ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন বন্ধ করে দেশ রক্ষার আহ্বান

  • আপডেট সময়: ০৯:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১৩৭ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। রোববার দুপুরে দলটির নেতারা স্মারকলিপি দেন। এতে দেশ রক্ষায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বন্ধ, সংসদ ভেঙে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্মারকলিপি দিতে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে মিছিল নিয়ে গণভবন অভিমুখে রওয়ানা দেন দলটির নেতাকর্মীরা। মিছিলটি দৈনিক বাংলা মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ আটকে দেয়। এ সময় নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি শান্ত হলে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির বাসভবনে গিয়ে স্মারকলিপি দেয়।

প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, কেএম আতিকুর রহমান ও মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম।

স্মারকলিপি পেশ-পূর্ব সমাবেশে সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী বলেন, ‘সরকার ১৫ বছরে নির্বাচনি ব্যবস্থাসহ রাষ্ট্রের সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে। দেশকে ভয়াবহ সংকটে ঠেলে দিয়েছে। বিরোধী দলগুলোর দাবিকে পাশ কাটিয়ে একতরফা নির্বাচনের নামে দেশকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসাবে রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন বন্ধ করে দিয়ে অবৈধ সংসদকে ভেঙে দিতে হবে। শিক্ষা কারিকুলাম বাতিল করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে হবে। এ কাজটুকু রাষ্ট্রের মুরুব্বি হিসাবে রাষ্ট্রপতিকে করতে হবে। অন্যথায় দেশ ভয়াবহ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটসহ বিদেশিদের নিষেধাজ্ঞায় পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলে এর দায় বর্তমান সরকারকেই বহন করতে হবে।’

হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘প্রহসনের নির্বাচনে জনগণের কোনো আগ্রহ নেই, এজন্য সরকার জনগণকে ভোটকেন্দ্রে নিতে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। নির্বাচন-নির্বাচন খেলা করে দেশের সম্পদ নষ্ট করছে। নাটক মঞ্চস্থ করছে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, অধ্যাপক নাসির উদ্দিন খান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হানিফ মিয়া, ডা. শহিদুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেন, মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহ, মুফতি ফরিদুল ইসলাম, মুফতি হাফিজুল ইসলাম ফাইয়াজ, আল আমিন সোহাগ প্রমুখ।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

এইচএসসি খাতা চ্যালেঞ্জের সময় বাড়ল, আবেদন করা যাবে রোববার দুপুর পর্যন্ত

নির্বাচন বন্ধ করে দেশ রক্ষার আহ্বান

আপডেট সময়: ০৯:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। রোববার দুপুরে দলটির নেতারা স্মারকলিপি দেন। এতে দেশ রক্ষায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বন্ধ, সংসদ ভেঙে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্মারকলিপি দিতে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে মিছিল নিয়ে গণভবন অভিমুখে রওয়ানা দেন দলটির নেতাকর্মীরা। মিছিলটি দৈনিক বাংলা মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ আটকে দেয়। এ সময় নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি শান্ত হলে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির বাসভবনে গিয়ে স্মারকলিপি দেয়।

প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, কেএম আতিকুর রহমান ও মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম।

স্মারকলিপি পেশ-পূর্ব সমাবেশে সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী বলেন, ‘সরকার ১৫ বছরে নির্বাচনি ব্যবস্থাসহ রাষ্ট্রের সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে। দেশকে ভয়াবহ সংকটে ঠেলে দিয়েছে। বিরোধী দলগুলোর দাবিকে পাশ কাটিয়ে একতরফা নির্বাচনের নামে দেশকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসাবে রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন বন্ধ করে দিয়ে অবৈধ সংসদকে ভেঙে দিতে হবে। শিক্ষা কারিকুলাম বাতিল করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে হবে। এ কাজটুকু রাষ্ট্রের মুরুব্বি হিসাবে রাষ্ট্রপতিকে করতে হবে। অন্যথায় দেশ ভয়াবহ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটসহ বিদেশিদের নিষেধাজ্ঞায় পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলে এর দায় বর্তমান সরকারকেই বহন করতে হবে।’

হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘প্রহসনের নির্বাচনে জনগণের কোনো আগ্রহ নেই, এজন্য সরকার জনগণকে ভোটকেন্দ্রে নিতে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। নির্বাচন-নির্বাচন খেলা করে দেশের সম্পদ নষ্ট করছে। নাটক মঞ্চস্থ করছে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, অধ্যাপক নাসির উদ্দিন খান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হানিফ মিয়া, ডা. শহিদুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেন, মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহ, মুফতি ফরিদুল ইসলাম, মুফতি হাফিজুল ইসলাম ফাইয়াজ, আল আমিন সোহাগ প্রমুখ।