ষিত নগদ ১৩০০০ টাকা বিকাশের রক্ষিত ২ হাজার টাকা,একটা ছয় আনা ওজনের সোনার আংটি ও সনি ডিজিটাল ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। মুক্তি পনের চাপের এক পর্যায়ে তিনি বাড়ির লোকজনের থেকে বিকাশে ২০ হাজার টাকা নিয়ে তাদের বিকাশ নম্বরে সেন্ড করে তাদের কাছে আকুতি মিনতি করে মুক্তি পেয়ে অসুস্থতার মাঝে বাড়িতে ফিরে যশোর ২৫০ শষ্যা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।












