লোকসমাচার ডেস্ক:পার্বত্য জেলা বান্দরবান,খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি জেলা,শ্রমিক আন্দোলন, সংখ্যালঘু ইস্যু সহ সকল সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্রে দেশকে অচল করে দেয়ার প্রয়াসকে ধূলিসাৎ করার আহ্বান জানান গণঅধিকার পার্টি-পিআরপি।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতা আন্দোলনের মাধ্যমে বিপ্লব সংঘটিত হয় সে বিপ্লবে গত ৫ই আগস্টে নির্লজ্জ মিথ্যুক প্রতারক বিশ্বাসঘাতক শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। সেই থেকে ভারতে উনি চুপচাপ বসে নেই সেখান থেকে আমাদের সকলের প্রিয় মাতৃভূমিকে ধ্বংস ও অস্থিতিশীল করার জন্য একের পর এক ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসে ইন্ধন মূলক কর্মকাণ্ড ও বক্তব্য দিয়ে চলেছে। কয়দিন আগে দেশবাসী দেখেছে, ষড়যন্ত্রকারীর দ্বারা সৃষ্ট সাম্প্রদায়িক নাটকের আন্দোলন, দেশের পোশাক খাত ধ্বংসের ষড়যন্ত্রর মত ভয়াবহ চক্রান্ত।
দেশের অখন্ডিত পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে ভারি ভারী অস্ত্র নিয়ে পাহাড়ি উপজাতিরা আন্দোলন করছে তারা পার্বত্য জেলা বান্দরবান রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি এবং চিটাগাং জেলাকে স্বাধীন রাষ্ট্র চাই এটাও ফ্যাসিস্ট সরকার ও তার দোসরদের সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্রের অন্তর্গত যাহা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের খতিয়ে দেখতে হবে এই ষড়যন্ত্রের মূলে কারা কল কাঠি নাড়ছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং ষড়যন্ত্র কারিদেরকে শক্ত হাতে দমন করতে হবে তা নাহলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে আমরা মনে করি। পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে ষড়যন্ত্রকারীদের সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্রের জালে দূষ্কৃতিকারীদের প্ররোচনায় ব্যাপক সংঘর্ষে ইতিমধ্যে একজন গর্বিত সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন আহত হয়েছেন অর্ধশত উপজাতি ও বাঙালি । শতাধিক গুরুতর আহতও হয়েছেন পাশাপাশি দোকানপাট ভাংচুর, ঘরবাড়িতে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় গভীর উদ্দেগ প্রকাশ করেন গণধিকার পার্টি বিআরপি এর চেয়ারম্যান সরদার মোঃ আব্দুস সাত্তার, দলের মহাসচিব ডক্টর শরীফ আব্দুল্লাহ হিস সাকী। কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য দপ্তর সম্পাদক তামিম বিল্লাহ,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমান এবং প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আলী জিন্নাহর যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন। বিবৃতিতে দলের চেয়ারম্যান সরদার মোঃ আব্দুস সাত্তার দেশবাসীর উদ্দেশ্যে আহ্বান করেন যে নিজের হাতে আইন তুলে নিবেন না,ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত না হয়ে দেশ সংস্কার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করতে হবে।
তিনি আরো জানান সহিংসতার সব ঘটনা সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। দাবি করে বলেন, একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি করে প্রতিটা খুনের ঘটনার সঠিক অনুসন্ধান করে সংশ্লিষ্ট দায়ীদের শাস্তি দিতে হবে, আর যারা আহত হয়েছে তাদেরকে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।
বিবৃতি দাতারা বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সরকারের নমনীয় মনোভাবে দেশের মানুষ শঙ্কিত এ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ২ মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত দেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সক্রিয় করতে সক্ষম হননি।সন্ত্রাসী খুনি স্বৈরাচারীর দোসররা এখনো সদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর খুব সহজে ভারতে পালিয়ে যাচ্ছে। ঢাবি জাবি সহ সারাদেশে হত্যা, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই চাঁদাবাজী, দখলদারিত্বসহ সকল অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়েই চলেছে প্রতিনিয়ত এ থেকে সাধারণ মানুষকে রেহাই দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সন্ত্রাসীদের কঠোর হাতে দমন করতে হবে। রক্তাক্ত পথ অনুসরণ করে ষড়যন্ত্রকারীরা যাতে ফায়দা লুটতে না পারে সেজন্য সরকারের পাশাপাশি দলমত নির্বিশেষে দেশবাসি সকলের সজাগ থাকতে হবে। তাহলে দেশের প্রকৃত গণতন্ত্র সুশাসন ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। খাগড়াছড়ি এবং রাঙ্গামাটিতে সাধারণ মানুষের উপর হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে । নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা সহ তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন, দলটির বিবৃতি দাতারা, পার্বত্য জেলা আন্দোলন সংখ্যালঘু ইস্যু সহ সকল সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র দেশকে অচল করে দেয়ার প্রয়াসকে ধূলিসাৎ করার আহ্বান গণঅধিকার পার্টি-পিপিআর।






















